নারীর সম্পত্তির অধিকার ভারতে

 প্রাচীন ভারতের অধিকাংশ শাস্ত্রকার নারীর অর্থনৈতিক অধিকারের প্রশ্নে নানা বিধিনিষেধের কথা বলেছেন। মনু ও অন্যান্য শাস্ত্রকারগণ নারীকে জীবনের প্রতিটি স্তরেই …

Read moreনারীর সম্পত্তির অধিকার ভারতে

বর্ণ ও জাতি ইতিহাস

 বর্ণ ও জাতি আর্যরা আজ থেকে প্রায় ৩৫০০ বছর আগে ভারতবর্ষে সপ্তসিন্ধু অঞ্চলে বসতির বিস্তার ঘটায়। ভারতে আগমনকালে আর্য সমাজে …

Read moreবর্ণ ও জাতি ইতিহাস

নীল বিদ্রোহ | নীলচাষের পদ্ধতি কী ধরনের ছিল? বিশ্লেষণ

 নীলচাষের পদ্ধতি কী ধরনের ছিল? উত্তর:- বিদেশ থেকে আগত নীলকর সাহেবরা নীলচাষের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছিল। প্রথমে মোটা টাকা …

Read moreনীল বিদ্রোহ | নীলচাষের পদ্ধতি কী ধরনের ছিল? বিশ্লেষণ

সাম্রাজ্য ও রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের | মধ্যে পার্থক্য কি?

সাম্রাজ্য ও রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মধ্যে পার্থক্য অতীতকালে গড়ে ওঠা সাম্রাজ্য (Empire) ও রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র (Monarchy)-কে অনেক সময়ই একই অর্থে ব্যবহার …

Read moreসাম্রাজ্য ও রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের | মধ্যে পার্থক্য কি?

বিশ্বভারতীর উদ্যোগ ইতিহাস ও বিশ্লেষণ

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, “মানুষের অভ্যন্তরের মানুষটিকে পরিচর্যা করে খাঁটি মানুষ বানানোর প্রচেষ্টাই শিক্ষা।” শিক্ষা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তাঁর চিন্তার জগৎ বহুদূর বিস্তৃত। এই চিন্তার একটি দিক হল বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি সদ্য প্রতিষ্ঠিত মহীশূর (১৯১৬ খ্রি.), বারাণসী (১৯১৬ খ্রি.), পাটনা (১৯১৭ খ্রি.), ওসমানিয়া (১৯১৮ খ্রি.) প্রভৃতি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে লক্ষ করেন যে, সেগুলিতেও পুরোনো ইউরোপীয় ছাঁচে নতুনের ঢালাই করা হচ্ছে। তিনি এই পুরোনো ইউরোপীয় ছাঁচ বাদ দিয়ে নতুন ধরনের উচ্চশিক্ষার চিন্তাভাবনা শুরু করেন।

শান্তিনিকেতনে ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি রবীন্দ্রনাথের আতিথেয়তায় মহাত্মা গান্ধি ও তাঁর স্ত্রী কস্তুরবা গান্ধি
শান্তিনিকেতনে ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দের ১৮ ফেব্রুয়ারি রবীন্দ্রনাথের আতিথেয়তায় মহাত্মা গান্ধি ও তাঁর স্ত্রী কস্তুরবা গান্ধি

কলা রবীন্দ্রনাথের মতে, বিশ্ববিদ্যালয় হল যাবতীয় জ্ঞানভাণ্ডারের রক্ষক। সেই জ্ঞানকে সাধনা ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে বৃদ্ধি করা এবং তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে উপস্থিত করার দায়িত্বও বিশ্ববিদ্যালয়ের। মুক্তচিন্তার চর্চা, সত্যানুসন্ধানের মাধ্যমে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তব্য। এই আদর্শে শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে রবীন্দ্রনাথ ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দ থেকে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কথা ভাবতে শুরু করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির নামও ঠিক করেন—‘বিশ্বভারতী’। 

অবশেষে তিনি বীরভূম জেলার শান্তিনিকেতনে ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। কলাবিদ্যার পাশাপাশি এখানে অর্থশাস্ত্র, কৃষিতত্ত্ব, স্বাস্থ্যবিদ্যা,

পল্লি উন্নয়ন-সহ সমস্ত ব্যাবহারিক বিজ্ঞানের পাঠদান শুরু হয়। বিশ্বভারতীর মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথের বিশ্ববিদ্যালয় ভাবনা বাস্তবায়িত হয়।

বিশ্বভারতী শিক্ষাদান পদ্ধতিতে আকৃষ্ট হয়ে দেশ-বিদেশের পণ্ডিত ও শিক্ষার্থীরা এখানে আসতে থাকেন। বহু পণ্ডিত রবীন্দ্রনাথের আমন্ত্রণে এখানে শিক্ষকতায় যোগ দেন। বহু মূল্যবান গ্রন্থ ও পত্রপত্রিকার সমন্বয়ে বিশ্বভারতীর গ্রন্থাগার সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। বিভিন্ন ভাষা, সাহিত্য, কলাশাস্ত্র, পল্লি-শিক্ষা, কৃষি-অর্থনৈতিক গবেষণা-সহ বিভিন্ন বিষয়ে এখানে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করা হয়। রবীন্দ্রজীবনীকার প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় লিখেছেন, “কবির মনে তাঁহারমিশন’ সম্বন্ধে দ্বিধা নাই, তাঁহার অন্তরের বিশ্বাস, আন্তর্জাতিকতার মনোশিক্ষা না পাইলে ভাবীকালের সভ্যতা টিকিবে না।”

কলকাতার নাগরিক জীবন থেকে অনেক দূরে অবস্থিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমানে দুটি ক্যাম্পাস রয়েছে—একটি শান্তিনিকেতনে এবং অপরটি শ্রীনিকেতনে। কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর প্রথম উপাচার্য (১৯৫১-৫৩ খ্রি.) ছিলেন। দেশ-বিদেশের প্রচুর ছাত্রছাত্রী এখানে পড়াশোনা করতে আসেন। ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে এই বিশ্ববিদ্যালয় ভারতের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা লাভ করে।

 

 বিশ্বভারতী কেন ও কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পাশ্চাত্য শিক্ষাধারার বিকল্প জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানরূপে শান্তিনিকেতনে যে ব্ৰত্মচর্য আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন তা পরবর্তীকালে একটি বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠান রূপে গড়ে ওঠে । এই প্রতিষ্ঠানকে একটি বৃহত্তর প্রতিষ্ঠান রূপে গড়ে তােলার আকাঙ্খা থেকেই গড়ে ওঠে বিশ্বভারতী ( ৮ পৌষ , ১৩২৮ বঙ্গাব্দ , ২২ ডিসেম্বর ১৯২১খ্রি:)।

বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য কি ছিল

প্রেক্ষাপট : বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ । যে সমস্ত আদর্শ দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন সেগুলি হল —
 
 ভারতীয় আদর্শকে তুলে ধরা : শান্তিনিকেতনকে কেন্দ্র । করে ভারতের আদর্শ ও বাণী বিশ্বে তুলে ধরার লক্ষ্যেই তিনি । বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হন । সাহিত্যিকরূপে বিশ্ববাসীকে যেমন সাহিত্য উপহার দেন।
 
 নিজের কর্তব্য সম্পাদন : তেমনি তিনি ভারতবাসীর হয়ে বিশ্বকে কিছু প্রদান করতে । চেয়েছিলেন । এই উদ্দেশ্যেই তিনি একজন ভারতীয়রূপে । নিজের কর্তব্য সম্পাদনের জন্য বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা করেন । 
 
প্রতিষ্ঠা : ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দের ২৩ ডিসেম্বর । শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয় ( ৮ পৌষ , ১৩২৫ । বঙ্গাব্দ ) । এর তিন বছর পর পৌষ উৎসবে বিশ্বভারতী । উঘাটিত হয় । বিশ্বভারতী সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথের চিন্তাভাবনার তিনটি স্তর ছিল যথা— 
 
১ ভারত সংস্কৃতি : ভারতের সমগ্ররূপ উপলব্ধি করতে ভারতের নানা সংস্কৃতি ( বৈদিক , বৌদ্ধ , জৈন ও মুসলমান ) কে তুলে ধরা ।
 
 ২ বিদ্যা উৎপাদন : তিনি মত প্রকাশ করেন যে , বিশ্বভারতীর মূল কাজ হবে বিদ্যার উৎপাদন । বিদ্যা বিতরণ হবে গৌণ কাজ । এই উদ্দেশ্যে বিশ্বের মনীষীদের আহ্বান করে বিশ্বভারতীতে তাঁদের আনার কাজ শুরু করেন ।
 
৩ উৎপাদন – শিক্ষা : শিক্ষার্থীদের অর্থশাস্ত্র , কৃষি – তত্ত্ব , নানা ব্যবহারিক বিদ্যা শিক্ষা ও বিশ্বভারতীর চতুর্দিকে তার প্রয়ােগের ব্যবস্থা করাও ছিল তার চিন্তা – ভাবনার বিশেষ দিক । এরই সূত্র ধরে শ্রী নিকেতনের প্রতিষ্ঠা করা হয় ।
 
 উপসংহার : বিশ্বভারতী উদ্যানের দিনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বভারতীকে দেশবাসীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন । এভাবেই ব্যক্তি রবীন্দ্রনাথের একজন আদর্শ ভারতীয় | রূপে উত্তরণ ঘটে

Read moreবিশ্বভারতীর উদ্যোগ ইতিহাস ও বিশ্লেষণ

জাতীয় শিক্ষা পরিষদ এর ইতিহাস আর বিশ্লেষণ

 ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ বড়োলাট লর্ড কার্জন কর্তৃক বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে স্বদেশি আন্দোলন অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে। জাতীয় নেতৃবৃন্দ ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক …

Read moreজাতীয় শিক্ষা পরিষদ এর ইতিহাস আর বিশ্লেষণ

ভারতসভা ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন (Indian Association) ভারত সভার প্রধান লক্ষ্য কি ছিল

হ্যালো বন্ধুরা, Kalikolom অবরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ফিরে এসেছে  ভারতসভা ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন এবং আমাদের রিচার্জ অফার সাইট Free Recharge Tricks সাইডে click করে বিভিন্ন অফার এবং ক্যাশব্যাক উপভোগ করুন। ঠিক আছে চলুন শুরু করা যাক

অমৃতবাজার পত্রিকার সম্পাদক শিশিরকুমার ঘোষ ও হেমন্তকুমার ঘোষ ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে ‘ইন্ডিয়ান লিগ’ নামে একটি রাজনৈতিক সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু নেতৃবৃন্দের মতবিরোধের ফলে কিছুদিনের মধ্যেই এর অস্তিত্ব লোপ পায়। এরপর সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, আনন্দমোহন বসু, শিবনাথ শাস্ত্রী, দ্বারকানাথ গাঙ্গুলি প্রমুখের উদ্যোগে ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দে ‘ভারতসভা’ বা ‘ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন’ নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে ওঠে। কলকাতার অ্যালবার্ট হলে ভারতসভার প্রথম অধিবেশন (২৬ জুলাই, ১৮৭৬ খ্রি.) বসে। নানা কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় হয়ে ওঠেন ভারতসভার প্রাণপুরুষ।

ভারতসভা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য কী ছিল

ভারতসভা প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয়দের সার্বিক কল্যাণসাধনস্বার্থরক্ষা। এর জন্য সর্বপ্রথম প্রয়োজন ছিল শিক্ষিত মধ্যবিত্ত ভারতীয়দের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনার প্রসার ঘটানো। এজন্য ভারতসভা যেসব কর্মসূচি গ্রহণ করে সেগুলি হল—জনমত গঠন করা; রাজনৈতিক স্বার্থে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের অধিবাসীদের ঐক্যবদ্ধ করা; হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি স্থাপন করা এবং স্বল্পশিক্ষিত ও সাধারণ ভারতীয়দের রাজনৈতিক গণ-আন্দোলনে শামিল করা। সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে লখনউ, মিরাট, লাহোর, সিন্ধু প্রভৃতি অঞ্চলে ভারতসভার শাখা গড়ে ওঠে।

 

লর্ড রিপন (১৮৮০-৮৪ খ্রি.) এদেশে আসার আগে কোনো ভারতীয় বিচারক কোনো ইংরেজের বিচার করার অধিকারী ছিলেন না। এই বর্ণবৈষম্য দূর করার উদ্দেশ্যে রিপনের পরামর্শে তার আইন সচিব ইলবার্ট একটি বিল রচনা করেন। এতে ভারতীয় বিচারকরা শ্বেতাঙ্গ ইংরেজদের বিচার করারও অধিকার পান | এটি ইলবার্ট বিল নামে পরিচিত।

 

Read moreভারতসভা ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন (Indian Association) ভারত সভার প্রধান লক্ষ্য কি ছিল

খেলার ইতিহাস | খাদ্যাভ্যাসের ইতিহাস | খেলা ও খাদ্যাভ্যাসের ইতিহাস

 খেলার ইতিহাস খেলার ইতিহাস বলতে কী বোঝো খেলাধুলার ইতিহাসও সামাজিক ইতিহাসচর্চার একটি অঙ্গ। বিনোদ খেলার ইতিহাস নের পাশাপাশি শরীরচর্চা ও …

Read moreখেলার ইতিহাস | খাদ্যাভ্যাসের ইতিহাস | খেলা ও খাদ্যাভ্যাসের ইতিহাস

ভারত মাতা’ কীভাবে হিন্দু রাষ্ট্রের শব্দে পরিণত হয়ে গেল

বাঙালি উত্স ব্যাখ্যা পৃথিবী উপাসনা করার ধারণাটি বহু আগে থেকেই হিন্দু ধর্মের অঙ্গ। যাইহোক, একটি মাতৃদেবীর সাথে একটি জাতিকে সমান …

Read moreভারত মাতা’ কীভাবে হিন্দু রাষ্ট্রের শব্দে পরিণত হয়ে গেল