Month: November 2021

  • লেবার কার্ড বানালে কতদিন পর টাকা পাওয়া যাবে এবং কত টাকা পাবেন জানেন?

    এই প্রকল্পের আবেদন অনলাইন করা এর যাবে এই অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে edistrict.wb.gov.in

    আজকের লেবার কার্ডে কারা আবেদন করতে পারবেন । রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার এই প্রকল্প তৈরি করেছেন , এই প্রকল্পের নাম , নির্মাণ শ্রমিক প্রকল্প ।তবে এই প্রকল্প লেবার কার্ড নামেও পরিচিত খবর যেসমস্ত দরিদ্র দিনমুজুররা নির্মাণ কাজের সঙ্গে যুক্ত তাদের কথা মাথায় রেখেই এই প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে । সুতরাং এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করতে হলে আপনাকে অবশ্যই একজন দিনমজুর ও নির্মাণ শ্রমিক হতে হবে ।

    নির্মাণ কর্মী :

    আজকের সড়কপথ , রেল , ট্রাম লাইন , সেচ নিকাশি , বিমানবন্দর , ভবন ও রাজমিস্ত্রি , বন্যা নিয়ন্ত্রণ টেলিভিশন , জল সরবরাহ বেবস্থা , টেলিফোন টাওয়ার নির্মাণ , পাইপলাইন , জলাধার , ইলেকট্রিকের তার লাগানো , তেল ও গ্যাস স্থাপন ইত্যাদি এই সমস্ত কাজের সঙ্গে যারা যুক্ত তারা এই প্রকল্পের আবেদন করতে পারবেন ।

    লেবার কার্ড আবেদনের শর্তাবলী :

    বয়স ১৮-৬০ বিগত এক বছরে নির্মাণ কর্মীকে নূন্যতম ৯০ দিন কাজ করে থাকতে হবে । উপরুক্ত নির্মাণ কাজের মধ্যে একটির সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে ।

    আবেদনের জন্য কি কি কাগজপত্র লাগবে?

    আধার কার্ড।
    মাজকের ভোটার কার্ড ।
    রেশন কার্ড ।
    ব্যাংকের একাউন্ট।
    পাসপোর্ট সাইজ ফটো ।
    সিগনেচার অথবা টিপ সই ।

    এই প্রকল্পে নথিভুক্ত নির্মাণকর্মী প্রতি মাসে যে সুবিধা পাবেন : এই ও বড় ৬০ বছর পরে ভাতা দেওয়া হয় : – ৬০ বছর পরে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা থেকে ৮৭০ টাকা । অতিরিক্ত সুবিধা , কর্মীর মৃত্যু হয়ে গেলে তার স্ত্রী অর্ধেক ভাতা পাবেন।

    মনে রাখবেন এই টাকা পাবেন ৬০ বছর পরে প্রতি মাসেই । টাকা পাবেন ৩০ তবে টাকা পাবেন তারাই যারা যারা এই প্রকল্পে নথিভুক্ত আছেন এবং এই প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা পেতে গেলে নির্দিষ্ট আবেদনপত্র যথাযথ পূরণ করে , প্রয়োজনীয় কাগজপত্র , পরিচয়পত্র ও পাসবইয়ের প্রত্যায়িত নকল সহ সংশিষ্ট শ্ৰম কমিশনারের অফিসে জমা দিতে হবে । পাশাপাশি যে কোনও রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে একটি সভিংস অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে । আবেদনপত্র মঞ্জুর হলে তার টাকা উক্ত অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হবে ।

    Kalikolom.com

  • নির্মাণশ্রমিক আবেদন করলেই বৎসরে ৬০০০ টাকা, বয়স ১৮—৬০ দেখুন কিভাবে আবেদন করবেন?

    পশ্চিমবঙ্গ সরকার নির্মাণকর্মী দের জন্য একটি প্রকল্প তৈবি করেছে যেটি হলো – নির্মাণ শ্রমিক প্রকল্প।

    নির্মাণকর্মী প্রকল্পে নথিভুক্তিকরণের শর্তাবলী নির্মাণকর্মীর বয়স ১৮ – ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে । নির্মাণ কাজগুলির মধ্যে নিয়োজিত থাকলে হবে।

    কলকাতা ছাড়া অন্যান্য জেলার ক্ষেত্রে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন চালু হয়েছে । কলকাতার জন্য – পশ্চিমবঙ্গ নির্মাণকর্মী কল্যাণ পর্ষদের ২৭ নং ও ৩১ নং ফর্মে আবেদন করতে হবে ।

    ফর্মের সঙ্গে কি কি ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে খবর আজকের চার কপি পাসপোর্ট মাপের ছবি । বয়সের প্রমাণপত্র হিসাবে কোন শংসাপত্র অথবা ভোটার পরিচয়পত্র / রেশন কার্ড – এর Attested Xerox Copy – স্থানীয় প্রশাসন অথবা নিয়োগকর্তা কাছ থেকে কর্মের প্রমাণপত্র হিসেবে পরিচয় পত্রের প্রমাণপত্র । শংসাপত্র । নমিনির ২০ / – টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি।
    এই প্রকল্পে নথিভুক্ত নির্মাণকর্মী কী কী সুযোগ সুবিধা পাবেন ?
    কঠিন ব্যধির চিকিৎসায় অনুদান নির্মাণ কর্মী / পরিবারের নির্ভরশীল সদস্যদের জন্য প্রতি বছর চিকিৎসা খাতে ১০,০০০ টাকা।

    মনে রাখবেন এই টাকা পাবেন কঠিন ব্যধির ককিৎসায় খরচ বাবদ অর্থ প্রতি বছর । তবে টাকা পাবেন তারাই যারা যারা এই প্রকল্পে নথিভুক্ত আছেন এবং এই প্রকল্পের সমস্ত নিয়ম মেনে চলেছেন ।প্রত্যেকেই এই সুবিধা পাওয়ার যোগ্য , তবে প্রকল্পের এই অর্থ শুধু মাত্র চিকিৎসা খাতে দেওয়া হবে । এই প্রকল্পে নথিভুক্ত নির্মাণকর্মী আরো ১৬ টি সুবিধা পাবেন ।

    আজকের ভবন , সড়কপথ , রেল , ট্রাম লাইন , বিমানবন্দর , সেচ নিকাশি , বন্যা নিয়ন্ত্রণ , বিজলী ও জল সরবরাহ ব্যবস্থা , টেলিভিশন এবং টেলিফোন টাওয়ার নির্মাণ ও তার লাগানো , জলাশয় , জলাধার ও সুড়ঙ্গ বানানো ,পাইপ লাইন , তেল ও গ্যাস সংস্থাপন ইত্যাদি কাজে নির্মাণ ও মেরামতি , বক্ষণাবেক্ষণ এমনকী ভাঙার কাজ করছেন তারা নির্মাণ কর্মী হিসাবে গণ্য হবেন ও এই প্রকল্পে নথিভুক্ত হতে পারবেন ।

    প্রকল্পের সুবিধা কী ভাবে পাওয়া যাবে ?

    প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা পেতে গেলে নির্দিষ্ট আবেদনপত্র যথাযথ পূরণ করে , প্রয়োজনীয় কাগজপত্র , পরিচয়পত্র ও পাসবইয়ের প্রত্যায়িত নকল সহ সংশ্লিষ্ট শ্রম মি অফিসে জমা দিতে হবে । পাশাপাশি যে কাগজপত্র , পারচয়পত্র ও পাসবহয়ের প্রত্যায়িত নকল সহ সংশ্লিষ্ট শ্রম কমিশনারের অফিসে জমা দিতে হবে । পাশাপাশি যে কোনও রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে একটি সেভিংস অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে । আবেদনপত্র মঞ্জুর হলে তার টাকা উক্ত অ্যাকাউন্টে জমা দেওয় হবে ।

     

  • model activity task class 10 part 8 English 50 marks | Combined Activity Task 2021 | Model Activity Task Class 10 English 2021

    model activity task class 10 part 8 English 50 marks

    সুপ্রিয় বন্ধুরা,

    আজকের পোস্টে মাধ্যমিক English Model activity task class 10 english part 8 (Bohubikalpo Vittik Prashno Porichiti o Anusilon Class 10Model activity task class 10 english) আশা করি আপনি ভাল করছেন এবং আমাদের আগের বাংলা, ভৌত বিজ্ঞান, জীবন বিজ্ঞান, ইতিহাস কোশ্চেনের অ্যানসার উপভোগ করেছেন. English Model activity task class 10 part 8  টি শেয়ার করলাম যেটির মাধ্যমে তোমরা English Model activity tas প্রশ্ন উত্তর অল্প সময়ে করতে সহযোগিতা করবে। সুতরাং সময় নষ্ট না করে নীচে দেওয়া English কোশ্চেন এর উত্তর গুলো পড়ে নাও

    নিচের বিষয়ভিত্তিক কোশ্চেনের অ্যানসার দিয়ে আছে। যে বিষয়ে উত্তর দেখতে চাও Click করে দেখে নাও

    ???? Model Activity Task Class 10 All subject Part 8 Answer

    ENGLISH SECOND LANGUAGE
    Class – X
    Full Marks : 50

    A. Read the following passage and answer the questions that follow:

    [su_note note_color=”#f4f043″ text_color=”#010916″]I was having tea at home on the evening of 30 January, 1948, when I was called to Birla house by an urgent telephone. Gandhiji had been shot on his way to a prayer meeting. I was numb with shock as I got into the car.

    At the Birla House, Gandhiji’s relatives and followers had gathered round his body. There was silence in the room as Gandhiji breathed his last. Words of Bapuji’s death had spread through Delhi like a flame fanned by wind. Sad groups of men and women had collected around Birla House. Out of every window one could see a brown blur of faces. They did not make a sound. There was an unnatural silence. It was as if time stood still for those few minutes.

    The people were too stunned to speak in the beginning. Later they clamoured wildly, shouting and crying. They jostled one another in a stampede to break into the house. They calmed a little when it was announced that they would be allowed to see Gandhiji before the funeral.[/su_note]

    Activity 1

    Write the correct alternative to complete the following sentences.

    a) The narrator was having ______. 

    i) rice

    ii) bread

    iii) tea

    iv) fruits

    Answer :- iii) tea

    b) The narrator received a telephone call in the ___________. 

    i) morning

    ii) afternoon

    iii) night

    iv) evening

    Answer: iv) evening

    c) Gandhiji was shot on his way to a ___________. 

    i) fair gathering

    ii) prayer meeting

    iii) political meeting

    iv) marketplace

    Answer: ii) prayer meeting

    d) The narrator went to Birla House by ____________. 

    i) car

    ii) bus

    iii) train

    iv) rickshaw

    Answer: i) car

    e) Time appeared to have stopped for a few ________. 

    i) hours

    ii) days

    iii) minutes

    iv) months

    Answer: iii) minutes


    Activity 2 

    Complete the following sentences with information from the text: 1

    i) At the Birla House, Gandhiji’s ___________________________. 

    Answer: At the Birla House, Gandhiji’s relatives and followers had gathered round his body.

    ii) Words of Bapuji’s death had _____________________________. 

    Answer: Words of Bapuji’s death had spread through Delhi like a flame fanned by wind.

    iii) The people were too stunned to ____________________________. 

    Answer: The people were too stunned to speak in the beginning.


    Activity 3

    Answer the following questions:

    i) What could one see out of every window? 

    Answer: As sad groups of men and women had collected around Birla House, Out of every window one could see a brown blur of faces.

    ii) When did the people become a little calm? 

    Answer: The people become a little calm when it was announced that they would be allowed to see Gandhiji before the funeral.

    B. Read the text given below and answer the questions that follow: 

    The mountain and the squirrel

    Had a quarrel:

    And the former called the later ‘Little Prig.’

    Bun replied,

    ‘You are doubtless very big;

    But all sorts of things and weather

    Must be taken in together,

    To make up a year

    And a sphere.

    And I think it no disgrace

    To occupy my place.

    If I’m not so large as you

    You are not so small as I,

    And not half so spry.

    I’ll not deny you make

    A very pretty squirrel track;

    Talents differ; all is well and wisely put;

    If I cannot carry forests on my back

    Neither can you crack a nut.’


    Activity 4 

    Write the correct alternative to complete the following sentences.

    i) The quarrel was between the mountain and the _______________

    a) nut

    b) track

    c) weather

    d) squirrel

    Answer: d) squirrel

    ii) The “later” is the _________________

    a) squirrel

    b) mountain

    c) quarrel

    d) year

    Answer: d) squirrel

    iii) The squirrel is very _______________

    a) spry

    b) big

    c) lazy

    d) tall

    Answer: a) spry 

    iv) The mountain can carry on its back a __________ 

    a) sphere

    b) forest

    c) weather

    d) year

    Answer: b) forest


    Activity 5 

    Complete the following table:

    Sl. No Statement Reason
    i) The former called the later “Little Prig.
    ii) Neither can the mountain crack a nut nor can the squirrel carry a forest.

    Complete the following table:

    Answer:

    Sl. NO No.Statement Reason
    i) The former called the later “Little Prig. The former called the later ‘Little Prig.’ to mock him as the squirrel is too small compared to the mountain.
    ii) Neither can the mountain crack a nut nor can the squirrel carry a forest. The mountain is not active and can not move. The squirrel is a very small creature and unable to carry forest.

    Sl.
    No.Statement
     Reason

    i) The former called the later ‘Little Prig.The former called the later ‘Little Prig.’

    to mock him as the squirrel is too small compared to the mountain.iiNeither can the mountain crack a nut nor can the squirrel carry a forest.The mountain is not active and can not move. The squirrel is a very small creature and unable to carry forest.

    Activity 6 

    Split the following into two sentences.

    a) Having heard the news, she fainted. 

    Answer: She heard the news, she fainted.

    b) It was raining heavily, when she reached home. 

    Answer: She reached home. It was raining heavily.

    c) Ashoka, who was a great king, helped in the spread of Buddhism.

    Answer: Ashoka was a great king. He helped in the spread of Buddhism.

    d) Shabnam thought that she would win the first prize.

    Answer: She would win the first prize. Shabnam thought this.

    Activity 7 

    Replace the underlined words with suitable phrasal verbs from the given list. Change the form of verbs if necessary. Write the answers in the given space. One extra phrasal verb is given in the list.

    i) My older brother is in search of a job. ______

    Answer: My older brother is  looking for a job

    ii) I cannot tolerate his audacity. _________

    Answer: put up with.

    iii) The Headmistress distributed books among the students. ________

    Answer: give away.

    Activity 8 

    Write a dialogue within 100 words between two friends on your feelings about not going to school for a long time. 10 

    Answer :-

    Raju: Hi Rohul, how are you?

    Rohul: I am fine. What about you?

    Raju:- Me too fine. How are your studies going on?

    Rohul: My studies are going well. you know that now classes are being conducted online.

    Raju: yes Monali, I am also studying through online classes.

    Rohul: you know that we are at home in Complete Lockdown as our school has been closed for two years.

    Raju: I wonder about my past days in School whenever I sit down to stucky,

    Rohul: It seems to me that online classes are lifeless as I miss my all friends.

    Raju: The beautiful and happy memonies do of school days often make perplexed.

    Rohul: The memory of the ringing of the bell followed by the song of prayer our national anthem bring tears in my eyes.

    Raju: I have not involved in funny gossip with my friends during tiffin hours.

    Rohul: I miss the school and respected teachers.

    Raju:- ok, Monali, we will meet later. I have some work.

    Rohul: Ok, by.

    Raju: Bye.

    Activity 9 

    Suppose you are the Cultural Secretary of the Students’ Club of your school. Write a notice in about 100 words informing the students about an Online Debate Competition for the students of Classes IX and X of your school. 10

    Ans:-

    ABC School
    NOTICE

    Date-29-8-2021

    Sub- Online Debate competition

    It is hereby notified to all the students of ABC school that our school is going to organise an online debate competition. •The competition will be held on 28th september, 2021. Only students of class

    online Education system is the future of Education.”
    students can participate in the competition online from their homes using smart phones. Willing students are asked to submit their names through e-mail on whatsapp on on before 28th September, 2021. Anyone may contact the Secretary for more details.

    Co-operation of all in this regard is highly solicited.

    Signature of Secretary

  • নারী শিক্ষার ইতিহাস | ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নারী শিক্ষা

    Nari Shiksha in Bengali

    হ্যালো বন্ধুরা, কালিকোলোম দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ফিরে এসেছে। নারী শিক্ষার ইতিহাস, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নারী শিক্ষা  আশা করি আপনি ভাল করছেন এবং আমাদের আগের অ্যারিটকাল উপভোগ করেছেন। ঠিক আছে আসুন আজকের টপিক এক্সপ্লোর করি।

     

    হ্যালো বন্ধুরা, আজ আমি আপনাকে খুব সহজে এবং খুব সরল মুখস্থ করার সহজ উপায় বলতে যাচ্ছি। আজ, (নারী শিক্ষার ইতিহাস, নারী শিক্ষা ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভূমিকা) যেটা আমি আপনাকে বলব তা হল এই বিষয় যার মধ্যে আপনি সুবিধা নিতে পারেন আমি নীচে সমস্ত বিবরণ দিয়েছি, আপনি পোস্টটি ভালভাবে পড়েন এবং আপনিও এই বিষয়টির সুবিধা নিন।

    নারী শিক্ষার ইতিহাস

    উনিশশতকে লেখাপড়ার বিষয়টিকে সুনজরে দেখা হত না। মেয়েদের ওপর বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় বিধিনিষেধ, বাল্যবিবাহ, পর্দাপ্রথা প্রভৃতি নারীশিক্ষার প্রসারেশ শতকের প্রথমভাগেও বঙ্গসমাজেে

    প্রধান বাধা ছিল। তা সত্ত্বেও এই শতকের দ্বিতীয় দশক থেকে বাংলায় নারীশিক্ষার প্রচলন ঘটে। এ বিষয়ে সর্বপ্রথম উদ্যোগ নেন খ্রিস্টান মিশনারিরা। শ্রীরামপুরের খ্রিস্টান মিশনারি উইলিয়াম কেরি ও মার্শম্যানের উদ্যোগে ১৮১১ খ্রিস্টাব্দে একটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপিত হয়।

    লন্ডন মিশনারি সোসাইটির রবার্ট মে ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দে চুঁচুড়ায় একটি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। ব্যাপটিস্ট মিশনারিদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ‘ফিমেল জুভেনাইল সোসাইটি’ (১৮১৯ খ্রি.) বিভিন্ন বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়। মিসেস কুক, মেরি উইলসন, মেরি কার্পেন্টার, অ্যানেট অ্যাক্রয়েড প্রমুখ বিদেশিনী বাংলায় নারীশিক্ষার বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। মিস কুক ‘ক্যালকাটা ফিমেল স্কুল’ (১৮২৮ খ্রি.) এবং প্যারিচঁাদ মিত্র বারাসাতে একটি বালিকা বিদ্যালয় (১৮৪৭ খ্রি.) প্রতিষ্ঠা করেন। কলকাতা স্কুল সোসাইটি’ (১৮১৭ খ্রি.), ‘লেডিজ সোসাইটি ফর নেটিভ ফিমেল এডুকেশন’ (১৮২৪ খ্রি.) প্রভৃতি প্রতিষ্ঠান বাংলায় নারীশিক্ষার প্রসারে সক্রিয় উদ্যোগ গ্রহণ করে।

    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নারী শিক্ষা

    বাংলায় নারীশিক্ষার প্রসারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-৯১ খ্রি.)। তিনি ছিলেন নারীশিক্ষার বিস্তারের পথিকৃৎ। তিনি উপলব্ধি করেন যে, নারীজাতির উন্নতি না ঘটলে বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতির প্রকৃত উন্নতি সম্ভব নয় । ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও ড্রিঙ্কওয়াটার বিটন উদ্যোগী হয়ে কলকাতায় ‘হিন্দু বালিকা বিদ্যালয়’ (১৮৪৯ খ্রি.) প্রতিষ্ঠা করেন। এটিই ভারতের প্রথম বালিকা বিদ্যালয়। বিদ্যাসাগর ছিলেন এই বিদ্যালয়ের সম্পাদক। এটি বর্তমানে বেথুন স্কুল নামে পরিচিত। বিদ্যাসাগর ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে বর্ধমান জেলায় মেয়েদের জন্য একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।

    গ্রামাঞ্চলে নারীদের মধ্যে শিক্ষার প্রসারের উদ্দেশ্যে বিদ্যাসাগর বাংলার বিভিন্ন জেলায় স্ত্রীশিক্ষা বিধায়নী সম্মিলনী’ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগ নিয়ে ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দের মে মাসের মধ্যে নদীয়া, বর্ধমান, হুগলি ও মেদিনীপুর জেলায় ৩৫ টি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এগুলিতে ১৩০০ ছাত্রী পড়াশােনা করত  পরবর্তীকালে বিদ্যাসাগর সরকারের কাছে ধারাবাহিক তদবির করায় সরকার এই বিদ্যালয়গুলির কিছু আর্থিক ব্যয়ভার বহন করতে রাজি হয়।

    এগুলি ছাড়াও বিদ্যাসাগর পরবর্তীকালে আরও কয়েকটি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় বালিকা বিদ্যালয়ের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৮৮ টি। এই বছর সরকার নারীশিক্ষার প্রসারের উদ্দেশ্যে

    কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়

    জান তে কি

    মেয়েদের মধ্যে প্রথম কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায় ও কি চন্দ্রমুখী বসু ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দে বেথুন কলেজ থেকে বি . এ . বা স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়ই প্রথম ভারতীয় মহিলা যিনি ডাক্তারি পাস করেন। উনিশ শতকের শেষদিকে বাংলার নারীরা জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করতে শুরু করেন। প্রথম বাংলা নারী ঔপন্যাসিক স্বর্ণকুমারী ঘােষাল এবং কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায় ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কংগ্রেসের অধিবেশনে প্রতিনিধি হিসেবে যােগ দেন।

    সরকারি অনুদান প্রদানের কথা ঘােষণা করে। বিদ্যাসাগর কলকাতায় ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে মেট্রোপলিটন ইন্সটিটিউশন (বর্তমান বিদ্যাসাগর কলেজ) এবং মা ভগবতী দেবীর স্মৃতিতে নিজ গ্রাম বীরসিংহে ভগবতী বিদ্যালয় (১৮৯০ খ্রি .) প্রতিষ্ঠা করেন । বাংলায় নারীশিক্ষার প্রসারের ফলে নারীদের বাল্যবিবাহ, সতীদাহপ্রথা, পুরুষের বহুবিবাহ প্রভৃতির বিরুদ্ধে নারীদের মধ্যেও সচেতনতা তৈরি হয় এবং এসময় বেশ ক’জন কৃতী নারীর আত্মপ্রকাশ ঘটে। এদের মধ্যে উল্লেখযােগ্য ছিলেন বাংলার প্রথম স্নাতক (১৮৮৩ খ্রি .) কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায় ও চন্দ্রমুখী বসু।

     

  • [2022] মাধ্যমিক ইতিহাস দ্বিতীয় অধ্যায় MCQ | madhyamik history MCQ Mock Test

    মাধ্যমিক ইতিহাস MCQ: সুপ্রিয় বন্ধুরা, আজ Madhyamik History MCQ Suggestion 2022 Mock Test Model Sample টি শেয়ার করলাম। যেটির মধ্যে সিলেবাসভিত্তিক দ্বিতীয় অধ্যায় থেকে সমস্ত বিষয় থেকে মোট 20 + 20 টি প্রশ্ন দেওয়া আছে, 20 কুইজ আকারে তাকাবে আর 20 টি সাধারণ ভাবে তাকাবে যা তোমাদের মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতিকে যাচাই করতে ভীষণ সাহায্য করবে।

    সুতরাং সময় নষ্ট না করে নীচে দেওয়া Start The Quiz বাটনে ক্লিক করে কুইজটিতে অংশ গ্রহণ করে নাও।

    [ays_quiz id=’5′]

    Q1. ভারতের প্রথম বাঙালি সংবাদপত্র-প্রকাশক ছিলেন—
    (ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    (খ) গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য
    (গ) অক্ষয়কুমার দত্ত
    (ঘ) হরিশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়
    উত্তর:- (খ) গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য


    Q2. হিকির বেঙ্গল গেজেট প্রকাশিত হয়
    ক) ১৭৮০ খ্রিস্টাব্দে
    খ) ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে
    গ) ১৭৮৪ খ্রিস্টাব্দে
    ঘ) ১৭৮৬ খ্রিস্টাব্দে
    উত্তর:- ক) ১৭৮০ খ্রিস্টাব্দে


    Q3. ‘বামাবোধিনী পত্রিকা’ প্রকাশিত হয়—
    ক) ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে
    খ) ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে
    গ) ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে
    ঘ) ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে
    উত্তর:- গ) ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে

    Also Read—

     


    Q4. ‘বামাবোধিনী পত্রিকা’র সম্পাদক ছিলেন
    ক) উমেশচন্দ্র দত্ত
    খ) শিশির কুমার ঘোষ
    গ) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
    ঘ) দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ
    উত্তর:- ক) উমেশচন্দ্র দত্ত


    Q5. ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ গ্রন্থটি রচনা করেন—
    ক) কৃষ্ণদাস পাল
    খ) কালীপ্রসন্ন সিংহ
    গ) দীনবন্ধু মিত্র
    ঘ) রাধাকান্ত দেব
    উত্তর:- খ) কালীপ্রসন্ন সিংহ


    Q6. ‘হুতোম প্যাঁচা’ যাঁর ছদ্মনাম ছিল—
    ক) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
    খ) কালীপ্রসন্ন সিংহ
    গ) শিবনাথ শাস্ত্রী
    ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    উত্তর:- খ) কালীপ্রসন্ন সিংহ


    Q7. তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন—
    ক) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    খ) অক্ষয়কুমার দত্ত
    গ) কেশবচন্দ্র সেন
    ঘ) রামগোপাল ঘোষ
    উত্তর:- খ) অক্ষয়কুমার দত্ত


    Q8. ‘হিন্দু প্যাট্রিয়ট’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়
    ক) ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দে
    খ) ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দে
    গ) ১৮৫৫ খ্রিস্টাব্দে
    ঘ) ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে
    উত্তর:- ক) ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দে


    Q9. ‘হিন্দু প্যাট্রিয়ট’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক কে ছিলেন?
    ক) রসিককৃয় মল্লিক
    খ) হরিশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়
    গ) গিরিশচন্দ্র ঘোষ
    (ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    উত্তর:- গ) গিরিশচন্দ্র ঘোষ


    Q10. ‘নীলদর্পণ’ নাটকটির রচয়িতা হলেন—
    ক) দীনবন্ধু মিত্র
    খ) মধুসূদন দত্ত
    গ) হরিশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়
    ঘ) এঁদের কেউ নন
    উত্তর:- ক) দীনবন্ধু মিত্র


    Q11. নীলদর্পণ নাটকটির ইংরেজি অনুবাদের প্রকাশক ছিলেন—
    (ক) কালীপ্রসন্ন সিংহ
    (খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    (গ) হরিশচন্দ্র মুখার্জি
    (ঘ) জেমস লঙ
    উত্তর:- ঘ) জেমস লঙ


    Q12. গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন—
    (ক) হরিনাথ মজুমদার
    (খ) কৃষ্ণদাস পাল
    (গ) গিরিশচন্দ্র ঘোষ
    (ঘ) হরিশচন্দ্র মুখার্জি
    উত্তর:- ক) হরিনাথ মজুমদার

    Also Read—

     


    Q13. ‘গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা’র সম্পাদক ছিলেন—
    ক) দীনবন্ধু মিত্র
    খ) মধুসূদন দত্ত
    গ) হরিশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়
    ঘ) এদের কেউ নন
    উত্তর:- ঘ) এদের কেউ নন


    Q14. জেনারেল কমিটি অফ পাবলিক ইনস্ট্রাক্শন’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অথবা, সাধারণ জনশিক্ষা কমিটি গঠিত হয়—
    ক) ১৭১৩ খ্রিস্টাব্দে
    খ) ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে
    (গ) ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দে
    (ঘ) ১৮২৩ খ্রিস্টাব্দে
    উত্তর:- (ঘ) ১৮২৩ খ্রিস্টাব্দে


    Q15. কলকাতা সংস্কৃত কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়—
    (ক) ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে
    (খ) ১৮২০ খ্রিস্টাব্দে
    (গ) ১৮২৪ খ্রিস্টাব্দে
    (ঘ) ১৮২৬ খ্রিস্টাব্দে
    উত্তর:- গ) ১৮২৪ খ্রিস্টাব্দে


    Q16. হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়
    ক) ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে
    খ) ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে
    গ) ১৮৩৮ খ্রিস্টাব্দে
    (ঘ) ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে
    উত্তর:- ক) ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে


    Q17. ‘উডের ডেসপ্যাচ’ প্রকাশিত হয়—
    ক) ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে
    খ) ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দে
    গ) ১৮৫৫ খ্রিস্টাব্দে
    ঘ) ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দে
    উত্তর:- খ) ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দে


    Q18. ‘জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইন্সটিটিউশন’ স্থাপন করেন—
    (ক) উইলিয়াম কেরি
    (খ) হোরেস উইলসন
    (গ) আলেকজান্ডার ডাফ
    (ঘ) রামমোহন রায়
    উত্তর:- (গ) আলেকজান্ডার ডাফ


    Q19. ‘ক্যালকাটা ফিমেল স্কুল’ প্রতিষ্ঠিত হয়—
    (ক) ১৮২৬ খ্রিস্টাব্দে
    (খ) ১৮৪৭ খ্রিস্টাব্দে
    (গ) ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে
    (ঘ) ১৮৫১ খ্রিস্টাব্দে
    উত্তর:- (গ) ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে


    Q20. ক্যালকাটা স্কুল বুক সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠা করেন—
    (ক) ডেভিড হেয়ার
    (খ) রাধাকান্ত দেব
    (গ) ড্রিংক ওয়াটার বেথুন
    (ঘ) রামমোহন রায়
    উত্তর:- (ক) ডেভিড হেয়ার

  • কেন ভারতে শিশু দিবস পালিত হয় – তারিখ, ইতিহাস ও তাৎপর্য জানুন | Why is children’s day celebrated in India

    কেন ভারতে শিশু দিবস পালিত হয় – তারিখ, ইতিহাস ও তাৎপর্য জানুন | Why is children’s day celebrated in India

    শিশু দিবস
    শিশু দিবস

    Children’s day ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর জন্মদিন স্মরণ করে 14 নভেম্বর, 2021-এ শিশু দিবস পালিত হয়।

    শিশুদের মধ্যে ‘চাচা নেহেরু‘ নামেও পরিচিত জওহরলাল নেহরু তাদের অনেক অনেক পছন্দ করতেন এবং [su_button url=”https://kalikolom.com/why-is-celebrated-children-day/#%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%80_%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%B9%E0%A6%B2″ style=”3d” background=”#054ffa” color=”#f8f8f9″ size=”7″ center=”yes” radius=”round”]ভারতের সংবিধান অনুযায়ী শিশুদের অধিকার[/su_button]

    শিশু দিবস কেন পালিত হয়

    তাই, শিশুদের অধিকার, যত্ন এবং শিক্ষার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ভারতে শিশু দিবস পালিত হয়। সারাদেশে বিভিন্ন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়।

    শিশু দিবস 2021 তারিখ: 14 নভেম্বর

     শিশু দিবস 2021 তাৎপর্য

    শিশু দিবসটি  এটি শিশুদের অধিকার, যত্ন এবং শিক্ষার কথা বলে। নেহেরু বলেছিলেন, “আজকের শিশুরাই আগামীর ভারত তৈরি করবে। আমরা যেভাবে তাদের লালন-পালন করব তা দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণ করবে।”

    [su_note note_color=”#f4f043″ text_color=”#010916″](aaj ke bachche hee kal ka bhaarat banaenge. jis tarah se ham unhen paalenge, vahee desh ka bhavishy tay karega.”)[/su_note]

     

    শিশু দিবসের ইতিহাস | History of Children’s Day

    1956 সাল পর্যন্ত, ভারতে শিশু দিবস প্রতি বছর 20 নভেম্বর পালিত হত – যে দিনটি জাতিসংঘ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছিল। জওহরলাল নেহরুর মৃত্যুর পর তার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ১৪ নভেম্বর শিশু দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত।

    শিশু চলচ্চিত্র সমিতি

    জওহরলাল নেহেরু 1955 সালে একটি চিলড্রেনস ফিল্ম সোসাইটি ইন্ডিয়া স্থাপন করেছিলেন যাতে শিশুরা সিনেমায় নিজেদের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।

    ভারতে শিশু দিবস কীভাবে পালিত হয়? | How is Children’s Day celebrated in India?

    শিশু দিবস আনন্দের সাথে উদযাপিত হয় এবং স্কুল এবং অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন কার্যক্রম সঞ্চালিত হয়। দিনটিকে তাদের জন্য বিশেষ করে তুলতে শিশুদের খেলনা, উপহার এবং মিষ্টি উপহার দেওয়া হয়। বেশ কয়েকটি স্কুলে, শিক্ষকরা শিশুদের বিনোদনের জন্য পরিবেশনা করেন।

    শিশুদের অধিকার | Children’s rights

    ভারতের সংবিধান অনুযায়ী শিশুদের অধিকার হল

    • 6-14 বছর বয়সী সকল শিশুর জন্য বিনামূল্যে এবং বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার অধিকার।
    • 14 বছর বয়স পর্যন্ত যে কোনও বিপজ্জনক কাজের থেকে সুরক্ষিত হওয়ার অধিকার (ধারা 24)।
    • প্রাথমিক শৈশব যত্ন এবং শিক্ষার অধিকার।
    • অপব্যবহার থেকে রক্ষা পাওয়ার অধিকার।
    • তাদের বয়স বা শক্তির জন্য অনুপযুক্ত পেশায় প্রবেশের অর্থনৈতিক প্রয়োজনীয়তা থেকে সুরক্ষিত হওয়ার অধিকার।
    • সুস্থভাবে বিকাশের জন্য সমান সুযোগ ও সুযোগ-সুবিধার অধিকার।
    • স্বাধীনতা ও মর্যাদার অধিকার এবং শোষণের বিরুদ্ধে শৈশব ও যৌবনের নিশ্চিত সুরক্ষা।

    এই অধিকারগুলি ছাড়াও, ভারতের সমান নাগরিক হিসাবে তাদের অধিকার রয়েছে

    • সমতার অধিকার (অনুচ্ছেদ 14)।
    • বৈষম্যের বিরুদ্ধে অধিকার (অনুচ্ছেদ 15)।
    • ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার এবং আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া (ধারা 21)।
    • পাচার হওয়া এবং বন্ডেড শ্রমে বাধ্য করা থেকে রক্ষা পাওয়ার অধিকার (ধারা 23)।
    • জনগণের দুর্বল অংশের সামাজিক অবিচার এবং সকল প্রকার শোষণ থেকে রক্ষা পাওয়ার অধিকার (ধারা 46)।
  • আধুনিক যুগের ইতিহাসের উপাদান গুলি কি কি | ইতিহাসের উপাদান কি

    আধুনিক ভারতের ইতিহাস চর্চার উপাদান

    আধুনিক ভারত ইতিহাসচর্চার প্রধান উপাদানগুলি হল

    1, সরকারি নথিপত্র অর্থাৎ, পুলিশ, গোয়েন্দা, সরকারি অফিসার বা আধিকারিকদের প্রতিবেদন, বিবরণ, চিঠিপত্র; এগুলি হল ইতিহাসচর্চায় প্রাথমিক উপাদান বা সূত্র।

    2, গৌণ উপাদানগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা, চিঠিপত্র, সাময়িকপত্র ও সংবাদপত্র।

    3, ফোটোগ্রাফি, মুখের কথা, চলচ্চিত্র, মানচিত্র, রেফারেন্স বই, দৃশ্যশিল্প ও ব্যক্তিগত ডায়েরিও ভারত ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

    সরকারি নথিপত্র বলতে কী বোঝায়

    সরকারি নথিপত্র ইতিহাস রচনার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, কারণ—

    1) সরকারি নথিপত্র থেকে বিদ্রোহ ও বিদ্রোহের লক্ষ্য বা বৈপ্লবিক কার্যকলাপ ও তার উদ্দেশ্য বা স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সংগ্রামের কথা জানা যায়।

    2) নথি থেকে শিক্ষার প্রসার, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের কথা এবং এইসব বিষয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির কথা জানা যায়। তবে সরকারি নথিপত্রগুলি যেহেতু সরকার ও প্রশাসকের দৃষ্টিভঙ্গিতে লেখা তাই এগুলি ব্যবহারের সময় সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

  • কোল বিদ্রোহের প্রকৃতি আলোচনা করো।

    কোল বিদ্রোহের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়

    প্রথমত, এটি ছিল বেশ কয়েকটি আদিবাসী গোষ্ঠীর সম্মিলিত বিদ্রোহ, কারণ কোল বিদ্রোহে কোল ছাড়াও ওঁরাও, হো, মুন্ডা উপজাতির মানুষেরা যোগ দিয়েছিল।

    দ্বিতীয়ত, বিদ্রোহীরা দিকু, অর্থাৎ বহিরাগতদের এলাকা ছেড়ে যেতে নির্দেশ দেয় এবং নির্দেশ অমান্যকারীদের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়।

    তৃতীয়ত, ধর্মীয় কারণে বহু হিন্দুকে আদিবাসী দেবতার সামনে বলি দেওয়া হয় এবং কোলদের আক্রমণে সূত্রধর ও কর্মকার ছাড়া কেউই রক্ষা পায়নি।

  • বিপ্লব বলতে কী বোঝায়? | বিদ্ৰোহ’ বলতে কী বোঝায়?

    বিপ্লব বলতে কী বোঝায়?

    বিপ্লব বলতে বোঝায়—প্রথমত, এটি এমন এক দীর্ঘস্থায়ী প্রক্রিয়া যা পুরোনো অর্থনৈতিক, সামাজিক বা রাজনৈতিক ব্যবস্থার ওপর আঘাত হেনে তার আমূল পরিবর্তন ঘটায়।

    দ্বিতীয়ত, একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যকে সামনে রেখে এই পরিবর্তন সংঘটিত হয়।

    তৃতীয়ত, বিপ্লবের উদাহরণগুলি হল—আমেরিকার স্বাধীনতা বিপ্লব, ফরাসি বিপ্লব, শিল্প বিপ্লব, চিনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব।

    [su_divider top=”no” divider_color=”#0d0c0c”]

    বিদ্ৰোহ’ বলতে কী বোঝায়?

    বিদ্রোহ বলতে বোঝায়—প্রথমত, কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে নির্দিষ্ট কিছু মানুষ নিজেদের স্বার্থে নির্দিষ্ট কিছু দাবি আদায় বা = প্রচলিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশের ঘটনা অথবা – সহিংস প্রতিবাদের মাধ্যমে দাবি আদায়ের চেষ্টাই হল বিদ্রোহ। দ্বিতীয়ত, বিদ্রোহের উদ্দেশ্য সীমিত থাকার কারণে তা ক্ষণস্থায়ী এবং আমূল পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ হয়।

    তৃতীয়ত, ইংরেজ শাসন-শোষণ ও অত্যাচারই ছিল ভারতে সংঘটিত আদিবাসী বিদ্রোহ, কৃষক বিদ্রোহ ও সিপাহি বিদ্রোহের সাধারণ কারণ।

  • দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তির প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করো ।

    দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তির প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করো ।

    ভূমিকা : ভারতের ভৌগোলিক অখণ্ডতা , জাতীয় ঐক্য এবং প্রগতি ও পুনর্নির্মানের জন্য দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তিকরণ করা হয় । ভারতের ‘ লৌহ মানব ’ রূপে পরিচিত সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল ছিলেন এক্ষেত্রে প্রধান কৃতিত্বের অধিকারী ।

    সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল 

     প্রক্রিয়া :

     সর্দ্দার বল্লভভাই প্যাটেল দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তিকরণে যে সমস্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তা হল—

    (১) সংযুক্তিকরণ : বেশ কিছু দেশীয় রাজ্যকে পার্শ্ববর্তী ভারতীয় প্রদেশের সঙ্গে যুক্ত করা হয় । উদাহরণস্বরূপ বলা যায় উড়িষ্যা ও মধ্যপ্রদেশের সঙ্গে পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলি , বোম্বাইয়ের সঙ্গে দাক্ষিণাত্য ও গুজরাটের রাজ্যগুলিকে সংযুক্ত করা হয় । আবার গাড়োয়াল , রামপুর ও বেনারসকে উত্তরপ্রদেশের সঙ্গে , কুচবিহারকে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে , খাসি পার্বত্য অঞ্চলকে আসামের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয় । মাদ্রাজের রাজ্যগুলিকে মাদ্রাজের সঙ্গে যুক্ত করা হয় । (২) বৃহৎ যুক্তরাজ্য গঠন : দেশীয় রাজ্যগুলির বেশ কয়েকটি রাজ্যকে সংযুক্ত করে এক একটি বৃহৎ যুক্তরাজ্য গ্রহণ করা হয় , যেমন — রাজস্থানের যুক্তরাজ্য ছিল পাঞ্জাবের যুক্তরাজ্য , বিন্ধপ্রদেশের যুক্তরাজ্য প্রভৃতি।

    [ ৩ ] কেন্দ্রীয় শাসনাধীন : বেশ কিছু রাজ্যকে কেন্দ্রীয় সরকার শাসিত এলাকার সঙ্গে যুক্ত করা হয় বা কেন্দ্রীয় শাসনাধীনে আনা হয় । হিমাচলপ্রদেশ , কাচ্ছ , বিলাসপুর , ভোপাল , ত্রিপুরা ও মণিপুরকে কেন্দ্রীয় শাসনাধীনে আনা হয় ।

    উপসংহার : সামগ্রিকভাবে পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে , ২১৬ টি দেশীয় রাজ্যকে পার্শ্ববর্তী প্রদেশের সঙ্গে যুক্ত করা হয় , ২৭৫ টি দেশীয় রাজ্যকে পাঁচটি রাজ্যে পরিণত করা হয় এবং ৬১ টি রাজ্যকে সাতটি কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চলের সঙ্গে যোগ করে কেন্দ্রীয় শাসনাধীনে আনা হয় ।