হযরত বিলাল (রা) এর জীবনী

টেলিগ্রাম এ জয়েন করুন

হযরত বিলাল (রা) এর জীবনী

জন্ম ও প্রাথমিক জীবন

বিলাল ইবনে রাবাহ ৫৮০ খ্রিষ্টাব্দে হেজাজের মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। বিলাল ইবনে রাবাহ ছিলেন নবী মুহাম্মদ (সা.)এর একজন ঘনিষ্ঠ ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণাঙ্গ সাহাবী।

তার পিতা রাবাহ ছিলেন একজন আরব দাস এবং তার মাতা হামামাহ ছিলেন একজন প্রাক্তন আবিসিনিয় রাজকুমারী

যাকে আমুল-ফিল এর ঘটনার সময় আটক করে দাসী করে রাখা হয়। দাস হিসেবে জন্মানোয়

বিলাল (রা:) কেও তার মনিব উমাইয়া ইবন খালাফ এর জন্য কাজ করতে হয়।

হযরত বিলাল(রা:) কঠোর পরিশ্রমী ছিলেন বলে বিলাল (রা:) একজন ভাল দাস হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন এবং তার কাছেই আরবের পুতুলগুলোর ঘরের চাবি থাকতো।

কিন্তু বর্ণবাদ এবং আরবের সামাজিক-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণে সেসময় তিনি সমাজের উচুস্তরে যেতে পারেননি।

 

হিজরত:

৬২২ খ্রিষ্টাব্দে হিজরতের বছরে,হযরত বিলাল (রা:) অন্যান্য মুসলিমদের সাথে ইয়াস্রিব বা মদিনায় হিজরত করেন।

পরবর্তী এক দশক জুড়ে, তিনি মুহাম্মাদ (সা.) এর সকল সামরিক অভিযানে তার সঙ্গ দিয়েছেন। বিলাল মুহাম্মাদ (সা.) এর বর্শা বহনকারী হওয়ার সম্মাননা অর্জন করেন

যা তিনি ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে নামাজের দিকনির্দেশক হিসেবে ব্যবহার করতেন।

হযরত বিলাল (রা:) এর ইসলাম গ্রহণ:

মুহাম্মাদ (সা:) যখন তার নবুয়াতের কথা ঘোষণা করে আল্লাহর বা ইসলাম ধর্মমতে এক ঈশ্বরের বাণী প্রচার হরা শুরু করলেন, বিলাল তখন থেকে অবতীর্ণ সকল আয়াত মনোযোগ সহকারে শুনতেন।

মুহাম্মাদের ধর্মপ্রচার বিলালকে ইসলামের দিকে আকৃষ্ট করে এবং সে সময়ই তিনি ইসলাম গ্রহণ করে ইসলাম গ্রহণকারী প্রথম কয়েকজনের মধ্যে হযরতবিলাল (রা:) একজন হয়ে ওঠেন।

বিলাল মূর্তিপূজাকে ত্যাগ করেন এবং ফলশ্রুতিতে তিনি নির্মম নির্যাতনের স্বীকার হন।

 

রাষ্ট্রীয় কোষাগার:

মদিনা একটি উত্তমরূপে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র হিসাবে স্থায়িত্ব পাবার পর, মুহাম্মাদ বিলালকে মদিনার ইসলামি রাষ্ট্রের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেন।

বায়তুল মালের তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত ইসলামের প্রথম কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তি তৎকালীন ইসলামি রাষ্ট্রে বিলালকে অত্যন্ত মর্যাদাসম্পন্ন অবস্থান এনে দিয়েছিল।

বায়তুল মালের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে বিলাল সকল লেনদেনের দেখাশোনা করতেন।

পাশাপাশি, তিনি বিধবা, এতিম, মুসাফির, এবং অসহায় দরিদ্রদের বায়তুল মাল হতে অর্থ প্রদান করতেন।

 

আযান:

সুন্নিগণ এবং শিয়াগণ উভয়েই একমত যে, ১ম হিজরী সনে (সম্ভাব্য ৬২২-৬২৩ খ্রিষ্টাব্দ) হযরত মুহাম্মাদ সাঃ আযান দেয়ার রীতি প্রতিষ্ঠিত করেন।

রাসূল সাঃ বিলাল রাঃ কেই তার সুগভীর ও সুমধুর ও সুরেলা কণ্ঠের জন্য প্রথম মুয়াজ্জিন হিসেবে বেঁছে নেন। সুন্নি এবং শিয়াগণ উভয়ই বিলাল রাঃ কে প্রথম মুয়াজ্জিন হিসেবে স্বীকার করেন।

 

নির্যাতন ভোগ:

বিলালের মনিব উমাইয়া ইবনে খালাফ বিলালের ইসলাম গ্রহণের কথা জানতে পেরে তাকে ইসলাম ত্যাগ করার জন্য জোর করতে থাকেন এবং তাতে ব্যর্থ হয়ে তার উপর অমানবিক নির্যাতন করা শুরু করেন।

উমাইয়ার নির্দেশে বিলালকে মরুভূমির উত্তপ্ত বালিতে শুইয়ে রাখা হতো এবং তার বুকের উপর একটি বড় আকারের ভারি পাথর রেখে দেয়া হতো

যে কারণে সে সময় তার নিঃশ্বাস প্রায় বন্ধ হয়ে যেতো। এরপরেও সে ইসলাম ত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানালে উক্ত পাথরের উপর একজন মানুষকে উঠিয়ে তাকে লাফাতে বলা হতো।

এত কিছুর পরেও বিলাল অবিরাম “আহাদ, আহাদ” (এক ঈশ্বর, এক ঈশ্বর) বলে চিৎকার করতে থাকতো

পরে আবু বকর তাকে ক্রয় করে মুক্ত করে দেন।

যখন অকৃত্রিম আশেক্ব হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু -এর ইনতেকালের সময় ঘনিয়ে আসলো তখন তাঁর স্ত্রী চুড়ান্ত দুঃখে বলে উঠলেন

ওয়াহ য নাহু হায়রে দুঃখ ! এটা শুনে হযরত বেলাল(রাদিয়াল্লাহু আনহু)বললেন ! ওয়াত রাবাহ বাহরে খুশির সংবাদ

কারন আমি অনতিবিলম্বে আপন মাহবুব আক্বা (সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলাইহে ওয়া সাল্লামা) এবং প্রিয় সংঙ্গীদের সাথে মিলিত হবো ।

 

বুখারি শরিফ

হযরত বেলাল হাবশী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) -এর এ ঘটনা তো বড়ই প্রসিদ্ধ । যখন আল্লাহর প্রিয় রাসুল (সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলাইহে ওয়া সাল্লামা) এ প্রকাশ্য জগত থেকে অন্তরাল গ্রহন করলেন তখন সাহাবাই কেরামের উপর কিয়ামত কায়েম হয়ে গেল ।

সবার জিন্দেগি উজার হয়ে গেল । হুজুর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলাইহে ওয়া সাল্লামা) – এর বিদায় বিষাদে লোকেরা অস্থির হয়ে গেল

তাদের মধ্যে হযরত বেলাল হাবশী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ছিলেন । তিনিতো মদিনার অলি গলিতে পাগলের মতো ঘুরছিলেন ।আর লোকজনদের বলতেন

ভাইয়েরা তোমরা কি কোথাও আমার আক্বা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামা) কে দেখেছো ?

যদি দেখে থাকো তবে আমাকেও সাক্ষাত করিয়ে দাও ! আমাকে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামা) কোথায় আছেন,আমাকে বলে দাও !

মদিনা মুনাওয়ারার প্রতিটি গলি সর্বত্র মাহবুবের কদমের নিশানা মওজুদ রয়েছে

শেষ পর্যন্ত হযরত বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বিদায় বিষাদ সহ্য করতে না পেরে তিনি মদিনা মুনাওয়ারা থেকে হিজরত করে সিরিয়ার হালবে চলে যান ।

প্রায় এক বছর পর স্বপ্নে তিনি হুযুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামা) এর দিদার লাভ করলেন ।

নাবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামা) এরশাদ ফরমালেন ” হে বেলাল ! তুমি আমার সাথে সাক্ষাত করা কেন ছেড়ে দিয়েছো ?

তোমার হ্নদয় কি আমার সাক্ষাত করতে চায় না ? চোখ খুলে গেল অস্থিরতা বেড়ে গেলো লাব্বাইকা ইয়া সাইয়েদী

হে আক্বা আমি আপনার গোলাম হাজির ) বলতে বলতে উঠলেন । আর রাতারাতি উটনীর পিঠে সাওয়ার হয়ে মদিনা মুনাওয়ারার দিকে রওয়ানা হলেন

রাত দিন অনবরত সফর করে শেষ পর্যন্ত আশেক্বেদের কেন্দ্র-ভুমি মদীনার নুরানী ও চিত্তাকর্ষক পরিবেশে প্রবেশ করলেন । মদিনা মুনাওয়ারায় প্রবেশ করতেই তাঁর হ্নদয়-ভুবনে ওলট পালট হয়ে গেল ।

তিনি সোজা মসজিদে নববী শরিফে চলে গেলেন আর সারকারে মাদীনা সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম কে তালাশ করলেন । কিন্তূ নবিয়ে করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামা) কে দেখতে পাননি ।

অতপর তিনি হুজরা শরীফে গুলোতে তালাশ করলেন । আহা সেখানেও নবীয়ে করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামা) কে তিনি পেলেন না ।

শেষ পর্যন্ত অস্থির হয়ে মাযার – ই-পুর আনওয়ার অর্থাৎ,নূরে মুজাসসাম হযরত মুহাম্মদ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা) এর রওযা পাকে হাযির হলেন । আর কেঁদে কেঁদে হাযরত বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বেহুঁশ হয়ে নুরানী রাওযার পাশে লুটিয়ে পড়লেন ।

ইতোমথ্যে হযরত বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু)র মদীনা শরিফে শুভাগমন সংবাদ ছড়িয়ে পড়েছিল ।চতুর্দিকে গুন্জন ছিলো মুআযযিনে নবী হযরত বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সরকারে দু’জাহা (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামা) এর রওয়াজা পাকে হাজির হয়েছেন

যখন হযরত বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) র হুঁশ ফিরে আসলো ,তখন তিনি দেখলেন চতুর্পাশে মানুষের ভিড় জমে গেছে । এর পরক্ষনে মানুষ কাকুতি মিনতি শুরু হয়ে গেল।

হে বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) একটিবার মাত্র পুনরায় ঐ চিত্তাকর্ষক আযান শুনিয়ে দিন । যা মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামা) শুনাতেন ।

হযরত বেলাল (রা.) বারংবার হাত জোড় করে অপারগতা প্রকাশ করছিলেন ভাইয়েরা আমার এটা আমার সাধ্যের বাইরে কারন আমি যখন নবী কারিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামা) এর জীবদ্দশায় আযান দিতাম তখনতো আমি ( আশ্হাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলু্ল্লাহ) বলার সময় স্ব-চোক্ষে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামা) এর দিদার করে নিতাম ।

আহা ! এখনতো নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামা) পর্দার আড়ালে তাশরিফ রাখছেন । এখন বলো আযানে আমি আমার সারকারে দিদার কেমনে করবো ।

অনুগ্রহ করে আমাকে এই খেদমত থেকে অব্যাহতি দাও। আমার মধ্যে বরদাশত করার ক্ষমতা নেই

কিন্তূ প্রত্যেকবারই হযরত বেলাল (রা.) অস্বীকার করতে লাগলেন । কোন কোন সম্মানিত সাহাবী (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) অভিমত প্রকাশ করলেন যে, যে কোনমতে হোক হযরত হাসান ও হোসাঈন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) দের ডেকে নাও !

যদি শাহাজাদাদ্বয় হযরত বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) কে আযান এর দেয়ার হুকুম দেন তবে তিনি অব্যশই মেনে নিবেন । কেন না মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামা) এর আহলে বাইতের প্রতি হযরত বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এর অসাধারন ভালবাসা রয়েছে ।

এ অভিমতটা পছন্দ হলো সবার । সুতরাং,একজন লোক গিয়ে হযরত হাসান ও হোসাঈন (রাদ্বিয়াল্লাহু আলহুমা) দের ডেকে নিয়ে আসলেন । আসতেই হযরত হোসাঈন (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হযরত বেলালের(রাদিয়াল্লাহু আনহু)এর হাত ধরে ফেললেন ।

আর বললেন হে বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আজ আমাদের কে ওই আযান শুনিয়ে দেন । যা আমার নানাজান (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামা) কে শুনাতেন । হযরত বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) প্রিয় হোসাঈন (রাদিয়াল্লাহু আনহু) কে কোলে তুলে নিলেন ।

অতঃপর বললেন,আপনি আমাদের প্রিয় মাহবুব মহা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামা) এর কলিজার টুকরা ।

আপনি হলেন হুজুর মোস্তফা (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামা) এর বাগানের ফুল । আপনি যা বলবেন তাই হবে । শাহঁজাদা ! আমি যদি অস্বীকার করি আর আপনি যদি নারাজ হয়ে যান , তবে মাযার মোবারকে নবীয়ে করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামা) দুঃখিত হবেন ।

এখন হযরত বেলাল (রা.) আযান শুরু করলেন আল্লাহু আক্ববার ! আল্লাহু আক্ববার ! আল্লাহু আক্ববার ! আল্লাহু আক্ববার ! আশ’হাদু আল্লাহ ইলাহা ইল্লালাহ ! আশ’ হাদু আল্লাহ ইলাহা ইল্লালাহ ! মদীনার আকাশে বাতসে যখন বেলাল (রা.) র জ্বালাময়ি আযানের ধ্বনিত হলো । তখন মদীনাবাসিদের হ্নদয় আন্দোলিত হয়ে উঠলো ।

দির্ঘ কয়েক মাস পর যখন হযরত বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এর আযান শুনে মনুষের চোখের সামনে নবি করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামা) এর পবিত্র জীবদ্দশার দৃশ্য ভেসে উঠলো ।

লোকেরা তখন ক্রন্দনরত দৌড়াতে দৌড়াতে মাসজিদে নববী শরিফের দিকে এগিয়ে আসতে লাগলো । প্রত্যেকে অস্থির হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়লো ।

ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে লোকেরা কাঁদতে লাগলো । যখন হযরত বেলাল (রা.) ( আশ্’হাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ ! ) বললেন তখন হাজার হাজার কন্ঠে চিৎকার এক সাথে আকাশে ধ্বনিত হলো যার কারনে আকাশ -বাতাস ভারী হয়ে উঠলো ।

নারী – পুরুষ সবাই অঝোর নয়নে কাঁদতে লাগলেন । স্নেহের ছোট ছোট শিশুরা বলতে লাগলো ‘আম্মু ! মু’আয্যিনে নবী হযরত বেলাল তো এসে গেছেন কিন্তূ নবীয়ে কারিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা) কবে তাশরিফ আনবেন ? যখন বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ( আশ্ হাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসুলুল্লাহ !) বললেন তখন স্বাভাবিকভাবে তাঁর দৃষ্টি রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামা) এর মিম্বর শরিফের দিকে পড়লো আহা ! মিম্বর শরিফ তখন খালি ছিল । আহা ! নবীয়ে করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামা) দিদার পাওয়া গেল না ।

রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামা) বিচ্ছেদের জ্বালা তাঁকে অস্থির করে তুললো ,হুযূর মোস্তফা (সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামা) এর শোক-যন্ত্রণা তিনি সহ্য করতে পারলেন না ।

বেহুঁশ হয়ে পড়ে গেলেন যখন অনেকক্ষন পরে হুঁশ ফিরে আসলো তখন উঠে দাঁড়ালেন এবং কাঁদতে কাঁদতে পুনরায় সিরিয়ায় ফিরে গেলেন ।বহু কিতাবে এভাবে বর্ণিত হয়েছে ক্বিসমত মুঝে মিল জায়ে বেলাল হাবশী কী দম্ ইশক্বে মুহাম্মদ মে নিকল জায়ে তো আচ্ছা

অর্থ :- আহা ! আমি যদি বেলাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এর সৌভাগ্যটুকু পেয়ে যেতাম । তবে ইশক্বে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা) এর মধ্যে বিভোর হয়ে আমার প্রান বায়ু টুকু বের হয়ে গেলেও তা উত্তম ছিল

টেলিগ্রাম এ জয়েন করুন
Share on:

Leave a Comment