Model activity task class 8 part 7 all subject Model Activity Task Class 8 All Subject Part 8 Solutions 2021

Model Activity Task Class 8 All Subject Part 7 Solutions 2021

সুপ্রিয় বন্ধুরা,

আজকের পোস্টে মাধ্যমিক বাংলা, English,গণিত, ভৌত বিজ্ঞান, জীবন বিজ্ঞান, ইতিহাস, গুগোল, Model Activity Task, মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক class 8 All Subject (Model Activity Task Class 8 Science Part 7) টি শেয়ার করলাম। যেটির মাধ্যমে তোমরা class 8 All Subject Model Activity Task Class 8 Part 7 প্রশ্ন উত্তর অল্প সময়ে করতে সহযোগিতা করবে। সুতরাং সময় নষ্ট না করে নীচে দেওয়া Model Activity Task Class 8 Part 7 কোশ্চেন এর উত্তর গুলো পড়ে নাও

Model Activity Task Class 8 Bangla Part 7 Solutions 2021

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক অষ্টম শ্রেণি

বাংলা

নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

১ ১ ‘তুমি তার পাশে এসে দাঁড়াও’– কার প্রতি কবির এই আহ্বান? কার পাশে, কীভাবে এসে দাঁড়াতে হবে বলে কবি জানিয়েছেন?

উত্তর:- কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় এর লেখা দাঁড়াও কবিতায় সমাজের শুভবুদ্ধিসম্পন্ন, বিবেকবোধ সম্পন্ন মানুষদের প্রতি কবির উক্ত আহ্বান।

বর্তমান সমাজ ও সভ্যতায় মানুষ যত উন্নতির শিখরে উঠেছে, ততই মানসিক অবক্ষয় দেখা দিয়েছে। মানুষ হয়ে উঠেছে স্বৰ্থলোভী, সুযোগসন্ধানী ও আত্মকেন্দ্রিক। এই উঠেছে স্বর্থলোভী, সুযোগসন্ধানী ও আত্মকেন্দ্রিক। এই কবিতার মধ্য দিয়ে কবি তাই সমাজের অসহায়, নিপীড়িত, শোষিত মানুষদের পাশে সমাজের শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষদেরকে সংকীর্ণ স্বার্থ থেকে বেরিয়ে এসে সমস্ত দিক থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে অনুরোধ করেছেন।

১.২) রমেশ কহিল, তুমি অত্যন্ত হীন এবং নীচ।”—কাকে রমেশ একথা বলেছে। তার একথা বলার কারণ কী?

উত্তর:- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত পল্লীসমাজ রচনাংশে রমাকে উদ্বৃত কথাগুলো রমেশ বলেছে।

টানা বৃষ্টিতে চাষীদের একশো বিঘা জমিতে জল জমেছে।

জমির ফসল যাতে না নষ্ট হয় সেজন্য রমেশ বেনী ঘোষাল ও রমার কাছে বাঁধ কাটার জন্য অনুমতি চায়। সেই মাঠ সংলগ্ন জমিতে ঘোষালরা মাছ চাষ করেছিল।তখন রমা সেই মাছের বন্দোবস্তের কথা জানতে চাইল কিন্তু ত সম্ভব না হওয়ায় রমা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে চাষীদের স্বার্থে অত টাকা লোকসান করতে পারবে না । রমার কাছ থেকে এই নিষ্ঠুর , অমানবিক আচরণ রমেশ আশা করেনি।সেই প্রসঙ্গেই রমেশ উদ্বৃত উক্তিটি করেছে ।

১.৩) ‘একটা স্ফুলিঙ্গ-হীন ভিজে বারুদের স্তূপ। — কাদের সম্পর্কে, কেন একথা বলা হয়েছে?

উত্তর:- অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের লেখা ছন্নছাড়া কবিতায় পাড়ার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা একদল বেকার – ভবঘুরে যুবকদের সম্পর্কে উদ্বৃত উক্তিটি করেছেন । ওই যুবক দল উদ্দেশ্যহীন কর্মহীন হলেও তাদের শরীরে আছে রক্তের তেজ । কবির মতে তাদের জ্বলে ওঠার সম্ভাবনা দাঁড়িয়ে থাকা একদল বেকার – ভবঘুরে যুবকদের সম্পর্কে উদ্বৃত উক্তিটি করেছেন । ওই যুবক দল উদ্দেশ্যহীন কর্মহীন হলেও তাদের শরীরে আছে রক্তের তেজ । কবির মতে তাদের জ্বলে ওঠার সম্ভাবনা ছিল কিন্তু পারিপার্শ্বিক সমাজের কারণে তারা নিভিয়ে আছে । বারুদ বিধ্বংসী হলেও ভিজে বারুদ স্ফুলিঙ্গহীন , উদ্বৃত অংশে তাই কবি ওই ছন্নছাড়া বেকার , যুবক দলকে স্ফুলিঙ্গহীন ভিজে বারুদের স্তূপের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

১.৪) “আমাদের দৃষ্টি হইতে দুরে গেল বাটে, কিন্তু বিধাতার দৃষ্টির বাহিরে যায় নাই – কোন প্রসঙ্গে প্রাবন্ধিক এই মন্তব্যটি করেছেন? ‘বিধ্যতার দৃষ্টির বাহিরে যায় নাই’ – একথার তাৎপর্য কী?

উত্তর:- জগদীশচন্দ্র বসুর গাছের কথা প্রবন্ধে গাছের বীজ কিভাবে বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপায়ে মাটির সংস্পর্শে আসে এবং উদ্ভিদ হয়ে জন্মায় সেই প্রসঙ্গেই প্রাবন্ধিক এই মন্তব্যটি করেছেন । বৃক্ষ শিশু বীজের কঠিন আবরণের মধ্যে ঘুমিয়ে থাকে । ক্ষুদ্র বীজ বিভিন্ন প্রাকৃতিক অবলম্বনের দ্বারা মাটির সংস্পর্শে আসে । ধুলো বালি বা ভাঙ্গা ইটের নিচে ঢাকা পড়ে সেটি মানুষের দৃষ্টির বাইরে চলে যায় কিন্তু বিধাতার দৃষ্টির আড়ালে যায় না । কিছুদিন কঠিন আবরণের মধ্যে ঘুমিয়ে থাকার পরে যথা সময়ে অঙ্কুর বের হয় ও শিশু বৃক্ষের জন্য হয় ।

১.৫) রৌদ্রে যেন ভিজে বেদনার গন্ধ লেগে আছে কোন কবিতার অংশ? কবির মনে এমন অনুভূতি জেগেছে কেন?

উত্তর:- আলোচ্য অংশটি জীবনানন্দ দাশের লেখা ‘ পাড়াগাঁর দুপ্রহর ভালোবাসি ‘ কবিতার অংশ । কবিতায় প্রকৃতিপ্রেমী কবি জীবনানন্দ দাশ নির্জন দুপুরের পরিবেশের বর্ণনা দিয়েছেন । দুপুরের সেই নির্জনতায় প্রকৃতি যেন মনমরা । শালিকের স্বর , জলসিড়ি নৌকার পাশে পড়ে থাকা বুনোচালতার ছায়া প্রভৃতি সমস্ত কিছুতেই কবি বিষন্নতার নুভূতির সৃষ্টি করে । ছাপ দেখতে পান যা কবির মনে বিষণ্ণ।

নীচের ব্যাকরণগত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

২.১) বাক্যের মধ্যে ক্রিয়াপদটি কীভাবে গঠিত হয়?

উত্তর:- বাক্যের মধ্যে ধাতু ও বিভক্তির সমন্বয়ে গঠিত হয় ক্রিয়াপদ ।

২.২) আপেক্ষিক ভাবের একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর:- যদি সে পড়তো ভালো ফল করতো।

২.৩) নিত্যবৃত্ত অতীত বলতে কী বোঝ?

উত্তর:-যে ক্রিয়া দ্বারা অতীতে কোনো কাজ নিত্য বা নিয়মিত ঘটতো এরূপ বোঝায় তাকে বলে নিত্যবৃত্ত অতীত । উদা : – দাদু প্রতিদিন সকালে হাঁটতেন ।

২.৪) নিত্য অতীত এবং ঘটনান অতীতের পার্থক্য কোথায়?

উত্তর:- নিত্য অতীত- এর সাহায্যে অতীতে যে কাজ শেষ হয়েছে তার ক্রিয়ার কালকে বোঝানো হয় । ঘটমান অতীত- এর সাহায্যে অতীতে কোনো কাজ ঘটছিল বা চলছিল এরূপ ক্রিয়ার কালকে বোঝানো হয় ।

২.৫) রূপ ও অর্থ অনুসারে ক্রিয়ার কালকে রুটি ভাগে ভাগ করা যায়?

উত্তর:- তিন ভাগে ভাগ করা যায় –

১) বর্তমান কাল

২) অতীত কাল

৩) ভবিষ্যত কাল

Model Activity Task Class 8 English Part 7 Solutions 2021

MODEL ACTIVITY TASK 2021 CLASS – VIII

ENGLISH

1. Read the following verse and answer the questions that follow:

 

The sea is a hungry dog.

Giant and grey.

He rolls on the beach all day

With his clashing teeth and shaggy jaws

Hour after hour he gnaws

The rumbling, tumbling stones.

And ‘bones, bones, bones!”

The giant sea-dog moans, licking his greasy paws.

The giant sea-dog moans, licking his greasy paws.

A. Complete the following sentences:

 

(i) The sea appears to be like a–––—-

Ans:- hungry dog

(i) The sea gnaws——––––––

Ans: the rumbling, tumbling stones.

(iii) Throughout the day the sea moans like a dog by———-

Ans: licking is greasy paws.

B. Answer the following questions:

With whom has the sea been compared?

Ans: the sea been compared with a hungry dog

(i) What does the sea do all day?

Ans: All day the sea rolls on the beach.

2. Do as directed:

(i) The coach said to the players, “Bravo! you have played well.” (Change into Indirect speech)

Ans: The coach cheered the players and said that they had played well.

(ii) Every morning he has to go for a walk. (Underline the Infinitive used in the sentence)

Ans: To go.

(iii) Nowadays supply of food grains is abundant. (Replace the underlined word with its antonym)

Ans: Nowadayes supply of food grains is scarce.

(iv) This is the place where Rabindranath was born. (Underline the Main Clause and circle the Subordinate Clause)

Ans: Main Clause- this is the place

subordinate clause- where Rabindranath was born.

(v) The news that shocked me proved false. (Identify the type of clause used in the sentence)

Ans: Noun clause.

3. Write a paragraph in about 80 words on ‘The usefulness of regular exercise’. You may use the following points:

Points: importance of physical exercise-various types of exercise-when it is done-health is wealth conclusion.

The use fullness of regular exercise

 

Physical exercise means the exercise of the different parts of our body.lt is essential for us to do regular physical exercise. If you are physically active you may reduce the risk of developing diseases, manage your weight better, feel better with more energy,a better mood and sleep better.Also exercise may block negative thoughts.

Exercise in the early morning is a good habit. Now a days youth is more interested in eating junk food and we can’t stop them from eating junk food but we can motivate them to do regular physical exercise. We should do exercise to prevent heart attack, maintain blood pressure, to prevent insomnia, delay the ageing,to improve immunity system and to improve mental health. So exercise is really important for our good health.

Model Activity Task Class 8 history Part 7 Solutions 2021

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক

অষ্টম শ্রেণি

ইতিহাস

‘ক’ স্তম্ভের ‘ খ ‘  স্তম্ভ
১.১আত্মীয় সভা. (ক) জ্যোতিরাও ফুলে
১.২ জাতীয় মেলা (খ) রামমোহন রায়
১.৩ সত্যশোধক সমাজ (গ) স্বামী দয়ানন্দ
১.৪ আর্য সমাজ ( ঘ) নবগোপাল মিত্র

 

উত্তর:-

‘ক’ স্তম্ভের ‘ খ ‘  স্তম্ভ
১.১আত্মীয় সভা. (খ) রামমোহন রায়
১.২ জাতীয় মেলা ( ঘ) নবগোপাল মিত্র
১.৩ সত্যশোধক সমাজ  (ক) জ্যোতিরাও ফুলে
১.৪ আর্য সমাজ (গ) স্বামী দয়ানন্দ

 

২.১ সাগরে কন্যাশিশু ভাসিয়ে দেওয়ার প্রথা নিষিদ্ধ করেন————–

উত্তর:- লর্ড ওয়েলসলি

 

২.২ মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সিতে বিধবা বিবাহ আন্দোলন শুরু হয়—————-

উত্তর:- বীরেসলিঙ্মম

২.৩ আলিগড় অ্যাংলো ওরিয়েন্টাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন——————-

উত্তর:- স্যার সৈয়দ আহমেদ খান

২.৪ স্বামী বিবেকানন্দ——————— ধর্ম সম্মেলন যোগদান করেন।

উত্তর:- শিকাগো

৩. দু-তিনটি বাক্যে উত্তর দাও :

৩.১ বারাসাত বিদ্রোহ’ কী?

উত্তর:- ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে বাংলায় যেসব বিদ্রোহগুলি সংঘটিত হয়েছিল তার মধ্যে বারাসাত বিদ্রোহ ছিল প্রথম সফল আন্দোলন।ওয়াহাবী আন্দোলনের নেতা তিতুমীরের নেতৃত্বে বাংলার বারাসাতের বিস্তীর্ণ এলাকায়জমিদার , মহাজন , নীলকর ও ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যে তীব্র আন্দোলন গড়ে উঠেছিল তা বারাসাত বিদ্রোহ নামে পরিচিত ।

 

৩.২ ‘নব্যবঙ্গ’ নামে কারা পরিচিত ছিলেন?

উত্তর:- উনিশ শতকে কলকাতার হিন্দু কলেজের অধ্যক্ষ ডিরোজিওর নেতৃত্বে মুক্তবুদ্ধি , যুক্তিবাদী ও আধুনিক মতাদর্শে বিশ্বাসী একদল তরুণ অনুগামী তৈরী হয়েছিল।ডিরোজিও এবং তার অনুগামীরা নব্যবঙ্গ নামে পরিচিত ছিল।এদের মধ্যে উল্লখযোগ্য ছিলেন প্যারীচাঁদ মিত্র , রাধানাথ শিকদার , রামতনু লাহিড়ী প্রমুখ ।

 

৩.৩ মোপালা বিদ্রোহ কেন হয়েছিল?

উত্তর:- দক্ষিণ ভারতের কেরলের মালাবার অঞ্চলের কৃষকরা গড়ে তুলেছিল ঔপনিবেশিক প্রশাসনের বিরূদ্ধে যেসব আন্দোলন গ হল তার মধ্যে মোপালা বিদ্রোহ ছিল অন্যতম । নিম্নলিখিত বিভিন্ন কারণে এই বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল ব্রিটিশরা তাদের উপর জোরপূর্বক – বিপুল রাজস্বের বোঝা চাপিয়েছিল , জমিতে কৃষকদের অধিকারকে অস্বীকার , তাদের ঋণ নিতে বাধ্য করে সর্বস্বান্ত করা ইত্যাদি ।

৪. চার-পাঁচটি বাক্যে উত্তর দাও :

৪.১) সাঁওতাল বিদ্রোহের সমর্থনে ‘হিন্দু প্যাট্রিয়ট’ কেমন ভূমিকা পালন করেছিল?

উত্তর:- সাঁওতাল বিদ্রোহের খবর কলকাতায় পৌঁছানোর পর অনেক শিক্ষিত হিন্দু বাঙালি ঐ বিদ্রোহের বিরোধিতা করেন । ব্যতিক্রম ছিলেন হিন্দু প্যাট্রিয়ট সংবাদপত্রের সম্পাদক হরিশচন্দ্র মুখোপাধ্যায় । তিনি হিন্দু প্যাট্রিয়ট পত্রিকায় ব্রিটিশ অপশাসনের সমালোচনা করতেন । দ্রোহের কারণগুলি ব্যাখ্যা পত্রিকাটিতে তিনি সাঁওতাল জনজাতির বিদ্রোহের কারণগুলির ব্যাখ্যা

করেছিলেন- সাঁওতালদের জোর করে বেগার খাটানো হত , তাদের অতিরিক্ত খাজনা দিতে বাধ্য করা হতো , তাদের উপর নানা রকম অত্যাচার করা হতো।হরিশচন্দ্র তাঁর পত্রিকায় লিখেছিলেন , সাঁওতালরা শান্তিপ্রিয় , তারা চেয়েছিল নিজেদের জঙ্গল ও উপত্যকার করেছিলেন- সাঁওতালদের জোর করে বেগার খাটানো হত , তাদের অতিরিক্ত খাজনা দিতে বাধ্য করা হতো , তাদের উপর নানা রকম অত্যাচার করা হতো।হরিশচন্দ্র তাঁর পত্রিকায় লিখেছিলেন , সাঁওতালরা শান্তিপ্রিয় , তারা চেয়েছিল নিজেদের জঙ্গল ও উপত্যকার মধ্যে স্বাধীনভাবে জীবন যাপনের অধিকার । কিন্তু ব্রিটিশদের নির্যাতন তাদের বিদ্রোহ করতে বাধ্য করেছিল ।

৪.২) ১৮৫৭-র বিদ্রোহের পর প্রশাসনিক ক্ষেত্রে দুটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের উল্লেখ করো।

উত্তর:- ১৮৫৭ – র বিদ্রোহের পর ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন ক্ষমতা লোপ পেয়েছিল ।১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে ‘ মহারানীর ঘোষণাপত্র ‘ জারি করার মধ্য দিয়ে ভারতে ব্রিটিশ শাসনের পরিবর্তন ঘটেছিল । ( i ) ১৮৫৭ র মহা বিদ্রোহের পর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও মুঘল শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতের প্রশাসনিক দায়িত্ব নিয়েছিল ব্রিটিশ সরকার ।

( ii ) আইন জারি করে রানি ভিক্টোরিয়াকে ব্রিটিশ ভারতের সম্রাজ্ঞী ঘোষণা করা হয় । এবং রানির মন্ত্রীসভার এক সদস্য কে ভারত শাসন বিষয়ে দেখাশোনার জন্য সচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল । ( ii ) স্বত্ব বিলোপ নীতির অবসান ঘটেছিল । দেশীয় রাজাদের দত্তক পুত্র গ্রহণের অধিকার দেওয়া হয় । এবং ভারতীয় ধর্ম ও রীতি নীতিতে ব্রিটিশ হস্তক্ষেপ বন্ধ হয় ।

 

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক

অষ্টম শ্রেণি

পরিবেশ ও বিজ্ঞান

ঠিক উত্তর নির্বাচন করো :

১.১) আপেক্ষিক তাপের একক হলো

(ক) কালোরি g °C

(খ) ক্যালোরি/g °C

(গ) ক্যালোরি g / °C

(ঘ) ক্যালোরি °C/g

উত্তর:- (খ) ক্যালোরি/g °C

১.২) গলিত সোডিয়াম ক্লোরাইডের তড়িৎবিশ্লেষণের সময়

(ক) অ্যানোডে সোডিয়াম উৎপন্ন হয়।

(খ) অ্যানোডে বিজারণ ঘটে

(গ) ক্যাথোডে জায়ণ ঘটে

(ঘ) অ্যানোডে ক্লোরিন গ্যাস উৎপন্ন হয়।

উত্তর:- (ঘ) অ্যানোডে ক্লোরিন গ্যাস উৎপন্ন হয়।

১.৩)ডেঙ্গি রোগের জীবাণু বহন করে যে প্রাণী সেটি হলো

(ক) অ্যানোফিলিস মশা

(খ) কিউলেক্স মশা

(গ) এডিস মশা

(ঘ) বেলেমাছি।

উত্তর:- (গ) এডিস মশা

২. ঠিক বাক্যের পাশে ‘✓’ চিহ্ন আর ভুল বাক্যের পাশে ‘×’ চিহ্ন দাও :

২.১) অনুঘটক রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না। (×)

২.২) সবুজ চায়ে ভিটামিন K পাওয়া যায়। (✓)

২.৩) অপরিশোধিত ময়লা জল সরাসরি মাছ চাষে ব্যবহার করা হয়। (×)

৩)একটি বা দুটি বাক্যে উত্তর দাও :

 

৩.১) তাপ সঞ্চালনের বিকিরণ পদ্ধতি বলতে কী বোঝায় তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর:- যে প্রক্রিয়ায় তাপ উষ্ণ বস্তু থেকে অপেক্ষাকৃত কম উষ্ণ পরিমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে ও ছড়িয়ে পড়ার জন্য কোনো মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না তাকে বলে তাপ সঞ্চালনের বিকিরণ পদ্ধতি ।

৩.২) CuSO, + Fe=Cu + FeSO, বিক্রিয়াটির ক্ষেত্রে জারণ ও বিজারণ বিক্রিয়া দুটির সমীকরণ লেখো।

উত্তর:- CuSO, + Fe =Cu + FeSO,

 

Cu² + 2e —> Cu —> বিজারণ

 

Fe —2e —> Fe²+ —> জারণ

 

৩.৩) ডায়ারিয়া হলে কী কী সমস্যা দেখা দিতে পারে?

উত্তর:- ( i ) শরীর থেকে অনেকটা জল বেরিয়ে যায় । ( ii ) শরীরের পাচক রস নষ্ট হয়ে যায় । ( iii ) মল দিয়ে রক্ত পড়ে । ( iv ) শরীরের জলসাম্য , অম্ল – ক্ষারের ভারসাম্য এমনকি লবণের ভারসাম্যও নষ্ট হয়ে যায় ।

৩.৪ মেজর কাপ ও মাইনর কার্পের মধ্যে দুটো পার্থক্য উল্লেখ করো।

উত্তর:- বিষয়:- আকার——>

মেজর কাপ: এই কাপগুলি আকারে বড় হয় ।

মাইনোর কাপ: এই কপগুলি আকারে ছোট হয় ।

বৃদ্ধি: মেজর কাপ: এরা তাড়াতাড়ি বাড়ে।

মাইনর কাপ: এরা তাড়াতাড়ি বাড়ে না ।

৪) তিনটি-চারটি বাক্যে উত্তর দাও :

৪.১) S তিনটি পর্যবেক্ষণ উল্লেখ করো যা থেকে প্রাথমিকভাবে মনে করা যেতে পারে যে কোনো পরিবর্তন রাসায়নিক পরিবর্তন।

উত্তর:- পারে যে কোন পরিবর্তন রাসায়নিক পরিবর্তন সেগুলি হলো – 1 যদি পরিবর্তনটির সময় ( i ) কোনো গ্যাস নির্গত হয় বা , ( ii ) কোনো অধঃক্ষেপ পড়ে বা , ( iii ) মিশ্রণের বর্ণের পরিবর্তন হয় বা , ( iv ) তাপ উৎপন্ন বা শোষিত হয় ।

৪.২) রাসায়নিক দমন পদ্ধতিতে ফসল-ধ্বংসকারী প্রাণীদের মৃত্যু খুব তাড়াতাড়ি হয় তাহলেও এই ধরনের প্রাণীদের মৃত্যু সুনিশ্চিত করতে জৈবিক দমন পদ্ধতির সাহায্য নেওয়া হয় কেন?

উত্তর:- রাসয়নিক দমন পদ্ধতিতে ফসল ধ্বংসকারী প্রাণীদের মৃত্যু খুব তাড়াতাড়ি হলেও নিম্নলিখিত নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে – ( i ) অনেকসময় ক্ষতিকারক প্রাণীগুলো নির্দিষ্ট একটি রাসায়নিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে ।( ii ) অনেকসময় এই রাসায়নিক পদার্থগুলো নদী বা হ্রদের জলে মিশে দূষণ ঘটায় । ( iii ) রাসায়নিক পদার্থগুলো খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করলে খাদ্যশৃঙ্খলের শেষের দিকের জীবেদের ক্ষতি হতে পারে ।

 

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক – ২০২১ স্বাস্থ্য ও শারীরশিক্ষা

অষ্টম শ্রেণি

স্বাস্থ্যশিক্ষা ও যোগাসন

 

১। শূন্যস্থান পূরণ করো :

(ক) ———- ও————–জলবাহিত সংক্রামক ব্যাধি।

উত্তর:- কলেরা, ডায়রিয়া।

(খ) মিড-ডে মিলের রান্নার কাজে যুক্ত————– পরিবেশনের আগে ————-দিয়ে হাত ধুতে হবে।

উত্তর:- মহিলাদের, সাবান

(গ) ——— ও ———অসংক্রামক ব্যাধি।

উত্তর:- হৃদ রোগ, ক্যানসার

২। নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও।

(ক) স্বাস্থ্যবিধান বলতে কী বোঝ?

উত্তর:- স্বাস্থ্যবিধান হলো বিজ্ঞাসম্মত একটি বিষয় যা জানলে শরীরকে সুস্থ , সুন্দর ও নীরোগ রাখা যায় । স্বাস্থ্যবিধান পালনের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলির সঠিক ভাবে যত্ন নেওয়া সম্ভব ।

(খ) স্বাস্থ্যবিধানের উদ্দেশাগুলি লেখো।

উত্তর:- সার্বিক স্বাস্থ্যবিধানের মূল উদ্দেশ্য হলো- ( i ) প্রতিটি পরিবারকে নির্মল , রোগমুক্ত , জীবাণুমুক্ত , দূষণবিহীন ও স্বাস্থ্যসম্মত সবুজ , সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা । ( ii ) এর দ্বারা মানুষ রোগ জীবাণুর হাত থেকে মুক্ত হতে পারে এবং সমগ্র জনসাধরণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ঘটতে পারে ।

(গ) শিশুদের ক্ষেত্রে আয়োডিনের অভাব হলে কী কী উপসর্গ দেখা যায় তা লেখো।

উত্তর:- শিশুদের ক্ষেত্রে আয়োডিনের অভাব হলে নিম্নলিখিত উপসর্গগুলি দেখা যায়- ( i ) মানসিকভাবে কমজোরি ও জড়বুদ্ধিসম্পন্ন হয় । ( ii ) শরীরের বিকাশ ঠিকমত হয় না । ( iii ) শক্তির অভাবে শরীর ও মন ক্লান্ত থাকে ।

৩। টীকা লেখো:

(ক) মিড-ডে মিল

উত্তর:- মিড – ডে – মিল : – সামাজিক ও আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া ছেলে মেয়েদের বিদ্যালয়ে ভর্তি বিদ্যালয়ে তাদের উপস্থিতি বৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্যের উদ্দ্যেশে এবং তাদের বিদ্যালয়মুখী করে তোলার জন্য অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিড – ডে – মিল প্রকল্পটি চালু করা হয় ।

(খ) নির্মল গ্রাম

উত্তর:- নির্মল গ্রাম : – সার্বিক স্বাস্থ্য বিধানের উদ্দেশ্যে গ্রামের পরিবেশকে LIA নির্মল ও স্বাস্থ্যকর করে তুলতে ভারত সরকার নির্মল গ্রাম পুরস্কার চালু করেন।এর উদ্দেশ্য হলো নির্মল গ্রামগুলোকে আদর্শ করে অন্যান্য গ্রাম গুলোর অভিযানে অংশগ্রহণ এবং এই কাজে পঞ্চায়েত ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে উৎসাহিত করা ।

৪। নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও।

(ক) স্বাস্থ্যবিধানের অভাবজনিত পাঁচটি রোগের নাম লেখো এবং ঐ রোগগুলি কী কী কারণে হয় তা লেখো।

উত্তর:- স্বাস্থ্যবিধানের অভাবজনিত পাঁচটি রোগের নাম – ( i ) ডায়রিয়া , ( ii ) ম্যালেরিয়া , ( iii ) টাইফয়েড , ( iv ) পোলিও , ( v ) ডেঙ্গু ( i ) ডায়রিয়া রোগের কারন- দূষিত পানীয় জল ও অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমে এই রোগ হয় । এছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করলেও ডায়রিয়া হতে পারে । ( ii ) ম্যালেরিয়া : – স্ত্রী – অ্যনোফিলিস মশার কামড়ের মাধ্যমে এই রোগ হয় । ( iii ) টাইফয়েড : – দূষিত জল ও খাবার গ্রহণের মাধ্যমে এই রোগের জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে । ( iv ) পোলিও : – দূষিত জল ও খাবারের মাধ্যমে পোলিও

(খ) নীচের যোগাসনের ভঙ্গি শনাক্ত করে ফাঁকা ঘরে যোগাসনটির নাম লেখো এবং এই যোগাসনটির অনুশীলনের পর্যায়ক্রমিক পদ্ধতি ও উপকারিতা বর্ণনা করো।

উত্তর:- অনুশীলনের পদ্ধতি : – পা জোড়া অবস্থায় হাত শরীরের পাশে রেখে সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে । এরপর- ( i ) হাতের চেটো নীচের দিকে করে শ্বাস নিতে নিতে দুই হাত মাথার উপর তুলতে হবে।হাত দুটো যেন কনুই সোজা অবস্থায় কানের সঙ্গে লেগে থাকে ।

 

 

 

 

Leave a Comment