মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক ক্লাস 10 ইতিহাস পাট 7 | Model Activity Task Class 10  History Part 7


Model Activity Task History Class 10 Part 7

সুপ্রিয় বন্ধুরা,

আজকের পোস্টে মাধ্যমিক গুগোল, ইতিহাস,গণিত, ভৌত বিজ্ঞান, জীবন বিজ্ঞান, English, বাংলামডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক দশম শ্রেণি Part 7 বাংলা, MODEL ACTIVITY TASK CLASS – 10 হতিহাস (Model Activity Task Class 10 Geography Part 7) টি শেয়ার করলাম। যেটির মাধ্যমে তোমরা দশম শ্রেণি মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক প্রশ্ন উত্তর অল্প সময়ে করতে সহযোগিতা করবে। সুতরাং সময় নষ্ট না করে নীচে দেওয়া বাংলা, English,গণিত, ভৌত বিজ্ঞান, জীবন বিজ্ঞান, ইতিহাস, গুগোল কোশ্চেন এর উত্তর গুলো দেখে নাও।

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক দশম শ্রেণি হতিহাস পাট 7

Part 7 মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক দশম শ্রেণি হতিহাস | Model Activity Task Class 10  History Part 7

মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক
দশম শ্রেণি
ইতিহাস

Model Activity Task History Class 10 Part 7

১. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও

Ans:- 👇

ক – স্তম্ভখ – স্তম্ভ
১.১ ক্যালকাটা স্কুল বুক সোসাইটিখ) ১৮১৭ খ্রি:
১.২ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ঘ) ১৮৫৭ খ্রি:
১.৩ এশিয়াটিক সোসাইটিক) ১৭৮৪ খ্রি:
১.৪ বসু বিজ্ঞান মন্দিরগ) ১৯১৭ খ্রি:

 

২. সঠিক তথ্য দিয়ে নীচের ছকটি পূরণ করো :

Ans:-👇

প্রতিষ্ঠানপ্রতিষ্ঠাতাপ্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য (একটি বাক্যে)
বেঙ্গল টেকনিকাল ইন্সটিটিউটতারক নাথ পালিতবাংলার কারিগরী শিক্ষার বিকাশের জন্য।
বসু বিজ্ঞান মন্দিরআচার্য্য জগদীশ চন্দ্ৰ বসুবিজ্ঞান চর্চা ও বিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণার জন্য।
ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অব সায়েন্সডঃ মহেন্দ্ৰ লাল সরকারবিজ্ঞান চর্চা ও কারিগরীশিক্ষার প্রসারের জন্য।
জাতীয় শিক্ষা পরিষদসত্যেন্দ্র নাথ ঠাকুরজাতীয় শিক্ষা প্রদানের জন্য।

 

৩. দুটি বা তিনটি বাক্যে উত্তর দাও :

৩.১ উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী কেন স্মরণীয়?

উত্তর :- উপ্রেকিশোর রায়চৌরী ছিলেন একজন সাহিত্যিক, সুরকার, প্রকাশক। তাঁর লেখা প্রথম বই হল ‘ছেলেদের রামায়ণ’। উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর ছেলেদের রামায়ণে বইটি যোগীন্দ্রনাম সরকারের সিটি বুক সোসাইটি থেকে প্রকাশিত হয়।উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে কলকাতার শিবনারায়ণ দাস লেনে আধুনিক ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন।

 

৩.২ কাকে ‘বাংলা মুদ্রণশিল্পের জনক’ বলা হয় এবং কেন?

উত্তর :- চার্লস উইলকিনসকে ‘বাংলা মুদ্রণশিল্পের জনক’ বলা হয়।

কারন ভারতে প্রথম সঞ্চালনযোগ্য বাংলা মুদ্রাক্ষর সৃষ্টি করেন চার্লস উইলকিনস। তিনি চুঁচুড়ায় ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করে হ্যালহেডের বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ ‘এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ’ প্রকাশ করেন।

এজন্য চার্লস উইলকিনসকে বাংলার ছাপাখানার জনক বলা হয়।

 

৪. সাত-আটটি বাক্যে উত্তর দাও :

ছাপারই-এর সাথে শিক্ষাবিস্তারের সম্পর্ক আলোচনা কর।

উত্তর :-

ভূমিকা : আঠারো শতকের শেষ দিক থেকে উনিশ শতকে শিক্ষা বিস্তারের সঙ্গে ছাপাখানার ছাপা বইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। এই সম্পর্ক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে

(i) শিক্ষার বিস্তার : ছাপাখানা চালু হওয়ার পর বাংলা ভাষায় প্রচুর বইপত্র (যেমন পীয়ারসনের ‘বাক্যাবলী’, লসনের ‘পশ্বাবলী’, রাধাকান্তদেবের ‘বেঙ্গলী স্পেলিং বুক’, হারলের ‘গণিতাঙ্ক ) ছাপা শুরু হলে শিক্ষার্থীরা নিজের মাতৃভাষায় শিক্ষার সুযোগ পাওয়ায় বাংলাদেশে

(II) শিশু-শিক্ষার প্রসার : ছাপাখানা শিশু শিক্ষার অগ্রগতিতে সাহায্য করেছিল। এ প্রসঙ্গে মদনমোহন তর্কালঙ্কার-এর রচিত ‘শিশু শিক্ষা’ (এর বিখ্যাত কবিতা ‘পাখী সব করে রব রাতি পোহাইল’) ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচিত ‘বর্ণপরিচয়’ (১ম ও ২য় ভাগ) এবং রামসুন্দর বসাক রচিত ‘বাল্যশিক্ষা’ প্রভৃতি গ্রন্থের কালজয়ী ভূমিকার কথা বলা যায়।

(iii) গণ শিক্ষার বিস্তার : ছাপাখানার ফলে স্কুল-কলেজ

শিক্ষার প্রসারের পাশাপাশি গণ শিক্ষারও বিস্তার ঘটে। ‘কৃত্তিবাসী রামায়ণ’ (১৮০১ খ্রি.), ‘কাশীদাসী মহাভারত’ (১৮০২ খ্রি.), ‘বাঙ্গলার ইতিহাস’ (১৮০৪ খ্রি.) প্রভৃতি ধর্মগ্রন্থ ও ইতিহাস গ্রন্থের পাশাপাশি বাংলা বিষয়ের উপর রচিত বিচিত্রধর্মী গ্রন্থ এবং ‘সমাচার দর্পণ’, ‘সংবাদ প্রভাকর’ প্রভৃতি ভাষায় প্রকাশিত পত্রপত্রিকার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে জ্ঞানের ও শিক্ষার প্রসার ঘটে।

(iv) সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা উদ্যোগে গতি :

ছাপাখানার ফলে দেশীয় ভাষায় শিক্ষাদানে সরকারী ও বেসরকারী উৎসাহদান বৃদ্ধি পায়। এ প্রসঙ্গে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ, শ্রীরামপুরের ব্যাপটিস্ট মিশন এবং ক্যালকাটা স্কুল বুক সোসাইটির উদ্যোগে বাংলায় স্কুল পাঠ্যপুস্তক রচনা ও পরিবেশনার কথা বলা যায়।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, বাংলা ছাপাখানার প্রবর্তনের ফলে বাংলায় ছবি, মানচিত্র, নশা ছাপানোর পাশাপাশি গণিত, ইতিহাস, ভূগোল, জ্যোতির্বিদ্যা, পদার্থবিদ্যা, অভিধান, ব্যাকরণ প্রভৃতি বিভিন্ন বিষয়ে পাঠ্যপুস্তক প্রবর্তন সম্ভব হয় এবং শিক্ষক ও ছাত্র সমাজের কাছে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের জ্ঞানজগতের দরজা উন্মোচিত হয়।


Leave a Comment