Class 8 History GK Questions and Answers IN BENGALI | অষ্টম শ্রেণির ইতিহাস প্রশ্ন ও উত্তর
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) অষ্টম শ্রেণির ইতিহাস পাঠ্যবই ‘অতীত ও ঐতিহ্য’ হলো আধুনিক ভারতের ইতিহাস এবং ভারতের সংবিধানের এক অনবদ্য ভাণ্ডার। স্কুল স্তরের পরীক্ষা হোক বা WBCS, WBP, PSC-এর মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা— ব্রিটিশ শাসন, পলাশির যুদ্ধ, বিভিন্ন আঞ্চলিক শক্তির উত্থান এবং সংবিধান থেকে প্রচুর জিকে (GK) প্রশ্ন সরাসরি এই বই থেকেই আসে।
ছাত্রছাত্রী এবং চাকরিপ্রার্থীদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে, সম্পূর্ণ পাঠ্যবইটি খুঁটিয়ে বিশ্লেষণ করে আমরা ১৫০টি বাছাই করা জিকে (GK) প্রস্তুত করেছি। পড়ার সুবিধার জন্য প্রতিটি প্রশ্ন নির্দিষ্ট টপিক অনুযায়ী সাজানো হয়েছে। অফলাইনে পড়ার জন্য পোস্টের শেষে Class 8 History GK PDF ডাউনলোডের লিংক দেওয়া হয়েছে।
📌 একনজরে গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস জিকে (Quick Facts):
- আধুনিক ভারতের ইতিহাসের সূচনা: পলাশির যুদ্ধ (১৭৫৭) থেকে।
- ভারতের সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়: ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর।
- দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়: বাংলায়।
- কলকাতায় সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭৭৪ সালে।
পর্ব ১: সাধারণ পরিচিতি ও ভারতের সংবিধান
১. অষ্টম শ্রেণির ইতিহাস পাঠ্যবইটির নাম কী?
উত্তর: অতীত ও ঐতিহ্য।
২. এই পাঠ্যবইটি কোন পর্ষদ দ্বারা প্রকাশিত?
উত্তর: পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
৩. বিদ্যালয় শিক্ষার ক্ষেত্রে ‘বিশেষজ্ঞ কমিটি’ কত সালে গঠিত হয়?
উত্তর: ২০১১ সালে।
৪. পাঠ্যসূচি পুনর্বিন্যাসের ক্ষেত্রে কোন জাতীয় রূপরেখাকে অনুসরণ করা হয়েছে?
উত্তর: জাতীয় পাঠ্যক্রমের রূপরেখা ২০০৫ (NCF 2005)।
৫. শিক্ষার অধিকার আইন কত সালে প্রণীত হয়?
উত্তর: ২০০৯ সালে (RTE Act, 2009)।
৬. এই বইটির পরিকল্পনার ভিত্তি হিসেবে কার শিক্ষাদর্শকে গ্রহণ করা হয়েছে?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিক্ষাদর্শ।
৭. ভারতের সংবিধানের প্রস্তাবনা অনুযায়ী ভারতকে কী রূপ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার শপথ নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক সাধারণতন্ত্র।
৮. ভারতীয় নাগরিকদের জন্য কোন কোন ন্যায়বিচারের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ন্যায়বিচার।
৯. সংবিধানে নাগরিকদের কোন কোন স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে?
উত্তর: চিন্তা, মতপ্রকাশ, বিশ্বাস, ধর্ম এবং উপাসনার স্বাধীনতা।
১০. ভারতীয় সংবিধান কত তারিখে গণপরিষদে গৃহীত হয়?
উত্তর: ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর।
১১. ‘সৌভ্রাতৃত্ব’ শব্দটির মাধ্যমে সংবিধানে কী নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: ব্যক্তি-সম্ভ্রম এবং জাতীয় ঐক্য ও সংহতি।
১২. ‘অতীত ও ঐতিহ্য’ বইতে ভারতের ইতিহাসের কয়টি ভাগের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: তিনটি (প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক)।
১৩. পাঠ্যবইটির প্রচ্ছদে কোন ধরনের দৃশ্য দেখা যায়?
উত্তর: পুরনো কলকাতার স্থাপত্য ও জনজীবন।
১৪. গঙ্গা নদী সংলগ্ন চাঁদপাল ঘাট থেকে এসপ্ল্যানেড চত্বরের ছবিটি কার আঁকা?
উত্তর: জেমস বেইলি ফ্রেজার (১৮২৬ খ্রিষ্টাব্দ)।
১৫. ভারতের ইতিহাসে ‘৫১৮’ পৃষ্ঠা বা তার পরবর্তী অংশে কোন বিষয় আলোচিত হয়েছে?
উত্তর: আধুনিক ভারত ও সংবিধান।
পর্ব ২: প্রথম অধ্যায় (ইতিহাসের ধারণা)
১৬. বর্তমান যুগকে কিসের যুগ বলা হয়?
উত্তর: বিজ্ঞানের যুগ।
১৭. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতে আমরা যে ইতিহাস পড়ি তা কিসের মতো?
উত্তর: নিশীথকালের একটা দুঃস্বপ্নকাহিনী মাত্র।
১৮. রবীন্দ্রনাথের মতে ইতিহাসের পাঠ্যবইয়ে কাদের কথা বেশি থাকে?
উত্তর: রাজা-সম্রাট, যুদ্ধ এবং রাজবংশের টানাটানির কথা।
১৯. “বাঙালির ইতিহাস চাই”— উক্তিটি কার?
উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
২০. নেকড়ে ও ছাগলছানার গল্পের মাধ্যমে ইতিহাসে কিসের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে?
উত্তর: বর্তমান আচরণের যুক্তি ইতিহাসে খোঁজার প্রবণতা।
২১. ব্রিটিশ শাসকরা ভারতীয়দের কী বলে অভিহিত করত?
উত্তর: অসভ্য (Uncivilized)।
২২. ব্রিটিশরা কেন ভারতে শাসন কায়েম করার যুক্তি দিয়েছিল?
উত্তর: ভারতীয়দের ‘সভ্য’ করে তোলার জন্য।
২৩. ‘আধুনিক’ শব্দটির উৎস কী?
উত্তর: ‘অধুনা’ শব্দ থেকে।
২৪. ১৮০৮ সালে ‘রাজাবলি’ নামক ইতিহাস বইটি কে লিখেছিলেন?
উত্তর: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার।
২৫. ‘রাজাবলি’ বইটিতে সময় গণনা কোথা থেকে শুরু করা হয়েছিল?
উত্তর: মহাভারতের রাজা যুধিষ্ঠিরের কাল থেকে।
২৬. ১৮১৭ সালে ‘History of British India’ বইটি কে লিখেছিলেন?
উত্তর: জেমস মিল।
২৭. জেমস মিল ভারতের ইতিহাসকে কয়টি ভাগে ভাগ করেছেন?
উত্তর: তিনটি (হিন্দু যুগ, মুসলিম যুগ ও ব্রিটিশ যুগ)।
২৮. মিলের মতে মুসলিম যুগ ভারতের ইতিহাসে কেমন ছিল?
উত্তর: অন্ধকারময় যুগ।
২৯. জেমস মিলের ইতিহাসের প্রধান ত্রুটি কী ছিল?
উত্তর: ধর্মের ভিত্তিতে ইতিহাস বিভাজন।
৩০. আধুনিক ভারতের ইতিহাস কোন সময় থেকে শুরু বলে ধরা হয়?
উত্তর: পলাশির যুদ্ধ (১৭৫৭) থেকে।
৩১. ঔরঙ্গজেব কত সালে মারা যান?
উত্তর: ১৭০৭ সালে।
৩২. পলাশির যুদ্ধ কত সালে হয়েছিল?
উত্তর: ১৭৫৭ সালে।
৩৩. সুলতান ইলতুৎমিস মারা যাওয়ার পর কাকে দিল্লির শাসক হিসেবে নির্বাচন করেন?
উত্তর: তার মেয়ে রাজিয়াকে।
৩৪. আধুনিক সময়ের ইতিহাস লেখার একটি প্রধান উপাদান কী?
উত্তর: সংবাদপত্র।
৩৫. ১৯৩৮ সালের হরিপুরা কংগ্রেস অধিবেশনে তোলা ছবিতে কাদের দেখা যায়?
উত্তর: মহাত্মা গান্ধী ও সুভাষচন্দ্র বসু।
৩৬. ব্রিটিশরা ভারতীয় কৃষক বিদ্রোহকে সরকারি নথিতে কী বলত?
উত্তর: ‘হাঙ্গামা’ বা ‘উৎপাত’।
৩৭. তিতুমির বা বিরসা মুণ্ডা আদতে কারা ছিলেন?
উত্তর: স্বাধীনতা সংগ্রামী।
৩৮. ‘সাম্রাজ্যবাদ’ কী?
উত্তর: একটি শক্তিশালী দেশ যখন অন্য দেশের ওপর প্রভুত্ব কায়েম করে তাকে দখলে আনে।
৩৯. ‘উপনিবেশবাদ’ কী?
উত্তর: একটি অঞ্চলের জনগণ ও সম্পদকে অন্য একটি অঞ্চলের স্বার্থে ব্যবহার করা।
৪০. ব্রিটিশ ভারতের কৃষিজ ফসল কার স্বার্থে উৎপাদিত হতো?
উত্তর: ব্রিটেনের স্বার্থে।
৪১. নীল চাষ কেন করানো হতো?
উত্তর: ইংল্যান্ডের কাপড় কলে নীলের চাহিদা মেটানোর জন্য।
৪২. আজাদ হিন্দ ফৌজের সম্মানে কোন দেশ ডাকটিকিট প্রকাশ করেছিল?
উত্তর: জাপান।
৪৩. ইতিহাসের উপাদান হিসেবে ‘ফটোগ্রাফ’-এর গুরুত্ব কী?
উত্তর: এটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের চাক্ষুষ প্রমাণ দেয়।
৪৪. আত্মজীবনী ব্যবহার করার সময় ঐতিহাসিককে কেন সতর্ক থাকতে হয়?
উত্তর: কারণ এটি লেখকের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থেকে লেখা হয়।
৪৫. অ্যালান অক্টোবরিয়ান হিউমের জীবনী কে লিখেছিলেন?
উত্তর: উইলিয়াম ওয়েডারবার্ন।
৪৬. ব্রিটিশ নথিতে সিধু-কানহুর পরিচয় কী ছিল?
উত্তর: হাঙ্গামাকারী।
৪৭. আধুনিক ইতিহাস চর্চায় মানচিত্রের ভূমিকা কী?
উত্তর: ভৌগোলিক সীমানা ও পরিবর্তনের ধারণা দেয়।
৪৮. ব্রিটিশরা কেন ভারতের ইতিহাস চর্চা শুরু করেছিল?
উত্তর: ভারতকে সঠিকভাবে শাসন করার জন্য।
৪৯. কোম্পানি প্রবর্তিত মুদ্রায় কোন সম্রাটের নাম খোদাই থাকত?
উত্তর: দ্বিতীয় শাহ আলমের।
৫০. ফারুকশিয়রের স্বর্ণমুদ্রা ইতিহাসের কোন ধরনের উপাদান?
উত্তর: প্রত্নতাত্ত্বিক বা বস্তুগত উপাদান।
৫১. ইতিহাসের তর্কে কেন ‘দেখার ভঙ্গি’ গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: কারণ দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টালে ঘটনার ফলাফল নিয়ে মতামত বদলে যায়।
৫২. ইতিহাসের উপাদান হিসেবে বিজ্ঞাপনের গুরুত্ব কী?
উত্তর: তৎকালীন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক অবস্থা বোঝা যায়।
৫৩. ‘জাতীয়তাবাদ’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: দেশের প্রতি ভালোবাসা ও একাত্মবোধের আদর্শ।
৫৪. নীল চাষের ফলে বাংলার কোন ফসলের ক্ষতি হতো?
উত্তর: ধান ও পাট।
৫৫. ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহারের প্রমাণ কোথায় পাওয়া যায়?
উত্তর: তৎকালীন বিভিন্ন ছবি ও পোস্টারে।
৫৬. জেমস মিল কি কখনো ভারতে এসেছিলেন?
উত্তর: না (তিনি বিদেশেই ছিলেন)।
৫৭. বঙ্কিমচন্দ্র কেন বাঙালির ইতিহাস লিখতে বলেছিলেন?
উত্তর: জাতির আত্মপরিচয় রক্ষার জন্য।
৫৮. ব্রিটিশ আমলের সরকারি নথিপত্র কোথায় সংরক্ষিত থাকে?
উত্তর: মহাফেজখানায় বা আর্কাইভসে।
৫৯. ইতিহাসের উপাদান হিসেবে প্রাচীন মুদ্রার পাঠোদ্ধারকে কী বলা হয়?
উত্তর: মুদ্রাতত্ত্ব বা Numismatics।
৬০. আধুনিক ইতিহাস চর্চায় ‘নিম্নবর্গের ইতিহাস’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের ইতিহাস।
৬১. ইতিহাসের উপাদান হিসেবে চিঠিপত্রের গুরুত্ব কী?
উত্তর: এতে অনেক অপ্রকাশিত ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য পাওয়া যায়।
৬২. নীলকর সাহেবরা নীলচাষিদের ওপর অত্যাচারের কী অজুহাত দিত?
উত্তর: চাষির পূর্বপুরুষের নেওয়া ধারের অজুহাত।
৬৩. ভারতীয়রা ব্রিটিশদের অসভ্য অপবাদের জবাবে কাদের উদাহরণ দিয়েছিল?
উত্তর: সম্রাট অশোক, আকবর, আর্যভট্ট এবং চৈতন্যদেব।
৬৪. ইতিহাস মানে শুধু সাল-তারিখ নয়, আর কী?
উত্তর: নানা যুক্তি-তর্কের খতিয়ান।
৬৫. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের মতে রাজাদের কাজ কে পরিচালনা করত?
উত্তর: কোনো এক অদৃশ্য শক্তি।
৬৬. জেমস মিল কেন ভারতের ইতিহাস লিখেছিলেন?
উত্তর: ব্রিটিশ প্রশাসনে নিযুক্ত বিদেশিরা যাতে ভারতবর্ষ সম্পর্কে ধারণা পেতে পারে।
৬৭. হরিপুরা কংগ্রেসের পরের বছর সুভাষচন্দ্র বসু কী করেছিলেন?
উত্তর: কংগ্রেস সভাপতির পদ ত্যাগ করেছিলেন।
৬৮. ইতিহাস পড়ার মাধ্যমে কী জানা যায়?
উত্তর: সমাজের বিবর্তন, রাজনীতি ও মানুষের জীবনযাত্রার বদল।
৬৯. ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার কৃতিত্ব জীবনীতে কাকে দেওয়া হয়েছে?
উত্তর: হিউমকে।
৭০. ইতিহাসের তথ্যের বৈচিত্র্য গত কত বছরে বেশি দেখা যায়?
উত্তর: গত ৪৫০-৫০০ বছরে।
৭১. আধুনিককাল বলতে মূলত কোন সময়কে বোঝায়?
উত্তর: ১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বর্তমান পর্যন্ত।
৭২. সুলতান রাজিয়া কত শতকের শাসক ছিলেন?
উত্তর: ত্রয়োদশ শতকের।
৭৩. ঔরঙ্গজেবের সময়কালকে কোন যুগের অন্তর্ভুক্ত করা হয়?
উত্তর: মধ্যযুগ।
৭৪. ব্রিটিশরা ভারতীয়দের কেন অশিক্ষিত বলত?
উত্তর: তাদের দেশে পাশ্চাত্য বিজ্ঞান ও শিক্ষার অভাব ছিল বলে।
৭৫. ইতিহাসের তর্কে কেন ‘অতীতের খুঁটিনাটি’ জানা দরকার?
উত্তর: বর্তমানকে সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করার জন্য।
🔗 আরো পড়ুন:
পর্ব ৩: দ্বিতীয় অধ্যায় ও অন্যান্য (আঞ্চলিক শক্তির উত্থান)
৭৬. ১৭০৭ সালে কোন মুঘল সম্রাটের মৃত্যু হয়?
উত্তর: সম্রাট ঔরঙ্গজেব।
৭৭. ঔরঙ্গজেবের মৃত্যুর কত বছর পর পলাশির যুদ্ধ হয়?
উত্তর: ৫০ বছর পর।
৭৮. পলাশির যুদ্ধের মাধ্যমে ভারতে কোন শক্তির উত্থান ঘটে?
উত্তর: ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির।
৭৯. মুঘল সাম্রাজ্যের শক্তি কেন নষ্ট হতে থাকে?
উত্তর: কেন্দ্রীয় শাসনের দুর্বলতা ও আঞ্চলিক শক্তির উত্থানের ফলে।
৮০. মুঘলদের অবনতির জন্য প্রায়ই কাকে দায়ী করা হয়?
উত্তর: সম্রাটদের ব্যক্তিগত দক্ষতা বা ব্যর্থতাকে।
৮১. মুঘল শাসন কাঠামোয় সমস্যা কোন সময় থেকে শুরু হয়েছিল?
উত্তর: সম্রাট জাহাঙ্গীর ও শাহ জাহানের সময় থেকে।
৮২. মুঘল সাম্রাজ্যের কাঠামোগত দুর্বলতা কার আমলে স্পষ্ট হয়?
উত্তর: সম্রাট ঔরঙ্গজেবের আমলে।
৮৩. মুঘল সামরিক ব্যবস্থার অবনতি কেন ঘটেছিল?
উত্তর: যোগ্য নেতৃত্বের অভাব ও প্রযুক্তিগত অনগ্রসরতার কারণে।
৮৪. লর্ড কর্নওয়ালিসের মূর্তিতে তাকে কোন পোশাকে দেখা যায়?
উত্তর: রোমান পোশাকে।
৮৫. কর্নওয়ালিসকে রোমান পোশাক পরানোর তাৎপর্য কী?
উত্তর: রোমান সাম্রাজ্যের মতো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের শৌর্য প্রদর্শন।
৮৬. মুঘলদের অধীনে থাকা দুর্বল শক্তিগুলো কেন আলাদা হয়ে গিয়েছিল?
উত্তর: নিজেদের ক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে।
৮৭. ১৭০৭ থেকে ১৭৫৭ সালের মধ্যে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে কী বদল এসেছিল?
উত্তর: মুঘল সাম্রাজ্যের পতন ও স্বাধীন আঞ্চলিক রাজ্যের সৃষ্টি।
৮৮. মুঘল সম্রাটদের মধ্যে শেষ শক্তিশালী শাসক কে ছিলেন?
উত্তর: ঔরঙ্গজেব।
৮৯. ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথমদিকে কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা বহাল রেখেছিল?
উত্তর: মুঘল প্রশাসনিক ব্যবস্থা।
৯০. সিরাজ-উদ-দৌলা ও লর্ড ক্লাইভ কোন যুগের ব্যক্তিত্ব?
উত্তর: আধুনিক যুগের।
৯১. মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের পর কোন কোন আঞ্চলিক শক্তি শক্তিশালী হয়ে ওঠে?
উত্তর: বাংলা, হায়দ্রাবাদ ও অযোধ্যা।
৯২. মুঘল সম্রাটরা কেন আঞ্চলিক শক্তিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিলেন না?
উত্তর: কেন্দ্রীয় অর্থাভাব ও সামরিক দুর্বলতার কারণে।
৯৩. ১৭০৭ পরবর্তী সময়ে ভারতের প্রধান বৈদেশিক শক্তি কারা ছিল?
উত্তর: ব্রিটিশ ও ফরাসি।
৯৪. মুঘল আমলে উৎপাদিত প্রধান কৃষিজাত পণ্য কী ছিল?
উত্তর: নীল, ধান ও পাট।
৯৫. লর্ড ক্লাইভ কোন যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন?
উত্তর: পলাশির যুদ্ধের।
৯৬. জেমস মিল কেন মনে করতেন ব্রিটিশরা ভারতকে সভ্য করবে?
উত্তর: কারণ তিনি পাশ্চাত্য সংস্কৃতিকে শ্রেষ্ঠ মনে করতেন।
৯৭. ইতিহাসের উপাদান হিসেবে ডায়েরি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: এটি সমকালীন ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার দলিল।
৯৮. মুঘল সম্রাটের ছবি এবং কর্নওয়ালিসের মূর্তির মধ্যে মূল তফাত কী?
উত্তর: একজন ঐতিহ্যবাহী শাসক, অন্যজন ঔপনিবেশিক বিজেতা।
৯৯. ইতিহাসের ছাত্র হিসেবে প্রমাণের গুরুত্ব কী?
উত্তর: সত্যতা যাচাই করার জন্য।
১০০. ‘অতীত ও ঐতিহ্য’ বইয়ের সূচিপত্র অনুযায়ী পঞ্চম অধ্যায়টি কী?
উত্তর: ঔপনিবেশিক শাসনের প্রতিক্রিয়া।
১০১. চতুর্থ অধ্যায়ের নাম কী?
উত্তর: ঔপনিবেশিক অর্থনীতির চরিত্র।
১০২. নবম অধ্যায়টি ভারতের কোন বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে লেখা?
উত্তর: ভারতীয় সংবিধান।
১০৩. সপ্তম অধ্যায়ের মূল বিষয়বস্তু কী?
উত্তর: ভারতীয় জাতীয় আন্দোলনের আদর্শ ও বিবর্তন।
১০৪. জেমস মিলের ইতিহাস চর্চায় কোন দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে?
উত্তর: সাম্রাজ্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গি।
১০৫. ‘অসভ্য ভারতবাসী’ তত্ত্বে বিজ্ঞানের অভাবের কথা কেন বলা হয়েছিল?
উত্তর: ব্রিটিশ শাসনকে যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ করতে।
১০৬. মুঘলদের কেন্দ্রীয় শক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানানো প্রথম প্রধান আঞ্চলিক শক্তি কোনটি?
উত্তর: মারাঠা শক্তি।
১০৭. ১৭০৭ সালের পর মুঘল রাজদরবারে কোন ধরনের দ্বন্দ্ব দেখা দেয়?
উত্তর: বিভিন্ন গোষ্ঠী ও আমির-ওমরাহদের মধ্যে ক্ষমতা দখলের লড়াই।
১০৮. কর্নওয়ালিসের শাসনকালে কোন ভূমি ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়?
উত্তর: চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত।
১০৯. ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে ইংরেজি শিক্ষার ভূমিকা কী ছিল?
উত্তর: আধুনিক পাশ্চাত্য ভাবধারার সঙ্গে পরিচয় ঘটানো।
১১০. ঔরঙ্গজেবের পরবর্তী মুঘল সম্রাটদের কী বলা হয়?
উত্তর: পরবর্তী মুঘল সম্রাট (Later Mughals)।
১১১. পলাশির যুদ্ধক্ষেত্রে সিরাজ-উদ-দৌলার পরাজয়ের প্রধান কারণ কী ছিল?
উত্তর: মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা।
১১২. ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কত সালে দেওয়ানি লাভ করে?
উত্তর: ১৭৬৫ সালে।
১১৩. ইতিহাসের পাতায় ‘মীর জাফর’ নামটি কিসের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে?
উত্তর: বিশ্বাসঘাতকতার।
১১৪. সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম কেন ইংরেজদের দেওয়ানি দিয়েছিলেন?
উত্তর: বক্সারের যুদ্ধে পরাজয়ের পর সন্ধি স্থাপনের জন্য।
১১৫. বক্সারের যুদ্ধ কত সালে হয়েছিল?
উত্তর: ১৭৬৪ সালে।
১১৬. ‘দ্বৈত শাসন’ ব্যবস্থা কোথায় প্রবর্তিত হয়েছিল?
উত্তর: বাংলায়।
১১৭. ছিয়াত্তরের মন্বন্তর কত সালে হয়েছিল?
উত্তর: ১১৭৬ বঙ্গাব্দে (১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দ)।
১১৮. ব্রিটিশরা কেন ভারতের ভূমি রাজস্বের ওপর বেশি জোর দিয়েছিল?
উত্তর: কোম্পানির বাণিজ্যিক মুনাফা বৃদ্ধির জন্য।
১১৯. ইতিহাসের পাঠ্যবইয়ে মানচিত্র কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: রাজনৈতিক সীমানা পরিবর্তনের তুলনামূলক বিচার করতে।
১২০. লর্ড ডালহৌসি কোন নীতির মাধ্যমে রাজ্য বিস্তার করেছিলেন?
উত্তর: স্বত্ববিলোপ নীতি।
১২১. ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের একটি কারণ কী?
উত্তর: ব্রিটিশদের চরম শোষণ ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত।
১২২. ভারতের প্রথম ভাইসরয় কে ছিলেন?
উত্তর: লর্ড ক্যানিং।
১২৩. সিপাহি বিদ্রোহের পর ভারতের শাসনভার কার হাতে যায়?
উত্তর: ব্রিটিশ পার্লামেন্ট বা মহারানি ভিক্টোরিয়ার হাতে।
১২৪. ‘মহারানির ঘোষণাপত্র’ কত সালে পাঠ করা হয়?
উত্তর: ১৮৫৮ সালে।
১২৫. ভারতের ইতিহাসে ‘ভিক্টোরিয়া যুগ’ কিসের প্রতীক?
উত্তর: প্রত্যক্ষ ব্রিটিশ শাসনের প্রারম্ভ।
১২৬. জেমস মিলের যুগ বিভাজন কেন সাম্প্রদায়িক বলা হয়?
উত্তর: কারণ তিনি শাসনের ভিত্তি হিসেবে ধর্মকে বেছে নিয়েছিলেন।
১২৭. মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের সময় নাদির শাহ কত সালে ভারত আক্রমণ করেন?
উত্তর: ১৭৩৯ সালে।
১২৮. আহমদ শাহ আবদালি কোন দেশের শাসক ছিলেন?
উত্তর: আফগানিস্তানের।
১২৯. পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধ কত সালে হয়েছিল?
উত্তর: ১৭৬১ সালে।
১৩০. পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধে কারা পরাজিত হয়েছিল?
উত্তর: মারাঠারা।
১৩১. হায়দ্রাবাদ রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
উত্তর: নিজাম-উল-মুলক।
১৩২. অযোধ্যা রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তর: সাদাৎ খাঁ।
১৩৩. শিখ শক্তির উত্থান কার নেতৃত্বে ঘটেছিল?
উত্তর: মহারাজা রণজিৎ সিং।
১৩৪. ব্রিটিশরা পাঞ্জাব দখল করে কার রাজত্বকালে?
উত্তর: লর্ড ডালহৌসির সময়।
১৩৫. টিপু সুলতান কোথাকার শাসক ছিলেন?
উত্তর: মহীশূরের।
১৩৬. টিপু সুলতানের রাজধানী কোথায় ছিল?
উত্তর: শ্রীরঙ্গপত্তনম।
১৩৭. ‘আদালত ও আইন’ সংস্কারে কোন ব্রিটিশ প্রশাসকের নাম জড়িয়ে আছে?
উত্তর: ওয়ারেন হেস্টিংস ও লর্ড কর্নওয়ালিস।
১৩৮. পুলিশি ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ কে করেছিলেন?
উত্তর: লর্ড কর্নওয়ালিস।
১৩৯. কলকাতায় সুপ্রিম কোর্ট কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: ১৭৭৪ সালে।
১৪০. রেগুলেটিং অ্যাক্ট কত সালে পাস হয়েছিল?
উত্তর: ১৭৭৩ সালে।
১৪১. লর্ড ক্লাইভ কোন যুগের ব্যক্তিত্ব ছিলেন?
উত্তর: আধুনিক যুগের।
১৪২. ব্রিটিশরা ভারতীয়দের কেন ‘অসভ্য’ বলত?
উত্তর: তাদের দেশে পাশ্চাত্য বিজ্ঞান ও শিক্ষার অভাব ছিল বলে।
১৪৩. ‘উপনিবেশবাদ’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: একটি অঞ্চলের জনগণ ও সম্পদকে অন্য একটি অঞ্চলের স্বার্থে ব্যবহার করা।
১৪৪. ইতিহাসের উপাদান হিসেবে ‘ফটোগ্রাফ’-এর গুরুত্ব কী?
উত্তর: এটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের চাক্ষুষ প্রমাণ দেয়।
১৪৫. আত্মজীবনী ব্যবহার করার সময় ঐতিহাসিককে কেন সতর্ক থাকতে হয়?
উত্তর: কারণ এটি লেখকের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থেকে লেখা হয়।
১৪৬. ব্রিটিশ নথিতে সিধু-কানহুর পরিচয় কী ছিল?
উত্তর: হাঙ্গামাকারী।
১৪৭. আধুনিক ইতিহাস চর্চায় মানচিত্রের ভূমিকা কী?
উত্তর: ভৌগোলিক সীমানা ও পরিবর্তনের ধারণা দেয়।
১৪৮. জেমস মিল ভারতের ইতিহাসকে কয়টি ভাগে ভাগ করেছেন?
উত্তর: তিনটি (হিন্দু যুগ, মুসলিম যুগ ও ব্রিটিশ যুগ)।
১৪৯. ‘রাজাবলি’ বইটি কোন যুগে শেষ হয়?
উত্তর: কলিযুগের সময়ে।
১৫০. ইতিহাস মানে শুধু সাল-তারিখ নয়, আর কী?
উত্তর: নানা যুক্তি-তর্কের খতিয়ান।
Also Read –
Class 8 History GK Questions and Answers PDF ডাউনলোড
মোবাইল বা কম্পিউটারে সেভ করে অফলাইনে যেকোনো সময় পড়ার জন্য নিচের ‘Download PDF’ বাটনে ক্লিক করে সম্পূর্ণ ১৫০টি প্রশ্নের পিডিএফ ফাইলটি বিনামূল্যে সংগ্রহ করে নিন।
- File Name: Class 8 History GK Solution (অতীত ও ঐতিহ্য)
- File Format: PDF
- Language: Bengali
- Target Exams: School Exams, WBCS, WBP, KP, TET
Kalikolom.com-এর তরফ থেকে প্রতিদিন নতুন জিকে (GK PDF), মক টেস্ট এবং চাকরির পরীক্ষার স্টাডি মেটেরিয়াল সবার আগে পেতে আমাদের টেলিগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ কমিউনিটিতে এখনই যুক্ত হন।
Frequently Asked Questions (FAQs)
অষ্টম শ্রেণির ইতিহাস (অতীত ও ঐতিহ্য) বই থেকে চাকরির পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন আসে?
অষ্টম শ্রেণির ইতিহাস বই থেকে মূলত আধুনিক ভারতের ইতিহাস, ব্রিটিশ শাসন, আঞ্চলিক শক্তির উত্থান, মহাবিদ্রোহ এবং ভারতের সংবিধান থেকে সরাসরি প্রশ্ন আসে, যা WBCS বা WBP-এর মতো যেকোনো পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভারতের সংবিধান কত তারিখে গণপরিষদে গৃহীত হয়?
ভারতের সংবিধান ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
দ্বৈত শাসন’ ব্যবস্থা কোথায় প্রবর্তিত হয়েছিল এবং এর ফল কী হয়েছিল?
‘দ্বৈত শাসন’ ব্যবস্থা বাংলায় প্রবর্তিত হয়েছিল। এর ফলে কোম্পানির হাতে চরম ক্ষমতা আসে কিন্তু দায়িত্ব থাকে নবাবের হাতে, যা শেষ পর্যন্ত ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
জেমস মিল ভারতের ইতিহাসকে কয়টি ভাগে ভাগ করেছিলেন?
ব্রিটিশ ঐতিহাসিক জেমস মিল ভারতের ইতিহাসকে ধর্মের ভিত্তিতে তিনটি ভাগে ভাগ করেছিলেন— হিন্দু যুগ, মুসলিম যুগ ও ব্রিটিশ যুগ।






