WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Subscribe
❤️ ধন্যবাদ সাবস্ক্রাইব করার জন্য!
আমাদের নতুন ভিডিও আপডেট পেতে বেল আইকনটি ক্লিক করতে ভুলবেন না!
চ্যানেল দেখুন

ফণীমনসা ও বনের পরি নাটকের প্রশ্ন উত্তর | বীরু চট্টোপাধ্যায় | Class 5 Bengali (WBBSE)

Digital বোর্ড: বিষয়বস্তু ✦ show

ফণীমনসা ও বনের পরি প্রশ্ন উত্তর PDF | Fonimonosa o Boner Pori Question Answer PDF

ফণীমনসা ও বনের পরি নাটকের প্রশ্ন উত্তর
ফণীমনসা ও বনের পরি নাটকের প্রশ্ন উত্তর

প্রিয় ছাত্রছাত্রীরা, তোমাদের পঞ্চম শ্রেণির বাংলা বইয়ে বীরু চট্টোপাধ্যায়ের লেখা “ফণীমনসা ও বনের পরি” নাটকটি আছে। এই নাটকের শেষে থাকা প্রশ্নগুলোর সহজ ভাষায় উত্তর নিচে দেওয়া হলো। নিচে থেকে PDF-ও ডাউনলোড করে নিতে পারবে।


লেখক পরিচিতি

বীরু চট্টোপাধ্যায় (১৯১৭–১৯৮৪) শিশু ও কিশোর পাঠকদের উপযোগী রহস্য-রোমাঞ্চ কাহিনির লেখক হিসেবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। কয়েক দশক ধরে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় তিনি লিখেছেন। তোমাদের পাঠ্য “ফণীমনসা ও বনের পরি” নাটকটি ‘শিশুসাথী’ পত্রিকা (সংখ্যা ৪৩, বৈশাখ ১৩৭১) থেকে নেওয়া হয়েছে।


নাটকের সংক্ষিপ্ত বিষয়বস্তু

গভীর বনের ভেতরে একটা ছোট্ট ফণীমনসা গাছ ছিল, যার মনে এক ফোঁটাও শান্তি ছিল না। আশেপাশের গাছেদের সুন্দর সুন্দর পাতা দেখে তার নিজের কাঁটাভরা ছুঁচোলো পাতার জন্য খুব দুঃখ হত। একদিন তার কান্না শুনে বনের পরি এসে হাজির হয়, আর ফণীমনসার আবদার মেনে তার পাতা বদলে দেয়। প্রথমে ফণীমনসা পায় সোনার পাতা, কিন্তু ডাকাতদল এসে সেই সোনার পাতা ছিঁড়ে নিয়ে যায়। এরপর সে চায় কাচের পাতা, কিন্তু ঝড় এসে সব কাচের পাতা ভেঙে গুঁড়ো করে দেয়। শেষে সে চায় নরম সবুজ পালং শাকের মতো পাতা, কিন্তু একটা ছাগল এসে সেই পাতা খেয়ে ফেলে তাকে একদম ন্যাড়া করে দেয়। এতসব বিপদের পর ফণীমনসা বুঝতে পারে, নিজের যা আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকা ভালো। শেষে সে আবার তার আগের কাঁটাভরা পাতাই ফিরে চায়, আর বনের পরি তার সেই ইচ্ছাই পূরণ করে দেয়।

ফণীমনসা ও বনের পরি প্রশ্ন উত্তর | Fonimonosa o Boner Pori Question Answer


হাতে কলমে প্রশ্ন উত্তর

১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো

১.১ ফণীমনসা তুমি দেখেছ? কোথায় দেখেছ?
উত্তর: হ্যাঁ, আমি ফণীমনসা দেখেছি। আমাদের বাড়ির পাশে খালি জমিতে এবং গ্রামের রাস্তার ধারে ফণীমনসা গাছ দেখেছি।

১.২ আর কোন কোন গাছ তুমি দেখেছ যাদের কাঁটা আছে?
উত্তর: আরও যেসব গাছে কাঁটা দেখেছি তার মধ্যে আছে গোলাপ, বেল, কুল আর বাবলা গাছ।

১.৩ গাছের কাঁটা কীভাবে তাকে বাঁচায়?
উত্তর: কাঁটা গাছটাকে ছাগল-গরুর মতো তৃণভোজী প্রাণী বা অন্য কোনো ক্ষতিকর প্রাণীর হাত থেকে রক্ষা করে, কারণ কাঁটার ভয়ে প্রাণীরা সহজে সেই গাছের পাতা খেতে চায় না।

১.৪ পরির গল্প তুমি কোথায় পড়েছ?
উত্তর: পরির গল্প আমি রূপকথার বই আর ঠাকুরমার ঝুলিতে পড়েছি।

১.৫ সোনার মতো দামি আর কোন ধাতুর কথা তুমি জানো?
উত্তর: সোনার মতো দামি আরেকটা ধাতুর নাম রুপো, আর এছাড়াও প্ল্যাটিনামও একটা মূল্যবান ধাতু।


২. নীচের এলোমেলো বর্ণগুলি সাজিয়ে শব্দ তৈরি করো

উত্তর:

  • ল ত কা ডা দ → ডাকাতদল
  • ন ণী ফ সা ম → ফণীমনসা
  • রি বি চ্ছি তি কি → বিতিকিচ্ছিরি
  • ক ং পা শা ল → পালংশাক

৩. এলোমেলো শব্দগুলিকে সাজিয়ে ঠিক বাক্যটি লেখো

৩.১ বলো চাও কীরকম তুমি পাতা।
উত্তর: তুমি কীরকম পাতা চাও বলো।

৩.২ হয়েছে তো সুবুদ্ধি তোমার এই।
উত্তর: এই তো তোমার সুবুদ্ধি হয়েছে।

৩.৩ না আর পাতা চাই সোনার।
উত্তর: সোনার পাতা আর চাই না।


৪. নীচের শব্দগুলোর একই অর্থ বোঝায় এমন শব্দ নাটকে ছড়িয়ে আছে, নাটক থেকে খুঁজে নিয়ে লেখো

উত্তর:

শব্দনাটকের সমার্থক শব্দ
বিশ্রীবিতিকিচ্ছিরি
অনেকঅজস্র
অবস্থাহাল
বল্লমবর্শা
ভাগ্যবরাত
গর্বদেমাক
হঠাৎসহসা
ভীষণভয়ানক
প্রতিজ্ঞাপণ
সমস্তবেবাক
আবদারবায়নাক্কা
শরীরঅঙ্গ
তবে তাই হোকতথাস্তু
কঙ্কালসারহাড়-জিরজিরে

৫. নীচের বাক্যগুলির দাগ-দেওয়া প্রতিটি অংশই কোনো না কোনো আওয়াজ বোঝায়। এমন অনেক শব্দ নাটকে ছড়িয়ে আছে, খুঁজে বের করে লেখো

দুটি দেওয়া আছে — কচকচ, পত পত পত

উত্তর: আরও কিছু শব্দ — মট মট মট, শোঁ-শোঁ, হু-হু, ঝন-ঝন


৬. মুখে বললে, নীচের দাগ-দেওয়া শব্দগুলো কীভাবে বলবে, লেখো

উত্তর:

  • তোমায় স্মরি — তোমাকে স্মরণ করি
  • করুণা করি বাঁচাও — করুণা করে বাঁচাও

৭. দাগ-দেওয়া অংশে সমার্থক শব্দ বসিয়ে নীচের বাক্যগুলি আবার লেখো

(শব্দঝুড়ি: অবিরাম, অবস্থা, গগন, যন্ত্রণা, চারাগাছ, প্রবল, আরম্ভ)

৭.১ আহা-হা ব্যথায় মরি।
উত্তর: আহা-হা যন্ত্রণায় মরি।

৭.২ শুরু হলো কচি গাছের অঝোর কান্না।
উত্তর: আরম্ভ হলো চারাগাছের অবিরাম কান্না।

৭.৩ ডাকাতেরা আমার কী হাল করে রেখে গেছে।
উত্তর: ডাকাতেরা আমার কী অবস্থা করে রেখে গেছে।

৭.৪ আকাশ দিয়ে ধেয়ে এল দুর্দান্ত ঝড়।
উত্তর: গগন দিয়ে ধেয়ে এল প্রবল ঝড়।


৮. নীচের বাক্যগুলিতে দাগ-দেওয়া অংশগুলি আর কীভাবে লিখতে পারো?

(শব্দঝুড়ি: গর্বে বুক ভরে ওঠে, লোভ জাগছে, মাফ করে দাও, হিংসায় জ্বলে ওঠে)

৮.১ মন তার রি রি করে ওঠে।
উত্তর: মন তার হিংসায় জ্বলে ওঠে।

৮.২ ছোট্ট গাছটির এবার দেমাকে যেন মাটিতে পা পড়ে না।
উত্তর: ছোট্ট গাছটির এবার গর্বে বুক ভরে ওঠে।

৮.৩ জিবে জল ঝরছে তোরে পেয়ে গো।
উত্তর: লোভ জাগছে তোরে পেয়ে গো।

৮.৪ ঘাট হয়েছে কানে ধরি।
উত্তর: মাফ করে দাও কানে ধরি।


৯. ‘কাচ-ফাচ আর চাই না’ — এই বাক্যে পরপর দুটো শব্দ বসেছে, যেখানে দ্বিতীয় শব্দটির তেমন কোনো মানে নেই। এরকম শব্দ তুমি আর কটা লিখতে পারো?

একটা উদাহরণ দেওয়া আছে — কাপড়-চোপড়

উত্তর: জামা-টামা, খাবার-দাবার, জল-টল, বই-টই, হাত-টাত


১০. ‘ছাগল খেয়ে ফেলেছিল কচি কচি পালং পাতা’ — দাগ দেওয়া অংশে একটা শব্দ পরপর দুবার ব্যবহার করে একের জায়গায় অনেক বোঝানো হয়েছে। এরকম আর কটা শব্দ তুমি লিখতে পারবে?

উত্তর: কেঁদে কেঁদে, ছিঁড়ে ছিঁড়ে, খেয়ে খেয়ে, গুঁড়ো গুঁড়ো


১১. নীচের শব্দগুলির বিপরীতার্থক শব্দগুলি নাটকেই আছে। শব্দগুলি খুঁজে বার করে বাক্য রচনা করো

উত্তর:

  • দুর্বুদ্ধি (সুবুদ্ধি) — সবার পরামর্শ শুনে তার সুবুদ্ধি হলো।
  • দুঃখ (সুখ) — পরিবারে সবাই মিলেমিশে থাকলে সুখ আসে।
  • অসন্তুষ্ট (সন্তুষ্ট) — পরীক্ষার ফল দেখে শিক্ষক খুব সন্তুষ্ট হলেন।
  • অল্প (বেশি) — খেলার পর তার বেশি খিদে পেয়ে গেল।
  • অসুন্দর (সুন্দর) — বাগানের ফুলগুলো দেখতে খুব সুন্দর।
  • বুড়ো (জোয়ান) — জোয়ান ছেলেরা মিলে ভারী বাক্সটা তুলল।

১২. ‘মৃদুমন্দ বাতাস’ শব্দটির মানে ‘হালকা হাওয়া’ আর ‘মন্দ’ কথাটা সাধারণত ‘খারাপ’ অর্থে ব্যবহার হয়। দু’টো অর্থেই দু’টো বাক্য লেখো

উত্তর:

  • মন্দ (মৃদু অর্থে) — সন্ধেবেলা মন্দ মন্দ বাতাস বইছিল।
  • মন্দ (খারাপ অর্থে) — সে মোটেও মন্দ ছেলে নয়, বরং খুব ভালো।

১৩. নীচের শব্দগুলি দিয়ে বাক্য লেখো

উত্তর:

  • ওলটপালট — প্রবল ঝড়ে গ্রামের অনেক বাড়ির চাল ওলটপালট হয়ে গেল।
  • দুর্দান্ত — খেলোয়াড়টি দুর্দান্ত গতিতে বল নিয়ে ছুটে গেল।
  • ঝিকিমিকি — রাতের আকাশে তারাগুলো ঝিকিমিকি করছিল।
  • স্বচক্ষে — এমন সুন্দর দৃশ্য আমি আগে কখনো স্বচক্ষে দেখিনি।
  • দুর্দশা — বন্যার পরে গ্রামের মানুষদের ভীষণ দুর্দশা শুরু হলো।

১৪. কোনটি কী ধরনের বাক্য লেখো

১৪.১ আ! কি শান্তি!
উত্তর: বিস্ময়সূচক বাক্য

১৪.২ পাতা পালটাতে চাও?
উত্তর: প্রশ্নবোধক বাক্য

১৪.৩ সোনার পাতা আর চাই না।
উত্তর: নেতিবাচক বাক্য

১৪.৪ বেশ তাই হোক! তথাস্তু!
উত্তর: আবেগসূচক বাক্য

১৪.৫ এবার তুমি আমায় কাচের পাতা দাও।
উত্তর: অনুজ্ঞাসূচক বাক্য


১৫. ছোটো ছোটো বাক্যে ভেঙে লেখো

১৫.১ কাচের পাতার ওপর সূর্যের কিরণ পড়ে রামধনু রং ঝিকিমিকি খেতে লাগল।
উত্তর: কাচের পাতার ওপর সূর্যের কিরণ পড়ল। তার ফলে রামধনু রং ঝিকিমিকি খেতে লাগল।

১৫.২ পরি অদৃশ্য হতেই ফণীমনসার গা ভরে দেখা দিল কচি নরম পাতা।
উত্তর: পরি অদৃশ্য হয়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে ফণীমনসার গা ভরে কচি নরম পাতা দেখা দিল।

১৫.৩ ডাকাতরা সব সোনার পাতা ছিঁড়ে নিয়ে পোঁটলা বেঁধে ওকে একেবারে ন্যাড়া করে রেখে গেল।
উত্তর: ডাকাতরা সোনার পাতাগুলো ছিঁড়ে নিল। পাতাগুলো পোঁটলায় বেঁধে ফেলল। গাছটাকে একেবারে ন্যাড়া করে রেখে গেল।

১৫.৪ ভয়ানক ঝড়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই ফণীমনসা গাছের সমস্ত পাতা ছড়িয়ে পড়ে গেল।
উত্তর: ভয়ানক ঝড় এল। এর ফলে কিছুক্ষণের মধ্যেই ফণীমনসা গাছের সমস্ত পাতা ছড়িয়ে পড়ে গেল।


১৬. পাশাপাশি ছোটো ছোটো বাক্যগুলি যোগ করে একটি বাক্য তৈরি করো

১৬.১ একসময় ঝড় থামল। আর শুরু হল বাচ্চা গাছের অঝোর কান্না।
উত্তর: একসময় ঝড় থেমে গেলে শুরু হলো বাচ্চা গাছের অঝোর কান্না।

১৬.২ এমন সময়ে সে পথ দিয়ে যাচ্ছিল বনের পরি। ওর কান্না শুনে থমকে দাঁড়াল সে।
উত্তর: সে পথ দিয়ে যাওয়ার সময় বনের পরি ওর কান্না শুনে থমকে দাঁড়াল।

১৬.৩ গভীর বন। তার ভেতরে ছোট্ট একটি ফণীমনসা গাছ। গাছটির মনে কিন্তু এক ফোঁটাও শান্তি নেই।
উত্তর: গভীর বনের ভেতরে ছোট্ট একটি ফণীমনসা গাছের মনে কিন্তু এক ফোঁটাও শান্তি ছিল না।

১৬.৪ ছোট্ট গাছটির এবার দেমাকে যেন মাটিতে পা পড়ে না। মৃদুমন্দ বাতাসে হেলতে দুলতে লাগল সে মজা করে।
উত্তর: ছোট্ট গাছটি দেমাকে মাটিতে পা না ফেলে মৃদুমন্দ বাতাসে মজা করে হেলতে-দুলতে লাগল।


১৭. আরও বিশেষণ যোগ করতে পারো?

একটা তোমার জন্য করা রইল — কচি নরম সবুজ পাতা

উত্তর:

  • কাঁটাওয়ালা ধারালো ছোট্ট গাছ
  • লিকলিকে রোগা ন্যাড়া চেহারা
  • শক্তিশালী ভয়ংকর জোয়ান ডাকাত
  • ফুটফুটে সুন্দর ছোট্ট মেয়ে

১৮. পাশে যেভাবে বলা আছে, সেই অনুযায়ী নীচের বাক্যগুলি বদলে আবার লেখো

১৮.১ আকাশ দিয়ে ধেয়ে এল দুর্দান্ত ঝড়। (ঝড় আগামীকাল এলে কী লিখবে?)
উত্তর: আগামীকাল আকাশ দিয়ে ধেয়ে আসবে দুর্দান্ত ঝড়।

১৮.২ বলতে দেরি আছে কিন্তু নিতে দেরি নেই। (কথাগুলো গতকাল হয়েছে বলতে হলে যেভাবে লিখবে)
উত্তর: বলতে দেরি হয়েছিল কিন্তু নিতে দেরি হয়নি।

১৮.৩ সে-পথ দিয়ে যাচ্ছিল বনের পরি। (কথাগুলো এখনই বলা হচ্ছে, এমন হলে কী লিখবে?)
উত্তর: সে-পথ দিয়ে যাচ্ছে বনের পরি।


১৯. একটি বাক্যে উত্তর দাও

১৯.১ ছোট্ট ফণীমনসা গাছের মনে শান্তি ছিল না কেন?
উত্তর: আশেপাশের গাছেদের সুন্দর পাতার তুলনায় নিজের ছুঁচোলো কাঁটাভরা পাতা দেখে ফণীমনসা গাছের মনে শান্তি ছিল না।

১৯.২ ফণীমনসা গাছের আশেপাশের গাছগুলোর পাতা কেমন ছিল?
উত্তর: ফণীমনসা গাছের আশেপাশের গাছগুলোর পাতা ছিল সুন্দর।

১৯.৩ ফণীমনসা বারে বারে পাতাগুলো পালটে দেওয়ার আবেদন কার কাছে করছিল?
উত্তর: ফণীমনসা বারে বারে পাতা পালটে দেওয়ার আবেদন বনের পরির কাছে করছিল।

১৯.৪ প্রথমবারের আবেদনে ফণীমনসার গাছ জুড়ে কেমন পাতা হয়েছিল?
উত্তর: প্রথমবারের আবেদনে ফণীমনসার গাছ জুড়ে ঝলমলে সোনার পাতা হয়েছিল।

১৯.৫ সে সব পাতা ফণীমনসা হারালো কী করে?
উত্তর: ডাকাতদল সোনার পাতাগুলো দেখে সেগুলো ছিঁড়ে পোঁটলায় বেঁধে নিয়ে যাওয়ায় ফণীমনসা তার সোনার পাতা হারায়।

১৯.৬ ডাকাতদলকে দেখতে কেমন?
উত্তর: ডাকাতদলকে দেখতে ছিল জোয়ান, কানে জবাফুল গোঁজা এবং বাবরি চুলওয়ালা।

১৯.৭ ঝড় এলে ফণীমনসা গাছের কাচের পাতার কী অবস্থা হলো?
উত্তর: ভয়ানক ঝড়ে ফণীমনসার সব কাচের পাতা ধাক্কা খেয়ে খেয়ে গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে গেল।

১৯.৮ ছোট্ট ফণীমনসা গাছের দেমাকে মাটিতে পা পড়ছিল না কেন?
উত্তর: বনের পরির আশীর্বাদে সুন্দর সবুজ পালং শাকের মতো নরম পাতা পাওয়ায় গর্বে ফণীমনসার দেমাকে মাটিতে পা পড়ছিল না।

১৯.৯ সেই দেমাক তার ভেঙে গেল কীভাবে?
উত্তর: একটা ছাগল এসে ফণীমনসার কচি সবুজ পাতাগুলো কচকচ করে খেয়ে ফেলায় তার দেমাক ভেঙে গেল।

১৯.১০ শেষ পর্যন্ত ফণীমনসা কেমন পাতা চাইল নিজের জন্য?
উত্তর: শেষ পর্যন্ত ফণীমনসা তার আগের সেই কাঁটাভরা ছুঁচোলো পাতাই আবার নিজের জন্য চাইল।


২০. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও

২০.১ ‘বাচ্চা গাছটি তো মহা খুশি। আনন্দে ডগমগ’ — এত আনন্দ কখন হলো বাচ্চা গাছের?
উত্তর: আশেপাশের গাছেদের সুন্দর পাতার তুলনায় নিজের কাঁটাভরা পাতা দেখে ফণীমনসা গাছ কষ্ট পেয়ে কাঁদছিল। তার কান্না শুনে বনের পরি এসে তার আবদার মেনে গাছটাকে ঝলমলে সোনার পাতায় ভরিয়ে দেয়। সোনার পাতা পেয়ে বাচ্চা গাছটি তখন মহা খুশি হয়ে আনন্দে ডগমগ হয়ে ওঠে।

২০.২ ফণীমনসা গাছ কাচের পাতায় ভরে ওঠবার পরে তার চেহারাটি কেমন হয়েছিল?
উত্তর: কাচের পাতায় ভরে ওঠার পর ফণীমনসা গাছের সারা অঙ্গ ঝলমলিয়ে উঠল। কাচের পাতার ওপর সূর্যের কিরণ পড়ে রামধনুর মতো নানা রঙে ঝিকিমিকি করতে লাগল, আর মৃদুমন্দ বাতাসের দোলায় সেখান থেকে মধুর টুং-টাং শব্দ হতে লাগল।

২০.৩ মৃদু বাতাসে মনের আনন্দে দুলছে ফণীমনসা, এমন সময় ছাগল এসে উপস্থিত হওয়ায় কী ঘটল?
উত্তর: নরম সবুজ পালং শাকের মতো পাতা পেয়ে মৃদু বাতাসে আনন্দে দুলছিল ফণীমনসা। ঠিক তখনই একটা ছাগল এসে হাজির হয়, আর তার কচি সবুজ পাতা দেখে ছাগলের লোভ জাগে। ছাগলটা কচকচ করে সব পাতা খেয়ে ফণীমনসাকে একদম ন্যাড়া করে দিয়ে চলে যায়।

২০.৪ ছোট্ট গাছটি সত্যিই কি খুব শিক্ষা পেল বলে মনে হচ্ছে তোমার? কেমন সে শিক্ষা?
উত্তর: হ্যাঁ, আমার মনে হয় ছোট্ট গাছটি সত্যিই বড়ো একটা শিক্ষা পেয়েছিল। যতবারই সে অন্যের রূপ দেখে নিজেকে বদলাতে চেয়েছে, ততবারই সে নতুন বিপদে পড়েছে। শেষে সে বুঝতে পারে, নিজের যা কিছু আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকা উচিত, অন্যকে দেখে লোভ বা হিংসা করে তার মতো হওয়ার চেষ্টা করলে বিপদই বাড়ে।


২১. বিদ্যালয়ের কোনো অনুষ্ঠানে নাটকটির অভিনয় করো (শ্রেণিকক্ষে শ্রুতি-অভিনয়ও করতে পারো)

(এটা তোমার নিজের করার প্রশ্ন। বন্ধুদের সাথে দল বেঁধে সূত্রধার, ফণীমনসা, বনের পরি, ডাকাতদল, ঝড় ও ছাগল — এই চরিত্রগুলো ভাগ করে নিয়ে নাটকটি অভিনয় করে দেখাও, অথবা শুধু কথা বলে শ্রুতি-অভিনয়ও করতে পারো।)


শব্দার্থ

শব্দঅর্থ
আপশোশআক্ষেপ
বিতিকিচ্ছিরিকুৎসিত
তথাস্তুতবে তাই হোক
রামধনুমেঘ থেকে ঝরে পড়া জলের কণায় সূর্যের আলোয় আকাশে ধনুকের মতো নানা রঙের যে প্রতিবিম্ব তৈরি হয়
মৃদুমন্দআলতো ও মধুর
স্মরিমনে করি
স্বচক্ষেনিজের চোখে
বায়নাক্কাআবদার

ফণীমনসা ও বনের পরি প্রশ্ন উত্তর প্রশ্ন উত্তর PDF ডাউনলোড লিংক নিচে দেওয়া হয়েছে।

Filea Details:

  • PDF Name: Fonimonosa o Boner Pori Question Answer
  • Language: Bengali
  • Size: 1.2MB
  • Total Pages: 10

Download Fonimonosa o Boner Pori Question Answer PDF


লেখক পরিচিতি

আফতাব রহমান — KaliKolom.com এর প্রতিষ্ঠাতা

আফতাব রহমান

Aftab Rahaman

প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান লেখক, KaliKolom.com

আফতাব রহমান KaliKolom.com-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং গত ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স, ইতিহাস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছেন। তাঁর লেখার মূল দর্শন হলো — জটিল বিষয়কে সহজ, স্পষ্ট ও পরীক্ষামুখী ভাষায় উপস্থাপন করা, যাতে শিক্ষার্থীরা দ্রুত শিখতে পারে এবং দীর্ঘদিন মনে রাখতে পারে।

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ইতিহাস চাকরির প্রস্তুতি জেনারেল নলেজ
লেখকের সাথে যুক্ত থাকুন

Leave a Comment

Join Telegram