Class 8 Geography GK Questions and Answers IN BENGALI | অষ্টম শ্রেণীর ভূগোল প্রশ্ন ও উত্তর
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE) অনুমোদিত অষ্টম শ্রেণীর ভূগোল পাঠ্যবই “আমাদের পৃথিবী” (যা NCF 2005 ও RTE Act 2009-এর নীতি মেনে রচিত) হলো ফিজিক্যাল জিওগ্রাফি বা প্রাকৃতিক ভূগোলের এক অনবদ্য ভাণ্ডার।
স্কুল স্তরের পরীক্ষা হোক বা WBCS, WBP, PSC-এর মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা— পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন, পাত সংস্থান, শিলা, বায়ুচাপ, বৃষ্টিপাত এবং বিভিন্ন মহাদেশ (উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, ওশেনিয়া) থেকে প্রচুর জিকে (GK) প্রশ্ন সরাসরি এই বই থেকেই আসে।
ছাত্রছাত্রী এবং চাকরিপ্রার্থীদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে, সম্পূর্ণ পাঠ্যবইটির ১১টি অধ্যায় খুঁটিয়ে বিশ্লেষণ করে আমরা ১৬০টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর প্রস্তুত করেছি। অফলাইনে পড়ার জন্য পোস্টের শেষে Class 8 Geography GK PDF ডাউনলোডের লিংক দেওয়া হয়েছে।
📌 একনজরে বেসিক ভূগোল জিকে (Quick Facts):
- শিয়াল স্তর: সিলিকা ও অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে গঠিত।
- সিমা স্তর: সিলিকা ও ম্যাগনেসিয়াম দিয়ে গঠিত।
- ভূমিকম্প মাপার স্কেল: রিখটার স্কেল।
- পৃথিবীর ফুসফুস: অ্যামাজন অববাহিকার সেলভা অরণ্য।
অধ্যায় ১: পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন
১. পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কত?
উত্তর: প্রায় ৬,৩৭১ কিমি।
২. পৃথিবীর কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছানো সম্ভব নয় কেন?
উত্তর: প্রচণ্ড উত্তাপ ও চাপের কারণে কেন্দ্র পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব নয়। পৃথিবীর গভীরতম খনি দক্ষিণ আফ্রিকার রোবিনসন ডিপ (প্রায় ৩-৪ কিমি)।
৩. ভূ-তাপীয় শক্তি (Geothermal Energy) কাকে বলে?
উত্তর: পৃথিবীর ভূগর্ভের ভেতরের তাপশক্তিকে ভূ-তাপীয় শক্তি বলা হয়।
৪. ম্যাগমা (Magma) কী?
উত্তর: ভূগর্ভের তাপে ও চাপে তরল ও গলিত খনিজের মিশ্রণকে ম্যাগমা বলে।
৫. লাভা (Lava) কী?
উত্তর: অগ্ন্যুৎপাতের সময় ম্যাগমা ভূ-পৃষ্ঠের বাইরে বেরিয়ে এলে তাকে লাভা বলে।
৬. অ্যাস্থেনোস্ফিয়ার (Asthenosphere) কী?
উত্তর: গুরুমন্ডলের ওপরের অংশে অবস্থিত নমনীয় ও সান্দ্র শিলাস্তরকে অ্যাস্থেনোস্ফিয়ার বলে, যার ওপর পাতগুলো ভাসমান।
৭. ভূত্বক (Crust) কাকে বলে?
উত্তর: পৃথিবীর সবচেয়ে বাইরের পাতলা ও কঠিন শিলার আস্তরণকে ভূত্বক বলে।
৮. শিয়াল (SIAL) কী কী উপাদানে গঠিত?
উত্তর: সিলিকা (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al)। এটি মহাদেশীয় ভূত্বক গঠন করে।
৯. সিমা (SIMA) কী কী উপাদানে গঠিত?
উত্তর: সিলিকা (Si) ও ম্যাগনেসিয়াম (Ma)। এটি মহাসাগরীয় ভূত্বক গঠন করে।
১০. কনরাড বিযুক্তি রেখা কাকে বলে?
উত্তর: শিয়াল ও সিমা স্তরের মধ্যবর্তী বিযুক্তি রেখাকে কনরাড বিযুক্তি রেখা বলে।
১১. মোহোরোভিসিক বিযুক্তি (Moho) কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: ভূত্বক ও গুরুমন্ডলের সীমান্তে অবস্থিত।
১২. গুরুমন্ডল (Mantle) কত কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত?
উত্তর: ভূত্বকের নিচ থেকে প্রায় ২,৯০০ কিমি গভীরতা পর্যন্ত বিস্তৃত।
১৩. ক্রফেসিমা (CROFESIMA) কী?
উত্তর: গুরুমন্ডলের বহিঃঅংশ, যা ক্রোমিয়াম, লোহা, সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম দিয়ে গঠিত (৩০-৭০০ কিমি গভীর)।
১৪. নিফেসিমা (NIFESIMA) কী?
উত্তর: গুরুমন্ডলের অন্তঃঅংশ, যা নিকেল, লোহা, সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম দিয়ে গঠিত (৭০০-২৯০০ কিমি)।
১৫. নিফে (NIFE) কী?
উত্তর: কেন্দ্রমন্ডল নিকেল (Ni) ও লোহা (Fe) দ্বারা গঠিত বলে একে ‘নিফে’ বলে।
অধ্যায় ২: অস্থিত পৃথিবী (পাত সংস্থান ও ভূ-আলোড়ন)
১৬. মহীসঞ্চরণ তত্ত্বের (Continental Drift) প্রবক্তা কে?
উত্তর: আলফ্রেড ওয়েগনার (১৯১২ সাল)।
১৭. প্যানজিয়া (Pangaea) কী?
উত্তর: অতীতে পৃথিবীর সব মহাদেশ একত্রে যুক্ত হয়ে গঠিত বিশাল একক মহাদেশকে প্যানজিয়া বলা হতো।
১৮. প্যানথালাসা (Panthalassa) কী?
উত্তর: প্যানজিয়াকে বেষ্টন করে থাকা প্রাচীন একক মহাসাগরকে প্যানথালাসা বলা হতো।
১৯. পাত সংস্থান তত্ত্বের (Plate Tectonics) জনক কাকে বলা হয়?
উত্তর: পিচোঁ (Le Pichon) ও তুজো উইলসন।
২০. অভিসারী বা বিনাশকারী পাত সীমানা কাকে বলে?
উত্তর: দুটি পাত যখন একে অপরের দিকে এগিয়ে এসে ধাক্কা খায়, তখন ভারী পাতটি নিচে চলে যায় ও বিনষ্ট হয়।
২১. অপসারী বা সৃষ্টিশীল পাত সীমানা কাকে বলে?
উত্তর: দুটি পাত যখন একে অপরের বিপরীত দিকে সরে যায় এবং নতুন ভূত্বক গঠন করে।
২২. নিরপেক্ষ পাত সীমানা কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: সান আন্দ্রেস চ্যুতির (San Andreas Fault) সমান্তরালে।
২৩. ভূমিকম্পের কেন্দ্র (Focus) কাকে বলে?
উত্তর: ভূগর্ভের যে স্থানে ভূমিকম্পের প্রথম সৃষ্টি হয়।
২৪. ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র (Epicenter) কাকে বলে?
উত্তর: কেন্দ্রের ঠিক সোজাসুজি ভূ-পৃষ্ঠের ওপরের বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে।
২৫. ভূমিকম্পের তরঙ্গের প্রকারভেদ কী কী?
উত্তর: P-তরঙ্গ (Primary), S-তরঙ্গ (Secondary), এবং L-তরঙ্গ (Surface wave)।
২৬. কোন ভূমিকম্প তরঙ্গ সবচেয়ে দ্রুতগামী?
উত্তর: P-তরঙ্গ (প্রাথমিক তরঙ্গ)।
২৭. ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র ও স্কেলের নাম কী?
উত্তর: যন্ত্রের নাম সীসমোগ্রাফ (Seismograph) এবং স্কেলের নাম রিখটার স্কেল (Richter Scale)।
২৮. সক্রিয় বা জীবন্ত আগ্নেয়গিরির উদাহরণ দাও।
উত্তর: ইতালির ভিসুভিয়াস, এটনা এবং ভারতের ব্যারেন দ্বীপ।
২৯. প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্নিবলয় (Pacific Ring of Fire) কী?
উত্তর: প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলে যে বৃত্তাকার অঞ্চলে পৃথিবীর অধিকাংশ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি অবস্থিত।
৩০. সুনামি (Tsunami) কী?
উত্তর: সমুদ্রগর্ভে ভূমিকম্প বা অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট বিশাল সমুদ্রতরঙ্গ।
অধ্যায় ৩: শিলা
৩১. শিলা কাকে বলে?
উত্তর: ভূত্বক গঠনকারী বিভিন্ন খনিজের প্রাকৃতিক মিশ্রণকে শিলা বলে।
৩২. উৎপত্তি অনুযায়ী শিলা কত প্রকার ও কী কী?
উত্তর: ৩ প্রকার— আগ্নেয় শিলা, পাললিক শিলা ও রূপান্তরিত শিলা।
৩৩. প্রাথমিক শিলা (Primary Rock) কাকে বলে এবং কেন?
উত্তর: আগ্নেয় শিলাকে; কারণ এটি পৃথিবীতে প্রথম তৈরি হয়েছিল।
৩৪. নিঃসারী আগ্নেয় শিলার উদাহরণ দাও।
উত্তর: ব্যাসাল্ট।
৩৫. উদ্ভেদী আগ্নেয় শিলার উদাহরণ দাও।
উত্তর: গ্রানাইট।
৩৬. ব্যাসাল্ট শিলা রূপান্তরিত হয়ে কীসে পরিণত হয়?
উত্তর: অ্যাম্ফিবোলাইট।
৩৭. গ্রানাইট শিলা রূপান্তরিত হয়ে কী হয়?
উত্তর: নিস (Gneiss)।
৩৮. পাললিক শিলা (Sedimentary Rock) কীভাবে গঠিত হয়?
উত্তর: পলি, বালি, কাদা স্তরে স্তরে জমাট বেঁধে গঠিত হয়।
৩৯. জীবাশ্ম (Fossil) কোন শিলায় দেখা যায়?
উত্তর: কেবল পাললিক শিলায়।
৪০. স্তরীভূত শিলা কাকে বলে?
উত্তর: পাললিক শিলাকে, কারণ এটি স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়।
৪১. বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কীসে পরিণত হয়?
উত্তর: কোয়ার্টজাইট।
৪২. চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে কী গঠন করে?
উত্তর: মার্বেল।
৪৩. কাদা পাথর রূপান্তরিত হয়ে কী হয়?
উত্তর: স্লেট।
৪৪. কয়লা রূপান্তরিত হয়ে কীসে পরিণত হয়?
উত্তর: গ্রাফাইট।
৪৫. শিলাচক্র (Rock Cycle) কী?
উত্তর: শিলার ক্রমাগত রূপান্তর চক্রাকার প্রক্রিয়াকে শিলাচক্র বলে।
🔗 আরো পড়ুন:
অধ্যায় ৪: চাপবলয় ও বায়ুপ্রবাহ
৪৬. পৃথিবীতে মোট কয়টি প্রধান বায়ুচাপবলয় রয়েছে?
উত্তর: ৭টি (১টি নিরক্ষীয় নিম্নচাপবলয়, ২টি উপক্রান্তীয় উচ্চচাপবলয়, ২টি উপমেরু নিম্নচাপবলয়, ২টি মেরু উচ্চচাপবলয়)।
৪৭. নিরক্ষীয় শান্তবলয় বা ডোলড্রামস (Doldrums) কী?
উত্তর: নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° উত্তর থেকে ৫° দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে যেখানে বায়ুর অনুভূমিক প্রবাহ বোঝা যায় না।
৪৮. অশ্ব অক্ষাংশ (Horse Latitudes) কাকে বলে?
উত্তর: ২৫° থেকে ৩৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশে অবস্থিত শান্ত অঞ্চলকে।
৪৯. সমচাপ রেখা (Isobar) কাকে বলে?
উত্তর: ভূ-পৃষ্ঠের সমান বায়ুচাপযুক্ত স্থানগুলোকে সংযোগকারী রেখা।
৫০. কোরিয়োলিস বল (Coriolis Force) কী?
উত্তর: পৃথিবীর আবর্তনগতির ফলে সৃষ্ট যে বল বায়ুর দিকবিক্ষেপ ঘটায়।
৫১. ফেরেলের সূত্র (Ferrel’s Law) কী?
উত্তর: উত্তর গোলার্ধে বায়ু ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়।
৫২. বাইজ ব্যালাট সূত্র কী?
উত্তর: উত্তর গোলার্ধে বায়ুর দিকে পিঠ দিয়ে দাঁড়ালে ডানদিকে উচ্চচাপ এবং বামদিকে নিম্নচাপ থাকে।
৫৩. নিয়ত বায়ু কত প্রকার ও কী কী?
উত্তর: ৩ প্রকার— অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু।
৫৪. বাণিজ্য বায়ু (Trade Winds) কাকে বলা হয়?
উত্তর: অয়ন বায়ুকে।
৫৫. গর্জনশীল চল্লিশা (Roaring Forties) কী?
উত্তর: ৪০° দক্ষিণ অক্ষাংশে প্রবাহিত প্রবল গতিসম্পন্ন পশ্চিমা বায়ু।
৫৬. ক্রোধোন্মত্ত পঞ্চাশ (Furious Fifties) কী?
উত্তর: ৫০° দক্ষিণ অক্ষাংশের প্রচণ্ড গতিসম্পন্ন পশ্চিমা বায়ু।
৫৭. সাময়িক বায়ুর দুটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: সমুদ্রবায়ু ও স্থলবায়ু (এছাড়া মৌসুমি বায়ু)।
৫৮. স্থানীয় বায়ু ‘লু’ (Loo) কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: ভারতের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম সমভূমি অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে।
৫৯. চিনুক (Chinook) শব্দের অর্থ কী এবং এটি কোথায় প্রবাহিত হয়?
উত্তর: ‘তুষার ভক্ষক’; রকি পার্বত্য অঞ্চলের পূর্ব ঢালে।
৬০. সিরাক্কো ও খামসিন কী?
উত্তর: স্থানীয় উষ্ণ বায়ু (সাহারা মরুভূমি অঞ্চল)।
অধ্যায় ৫: মেঘ ও বৃষ্টিপাত
৬১. সংপৃক্ত বায়ু (Saturated Air) কাকে বলে?
উত্তর: যে বায়ুতে নির্দিষ্ট উষ্ণতায় সর্বোচ্চ পরিমাণ জলীয় বাষ্প থাকে।
৬২. আপেক্ষিক আর্দ্রতা (Relative Humidity) কীসে প্রকাশ করা হয়?
উত্তর: শতাংশে (%)।
৬৩. শিশিরাঙ্ক (Dew Point) কাকে বলে?
উত্তর: যে উষ্ণতায় বায়ু জলীয় বাষ্প দ্বারা সম্পূর্ণ সংপৃক্ত হয়।
৬৪. ঘনীভবন (Condensation) কী?
উত্তর: জলীয় বাষ্প ঠান্ডা হয়ে তরল জলে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়া।
৬৫. উঁচুতে অবস্থিত পালকের মতো সাদা মেঘের নাম কী?
উত্তর: সিররাস (Cirrus)।
৬৬. কোন মেঘকে ‘বজ্রমেঘ’ (Thundercloud) বলা হয়?
উত্তর: কিউমুলোনিমবাস (Cumulonimbus)।
৬৭. বৃষ্টিপাতের প্রধান ৩টি প্রকার কী কী?
উত্তর: পরিচলন বৃষ্টি, শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি এবং ঘূর্ণবৃষ্টি।
৬৮. পরিচলন বৃষ্টিপাত কোথায় সবচেয়ে বেশি হয়?
উত্তর: নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে (প্রতিদিন বৈকালে, যাকে 4 o’clock rain বলা হয়)।
৬৯. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত (Orographic Rainfall) কীভাবে ঘটে?
উত্তর: জলীয় বাষ্পপূর্ণ বায়ু পর্বতে বাধা পেয়ে ওপরে উঠে ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়।
৭০. প্রতিবাত ঢাল ও অনুবাদ ঢাল কী?
উত্তর: পর্বতের যে ঢালে বায়ু ধাক্কা খেয়ে বৃষ্টি ঘটায় তা প্রতিবাত ঢাল, আর বিপরীত শুকনো ঢালটি অনুবাদ ঢাল।
৭১. বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল (Rain Shadow Region) কোথায় সৃষ্টি হয়?
উত্তর: পর্বতের অনুবাদ ঢালে (যেমন— ভারতের শিলং, দাক্ষিণাত্যের মালভূমির পূর্ব ঢাল)।
৭২. ঘূর্ণবাত (Cyclone) কাকে বলে?
উত্তর: কেন্দ্রে প্রবল নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ থাকলে দ্রুত বেগে ঘূর্ণাকারে প্রবাহিত বায়ু।
৭৩. প্রতিপ ঘূর্ণবাত (Anticyclone)-এর কেন্দ্রের চাপ কেমন থাকে?
উত্তর: কেন্দ্রে উচ্চচাপ এবং চারপাশে নিম্নচাপ থাকে (পরিষ্কার আবহাওয়া তৈরি করে)।
৭৪. বৃষ্টিপাত মাপার যন্ত্রের নাম কী?
উত্তর: রেইন গাজ (Rain Gauge)।
৭৫. কুয়াশা (Fog) ও ধোঁয়াশা (Smog) কী?
উত্তর: কুয়াশা হলো ভূ-পৃষ্ঠের নিকটবর্তী ঘনীভূত জলকণা; আর কুয়াশার সাথে ধোঁয়া মিশলে তাকে ধোঁয়াশা বলে।
অধ্যায় ৬: জলবায়ু অঞ্চল
৭৬. নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের অবস্থান কত?
উত্তর: নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° থেকে ১০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশ।
৭৭. অ্যামাজন অববাহিকার ক্রান্তীয় বৃষ্টিঅরণ্যকে কী বলে?
উত্তর: সেলভা (Selva)।
৭৮. সেলভা অরণ্যকে পৃথিবীর কী বলা হয়?
উত্তর: ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ (Lung of the Earth)।
৭৯. মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: গ্রীষ্মকাল উষ্ণ ও আর্দ্র এবং শীতকাল শুষ্ক; ঋতু পরিবর্তন স্পষ্ট।
৮০. ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় এবং গ্রীষ্মকাল শুষ্ক থাকে।
৮১. ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলকে কী বলা হয়?
উত্তর: ‘পৃথিবীর ফলের ঝুড়ি’ (Fruit Basket of the World)।
৮২. ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে কোন ফল প্রচুর জন্মায়?
উত্তর: লেবু জাতীয় সাইট্রাস ফল (আঙ্গুর, জলপাই, কমলালেবু)।
৮৩. তুন্দ্রা জলবায়ু অঞ্চলের অবস্থান কোথায়?
উত্তর: সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তের উত্তরে ও দক্ষিণে (৭০° থেকে ৮০° অক্ষাংশ)।
৮৪. এস্কিমোদের বরফের তৈরি ঘরকে কী বলে?
উত্তর: ইগলু (Igloo)।
৮৫. এস্কিমোদের চামড়ার তৈরি গ্রীষ্মকালীন তাবুটির নাম কী?
উত্তর: টিউপিক (Tupik)।
৮৬. এস্কিমোদের ব্যবহৃত চামড়ার নৌকাকে কী বলে?
উত্তর: কায়াক (Kayak)।
৮৭. হারপুন (Harpoon) কী?
উত্তর: সিল মাছ শিকারের জন্য এস্কিমোদের ব্যবহৃত একমুখ বা বহুমুখ বল্লম।
৮৮. উষ্ণ মরু জলবায়ু অঞ্চলের একটি প্রধান উদাহরণের নাম দাও।
উত্তর: সাহারা মরুভূমি।
৮৯. মরুদ্যান (Oasis) কী?
উত্তর: মরুভূমির যে স্থানে ভূগর্ভস্থ জল ওপরে উঠে এসে গাছপালা জন্মায়।
৯০. তৈগা (Taiga) কী?
উত্তর: পাইন, ফার, স্প্রুস গাছের সরলবর্গীয় পাইন অরণ্য অঞ্চল।
অধ্যায় ৭: মানুষ-পরিবেশ সম্পর্ক ও পরিবেশের অবনমন
৯১. পরিবেশের অবনমন (Environmental Degradation) কী?
উত্তর: প্রাকৃতিক বা মানবীয় কারণে পরিবেশের গুণমান ও সম্পদের গুণাগুণ হ্রাস পাওয়া।
৯২. ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা কত সালে ঘটেছিল?
উত্তর: ১৯৮৪ সালের ২রা ডিসেম্বর।
৯৩. ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনায় কোন বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়েছিল?
উত্তর: মিক (MIC – Methyl Isocyanate)।
৯৪. চেরনোবিল পারমাণবিক দুর্ঘটনা কোথায় ও কবে ঘটেছিল?
উত্তর: ইউক্রেনে (তৎকালীন ইউএসএসআর), ১৯৮৬ সালে।
৯৫. চিপকো আন্দোলন (Chipko Movement) কীসের সাথে যুক্ত?
উত্তর: উত্তরাখণ্ডে গাছ জড়িয়ে ধরে বৃক্ষচ্ছেদন রোধ আন্দোলন।
৯৬. সাইলেন্ট ভ্যালি আন্দোলন কোথায় হয়েছিল?
উত্তর: কেরালায় (ক্রান্তীয় বৃষ্টিঅরণ্য রক্ষায়)।
৯৭. আর্সেনিক দূষণের ফলে মানবদেহে কোন ব্যাধি হয়?
উত্তর: ব্ল্যাকফুট ব্যাধি (Blackfoot disease)।
৯৮. ইউট্রোফিকেশন (Eutrophication) কী?
উত্তর: জলে রাসায়নিক সারের প্রভাবে শৈবাল বৃদ্ধি পেয়ে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়া।
৯৯. ফ্লুরোসিস রোগ কেন হয়?
উত্তর: জলে অতিরিক্ত ফ্লুরাইডের প্রভাবে (দাঁত ও হাড়ের ক্ষতি হয়)।
১০০. মিনামাটা ব্যাধি কোন ধাতুর দূষণে হয়?
উত্তর: পারদ (Mercury)।
অধ্যায় ৮: ভারতীয় উপমহাদেশ
১০১. ভারতীয় উপমহাদেশের সদস্য দেশ কয়টি ও কী কী?
উত্তর: ৮টি— ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তান।
১০২. সার্ক (SAARC)-এর পুরো নাম কী?
উত্তর: South Asian Association for Regional Cooperation.
১০৩. সার্ক কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দফতর কোথায়?
উত্তর: ১৯৮৫ সালে; সদর দফতর নেপালের কাঠমান্ডুতে।
১০৪. পাকিস্তানের প্রধান নদীর নাম কী?
উত্তর: সিন্ধু নদী।
১০৫. পাকিস্তানের ‘খাল দ্বারা সেচব্যবস্থা’ কোথায় বিখ্যাত?
উত্তর: সিন্ধু নদী অববাহিকায়।
১০৬. বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর নাম কী?
উত্তর: পদ্মা, মেঘনা, যমুনা।
১০৭. বাংলাদেশের প্রধান কৃষি ফসল কী?
উত্তর: ধান ও পাট।
১০৮. নেপালের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ও নদীর নাম কী?
উত্তর: মাউন্ট এভারেস্ট (বিশ্বের উচ্চতম, ৮৮৪৮.৮৬ মি) এবং প্রধান নদী কোশী/কালীগণ্ডক।
১০৯. ভুটানের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ও প্রধান নদী কোনটি?
উত্তর: গংখর পুয়েনসুম (সর্বোচ্চ শৃঙ্গ) ও মানস (প্রধান নদী)।
১১০. ভুটানকে কীসের দেশ বলা হয়?
উত্তর: ‘বজ্রপাতের দেশ’ (Land of Thunderbolts)।
১১১. শ্রীলঙ্কার প্রধান অর্থকরী ফসল ও সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উত্তর: চা ও নারকেল; সর্বোচ্চ শৃঙ্গ পিদুরুতালাগালা।
১১২. শ্রীলঙ্কার দীর্ঘতম নদীর নাম কী?
উত্তর: মহাবলী গঙ্গা।
১১৩. মিয়ানমারের প্রধান নদী কোনটি?
উত্তর: ইরাবতী নদী।
১১৪. প্যাডং (Padauk) কাঠ কোথায় পাওয়া যায়?
উত্তর: মিয়ানমারের অরণ্যে।
১১৫. ভারতের কোন প্রতিবেশী দেশ একটি প্রবাল দ্বীপ রাষ্ট্র?
উত্তর: মালদ্বীপ।
🔗 আরো পড়ুন:
অধ্যায় ৯: দক্ষিণ আমেরিকা
১১৬. পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতমাালার নাম কী?
উত্তর: অ্যান্ডিজ পর্বতমালা (দক্ষিণ আমেরিকা)।
১১৭. দক্ষিণ আমেরিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম কী?
উত্তর: একনকাগুয়া (Aconcagua)।
১১৮. পৃথিবীর বৃহত্তম ও দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী কোনটি?
উত্তর: অ্যামাজন নদী।
১১৯. পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাতের নাম কী ও এটি কোথায়?
উত্তর: অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত (ভেনিজুয়েলা, চুরুন নদীর ওপর)।
১২০. অ্যামাজন অববাহিকার নিরক্ষীয় বৃষ্টিঅরণ্যের নাম কী?
উত্তর: সেলভা অরণ্য।
১২১. পৃথিবীর সর্বোচ্চ মিষ্টি জলের হ্রদ কোনটি?
উত্তর: টিটিকাকা হ্রদ (Titicaca)।
১২২. অ্যাটাকামা মরুভূমি কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: দক্ষিণ আমেরিকার চিলিতে (বিশ্বের অন্যতম শুষ্ক মরুভূমি)।
১২৩. লা প্লাটা নদী কোন তিনটি নদীর সম্মিলিত প্রবাহ?
উত্তর: পারানা, প্যারাগুয়ে ও উরুগুয়ে।
১২৪. পম্পাস (Pampas) অঞ্চল কী?
উত্তর: দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়েতে অবস্থিত বিস্তীর্ণ নাতিশীতোষ্ণ তৃণভূমি।
১২৫. পম্পাস অঞ্চলের গবাদি পশু খামারগুলোকে কী বলে?
উত্তর: এস্টানসিয়া (Estancia)।
১২৬. এস্টানসিয়ার পশু পালনকারীদের কী বলে?
উত্তর: গাউচো (Gaucho)।
১২৭. দক্ষিণ আমেরিকার বীর যোদ্ধা বোলিভারের নামে কোন দেশের নামকরণ হয়?
উত্তর: বলিভিয়া।
১২৮. পাতাগোনিয়া কী জাতীয় মরুভূমি?
উত্তর: শীতল বৃষ্টিচ্ছায় মরুভূমি।
১২৯. কর্ডিলেরা (Cordillera) শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: শিকল বা শৃঙ্খলা (শৃঙ্খলিত পর্বতমালা)।
১৩০. কফি উৎপাদনে বিশ্বে ১ম স্থানাধিকারী দেশ কোনটি?
উত্তর: ব্রাজিল (স্যান্টোস প্রধান কফি রফতানি বন্দর)।
অধ্যায় ১০: উত্তর আমেরিকা
১৩১. আয়তনে উত্তর আমেরিকা বিশ্বের কততম বৃহৎ মহাদেশ?
উত্তর: ৩য় বৃহৎ মহাদেশ।
১৩২. উত্তর আমেরিকার প্রধান ও দীর্ঘতম নদী কোনটি?
উত্তর: মিসিসিপি-মিসৌরি।
১৩৩. গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন (Grand Canyon) কোন নদীর ওপর অবস্থিত?
উত্তর: কলোরাডো নদীর ওপর।
১৩৪. গ্রেট লেকস (Great Lakes) বা পঞ্চহ্রদ কোনগুলো?
উত্তর: সুপিরিয়র, মিচিগান, হিউরন, ইরি এবং অন্টারিও।
১৩৫. পৃথিবীর বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ কোনটি?
উত্তর: লেক সুপিরিয়র (Lake Superior)।
১৩৬. সেন্ট লরেন্স নদীর ওপর বিখ্যাত জলপ্রপাতটির নাম কী?
উত্তর: নায়াগ্রা জলপ্রপাত (Niagara Falls)।
১৩৭. প্রেইরি (Prairie) অঞ্চলের প্রধান ফসল কী?
উত্তর: গম (এজন্য প্রেইরি অঞ্চলকে ‘পৃথিবীর রুটির ঝুড়ি’ বলা হয়)।
১৩৮. উত্তর আমেরিকার পশ্চিমের পর্বতমালাকে কী বলা হয়?
উত্তর: পশ্চিমের কর্ডিলেরা বা রকি পর্বতমালা।
১৩৯. উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উত্তর: মাউন্ট ম্যাককিনলে (বা ডেনালি)।
১৪০. মৃত্যু উপত্যকা বা ডেথ ভ্যালি (Death Valley) কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: ক্যালিফোর্নিয়া, উত্তর আমেরিকা (এটি অত্যন্ত গভীর ও উষ্ণ স্থান)।
১৪১. পৃথিবীর কাগজ উৎপাদনে বিখ্যাত কানাডার বনভূমির নাম কী?
উত্তর: তৈগা সরলবর্গীয় বনভূমি।
১৪২. কানাডিয়ান শিল্ড অঞ্চল কী নামে পরিচিত?
উত্তর: লরেনশীয় মালভূমি (প্রাচীন ভূখণ্ড)।
১৪৩. সেন্ট লুইস শহর কীসের জন্য বিখ্যাত?
উত্তর: ‘গম বাজার’ হিসেবে বিখ্যাত।
১৪৪. শিকাগো শহরকে কী বলা হয়?
উত্তর: ‘পৃথিবীর কসাইখানা’ (Meatpacking capital)।
১৪৫. ডেট্রয়েট শহর কী শিল্পের জন্য বিখ্যাত?
উত্তর: মোটরগাড়ি নির্মাণ শিল্প।
অধ্যায় ১১: ওশেনিয়া
১৪৬. ওশেনিয়া মহাদেশকে কয়টি প্রধান অঞ্চলে ভাগ করা যায়?
উত্তর: ৪টি— অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া ও পলিনেশিয়া।
১৪৭. ওশেনিয়ার ক্ষুদ্রতম ও বৃহত্তম দেশ কোনটি?
উত্তর: ক্ষুদ্রতম নাউরু (Nauru) এবং বৃহত্তম অস্ট্রেলিয়া।
১৪৮. অস্ট্রেলিয়ার পূর্ব উপকূলের বিখ্যাত প্রবাল প্রাচীরটির নাম কী?
উত্তর: গ্রেট ব্যারিঅর রিফ (Great Barrier Reef)।
১৪৯. আর্টেজীয় কূপ (Artesian Well) কোথায় দেখা যায়?
উত্তর: অস্ট্রেলিয়ার মধ্যভাগের নিচু সমভূমি অঞ্চলে।
১৫০. অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নদীর নাম কী?
উত্তর: মারে-ডার্লিং (Murray-Darling)।
১৫১. মারে ও ডার্লিং নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
উত্তর: গ্রেট ডিভাইডিং রেঞ্জ।
১৫২. ডাউনস (Downs) কী?
উত্তর: অস্ট্রেলিয়ার মারে-ডার্লিং অববাহিকার নাতিশীতোষ্ণ তৃণভূমি।
১৫৩. মেরিনো (Merino) কী?
উত্তর: উন্নত জাতের ভেড়া (যা থেকে মিহি পশম পাওয়া যায়)।
১৫৪. পশম খামারের শ্রমিকদের অস্ট্রেলিয়ায় কী বলে?
উত্তর: জ্যাকারু (Jackaroo)।
১৫৫. অস্ট্রেলিয়ার প্রধান পশুপালন কেন্দ্র কোনটি?
উত্তর: মারে-ডার্লিং অববাহিকা।
১৫৬. নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
উত্তর: মাউন্ট কুক।
১৫৭. নিউজিল্যান্ডের জাতীয় পাখি ও অধিবাসীদের কী বলা হয়?
উত্তর: কিউই (Kiwi)।
১৫৮. নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের কী বলে?
উত্তর: মাওরি (Maori)।
১৫৯. কালগুর্লি ও কুলগার্ডি স্থান দুটি কীসের জন্য বিখ্যাত?
উত্তর: অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত সোনার খনি।
১৬০. ক্যাঙ্গারুর দেশ বলা হয় কোন দেশকে?
উত্তর: অস্ট্রেলিয়া।
Also Read –
Class 8 Geography GK Questions and Answers PDF ডাউনলোড
মোবাইল বা কম্পিউটারে সেভ করে অফলাইনে যেকোনো সময় পড়ার জন্য নিচের ‘Download PDF’ বাটনে ক্লিক করে সম্পূর্ণ ১৬০টি প্রশ্নের পিডিএফ ফাইলটি বিনামূল্যে সংগ্রহ করে নিন।
- File Name: Class 8 Geography GK Solution (আমাদের পৃথিবী)
- File Format: PDF
- Language: Bengali
- Target Exams: School Exams, WBCS, WBP, KP, TET
Kalikolom.com-এর তরফ থেকে প্রতিদিন নতুন জিকে (GK PDF), মক টেস্ট এবং চাকরির পরীক্ষার স্টাডি মেটেরিয়াল সবার আগে পেতে আমাদের টেলিগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ কমিউনিটিতে এখনই যুক্ত হন।
Frequently Asked Questions (FAQs)
অষ্টম শ্রেণীর ভূগোল (আমাদের পৃথিবী) বই থেকে চাকরির পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন আসে?
অষ্টম শ্রেণীর ভূগোল বই থেকে মূলত ফিজিক্যাল জিওগ্রাফি (যেমন- পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন, শিলা, বায়ুচাপ) এবং বিভিন্ন মহাদেশের (উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, ওশেনিয়া) উল্লেখযোগ্য নদনদী ও ভূ-প্রকৃতি থেকে সরাসরি প্রশ্ন আসে, যা WBCS বা WBP-এর মতো যেকোনো পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শিয়াল ও সিমা স্তরের মধ্যে পার্থক্য কী?
শিয়াল স্তর সিলিকা (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al) দিয়ে গঠিত, যা মূলত মহাদেশীয় ভূত্বক গঠন করে। অন্যদিকে সিমা স্তর সিলিকা (Si) ও ম্যাগনেসিয়াম (Ma) দিয়ে গঠিত, যা মহাসাগরীয় ভূত্বক গঠন করে।
পৃথিবীর ফুসফুস’ কাকে বলা হয় এবং কেন?
দক্ষিণ আমেরিকার অ্যামাজন অববাহিকার ক্রান্তীয় বৃষ্টিঅরণ্যকে (সেলভা) ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ বলা হয়, কারণ এই বিশাল অরণ্য পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ করে।
গর্জনশীল চল্লিশা’ কী?
৪০° দক্ষিণ অক্ষাংশে কোনো স্থলভাগ না থাকায় পশ্চিমা বায়ু প্রচণ্ড গতিতে বাধাহীনভাবে প্রবাহিত হয়। এই প্রবল গতিসম্পন্ন বায়ুকে ‘গর্জনশীল চল্লিশা’ বা Roaring Forties বলা হয়।






