WhatsApp Group Join Now
Telegram Group Join Now
Subscribe
❤️ ধন্যবাদ সাবস্ক্রাইব করার জন্য!
আমাদের নতুন ভিডিও আপডেট পেতে বেল আইকনটি ক্লিক করতে ভুলবেন না!
চ্যানেল দেখুন

Class 7 Geography GK Questions and Answers in Bengali PDF | 140+ GK

Class 7 Geography GK Questions and Answers IN BENGALI | সপ্তম শ্রেণির ভূগোল প্রশ্ন ও উত্তর

Class 7 Geography GK Questions and Answers in Bengali
Class 7 Geography GK Questions and Answers in Bengali

পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) সপ্তম শ্রেণির ভূগোল পাঠ্যবই ‘আমাদের পৃথিবী’ হলো বেসিক ভূগোলের এক অনবদ্য ভাণ্ডার। স্কুল স্তরের পরীক্ষা হোক বা WBCS, WBP, PSC-এর মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা— পৃথিবীর গতি, অবস্থান নির্ণয়, বায়ুচাপ এবং বিভিন্ন মহাদেশ (এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ) থেকে প্রচুর জিকে (GK) প্রশ্ন সরাসরি এই বই থেকেই আসে।

ছাত্রছাত্রী এবং চাকরিপ্রার্থীদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে, সম্পূর্ণ পাঠ্যবইটির ১১টি অধ্যায় খুঁটিয়ে বিশ্লেষণ করে আমরা ১৪৩টি বাছাই করা জিকে (GK) প্রস্তুত করেছি। পড়ার সুবিধার জন্য প্রতিটি প্রশ্ন অধ্যায় অনুযায়ী সাজানো হয়েছে। অফলাইনে পড়ার জন্য পোস্টের শেষে Class 7 Geography GK PDF ডাউনলোডের লিংক দেওয়া হয়েছে।

📌 একনজরে গুরুত্বপূর্ণ ভূগোল জিকে (Quick Facts):

  • এশিয়ার দীর্ঘতম নদী: ইয়াংসি নদী।
  • আফ্রিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: কিলিমাঞ্জাবো।
  • ইউরোপের দীর্ঘতম নদী: ভলগা।
  • বায়ুচাপ মাপার যন্ত্র: ব্যারোমিটার।

অধ্যায় ১: পৃথিবীর গতি

১. পৃথিবী তার কক্ষতলের সঙ্গে কত ডিগ্রি কোণে হেলে থাকে?

উত্তর: ৬৬.৫°।

২. লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষের বছরে মোট দিন সংখ্যা কত হয়?

উত্তর: ৩৬৬ দিন।

৩. পৃথিবীর কক্ষপথটি দেখতে কেমন?

উত্তর: উপবৃত্তাকার।

৪. উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় এবং রাত সবচেয়ে ছোট হয় কোন তারিখে?

উত্তর: ২১ জুন।

৫. ৪ জুলাই সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হয়, একে কী বলে?

উত্তর: অপসূর।

৬. মুক্তিবেগ (Escape Velocity) কাকে বলে?

উত্তর: কোনো বস্তুকে প্রতি সেকেন্ডে ১১.২ কিমি গতিবেগে ওপরে ছুঁড়লে তা পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ কাটিয়ে মহাশূন্যে চলে যায়।

৭. সাধারণত কত বছর অন্তর অধিবর্ষ বা লিপ ইয়ার আসে?

উত্তর: চার বছর অন্তর।

৮. ‘বিষুব’ শব্দটির অর্থ কী?

উত্তর: সমান দিন ও রাত্রি।

৯. সুমেরু বৃত্তীয় অঞ্চলে বায়ুমণ্ডলের আয়নিত গ্যাসের সঙ্গে সূর্যরশ্মির সংঘর্ষে যে আলো সৃষ্টি হয় তাকে কী বলে?

উত্তর: সুমেরু প্রভা বা অরোরা বোরিয়ালিস।

১০. রবিমার্গ বলতে কী বোঝো?

উত্তর: পৃথিবীর অক্ষ হেলানো থাকার ফলে আপাতভাবে মনে হয় সূর্য বিষুবরেখা থেকে উত্তরে কর্কটক্রান্তি রেখা এবং দক্ষিণে মকরক্রান্তি রেখা পর্যন্ত চলাচল করে, এটাই সূর্যের বার্ষিক আপাত গতি বা রবিমার্গ।

১১. অপসূর ও অনুসূর অবস্থানের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

উত্তর: ৪ জুলাই সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হয় (১৫ কোটি ২০ লক্ষ কিমি), একে অপসূর বলে। অন্যদিকে ৩ জানুয়ারি এই দূরত্ব সবচেয়ে কম হয় (১৪ কোটি ৭০ লক্ষ কিমি), একে অনুসূর বলে।

১২. সূর্যের দৈনিক আপাত গতি বলতে কী বোঝো?

উত্তর: পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করে বলে আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় সূর্য প্রতিদিন পূর্ব আকাশে উদিত হয়ে পশ্চিম আকাশে অস্ত যাচ্ছে। একেই সূর্যের দৈনিক আপাত গতি বলে।

১৩. মগজাস্ত্র (HOTS): পৃথিবীর অক্ষ যদি কক্ষপথের ওপর লম্ব (৯০°) হতো, তবে ঋতু পরিবর্তন কি সম্ভব হতো?

উত্তর: না, অক্ষ লম্ব হলে সূর্যরশ্মি সারা বছর সব জায়গায় একই কোণে পড়ত। ফলে দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হতো এবং ঋতু পরিবর্তন হতো না।

১৪. পৃথিবীতে ঋতু পরিবর্তন কেন হয়?

উত্তর: ঋতু পরিবর্তনের প্রধান কারণগুলি হলো: পৃথিবীর পরিক্রমণ গতি, অক্ষের ৬৬.৫° কোণে হেলানো অবস্থান, সূর্যরশ্মির পতন কোণের পার্থক্য এবং দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্যের হ্রাস-বৃদ্ধি।

অধ্যায় ২: ভূপৃষ্ঠের কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়

১৫. নিরক্ষরেখার মান কত ডিগ্রি?

উত্তর: ০°।

১৬. মূলমধ্যরেখা কোন শহরের ওপর দিয়ে কল্পনা করা হয়েছে?

উত্তর: লন্ডন (গ্রিনিচ)।

১৭. দ্রাঘিমারেখাগুলো একে অপরের সাথে কোথায় মিলিত হয়?

উত্তর: দুই মেরুবিন্দুতে।

১৮. ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য কত হয়?

উত্তর: ৪ মিনিট।

১৯. অবস্থান নির্ণয়ের আধুনিকতম প্রযুক্তিটির নাম কী?

উত্তর: GPS (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম)।

২০. শূন্যস্থান পূরণ করো: অক্ষরেখাগুলো পরস্পরের ____।

উত্তর: সমান্তরাল।

২১. শূন্যস্থান পূরণ করো: দ্রাঘিমারেখার মান মূলমধ্যরেখা থেকে ____ ডিগ্রি পর্যন্ত বিস্তৃত।

উত্তর: ১৮০ ডিগ্রি।

২২. শূন্যস্থান পূরণ করো: উত্তর মেরুবিন্দুর মান হলো ____।

উত্তর: ৯০° উত্তর।

২৩. শূন্যস্থান পূরণ করো: নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ—এই দুটি ____ ভাগ করেছে।

উত্তর: গোলার্ধে।

২৪. শূন্যস্থান পূরণ করো: গ্রিনিচের সময়ের সঙ্গে ভারতের প্রমাণ সময়ের পার্থক্য ____।

উত্তর: ৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।

২৫. অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার দুটি প্রধান পার্থক্য লেখো。

উত্তর: অক্ষরেখাগুলো পূর্ণবৃত্ত এবং পরস্পরের সমান্তরাল। দ্রাঘিমারেখাগুলো অর্ধবৃত্ত এবং উত্তর ও দক্ষিণ মেরুতে মিলিত হয়।

২৬. প্রমাণ সময় (Standard Time) কাকে বলে?

উত্তর: কোনো দেশের মধ্যভাগ দিয়ে যাওয়া নির্দিষ্ট দ্রাঘিমার স্থানীয় সময়কে যখন সারা দেশের সময় হিসেবে ধরা হয়, তাকে প্রমাণ সময় বলে। ভারতের প্রমাণ দ্রাঘিমা ৮২°৩০’ পূর্ব।

২৭. মহাবৃত্ত কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: যে বৃত্ত পৃথিবীকে সমান দুটি ভাগে ভাগ করে এবং যার কেন্দ্র পৃথিবীর কেন্দ্রের সাথে এক হয়, তাকে মহাবৃত্ত বলে। নিরক্ষরেখা একটি মহাবৃত্ত।

২৮. মগজাস্ত্র (HOTS): লন্ডন অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ভারতে সরাসরি রাত ১১টা ৩০ মিনিটে দেখা গেলে লন্ডনে তখন ক’টা বেজেছিল?

উত্তর: গ্রিনিচ বা লন্ডনের সময়ের চেয়ে ভারতের সময় ৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট এগিয়ে। সুতরাং ভারতে যখন রাত ১১টা ৩০ মিনিট, লন্ডনে তখন (১১:৩০ – ৫:৩০) = সন্ধ্যা ৬টা।

অধ্যায় ৩: বায়ুচাপ

২৯. বায়ুচাপ মাপার যন্ত্রের নাম কী?

উত্তর: ব্যারোমিটার।

৩০. সমুদ্র সমতলে আদর্শ বায়ুচাপ কত?

উত্তর: ১০১৩.২৫ মিলিবার।

৩১. বায়ুর উষ্ণতা বাড়লে চাপের কী পরিবর্তন হয়?

উত্তর: চাপ কমে।

৩২. সমচাপ রেখাকে ইংরেজিতে কী বলে?

উত্তর: আইসোবার (Isobar)।

৩৩. বায়ু সর্বদা কোন দিক থেকে কোন দিকে প্রবাহিত হয়?

উত্তর: উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপে।

৩৪. সত্য/মিথ্যা: উচ্চতা বাড়লে বায়ুর চাপ বাড়ে।

উত্তর: মিথ্যা (বায়ুচাপ কমে)।

৩৫. সত্য/মিথ্যা: জলীয় বাষ্পপূর্ণ বায়ু শুকনো বায়ুর চেয়ে হালকা।

উত্তর: সত্য।

৩৬. সত্য/মিথ্যা: ব্যারোমিটার আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী টরিসেলি।

উত্তর: সত্য।

৩৭. সত্য/মিথ্যা: উচ্চচাপ অঞ্চলে সাধারণত ঝড়-বৃষ্টি দেখা যায়।

উত্তর: মিথ্যা (নিম্নচাপ অঞ্চলে দেখা যায়)।

৩৮. সত্য/মিথ্যা: প্রতি ১১০ মিটার উচ্চতায় ১ সেমি পারদ স্তম্ভের সমান চাপ কমে।

উত্তর: সত্য।

৩৯. সমচাপ রেখার দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো。

উত্তর: ১. সমচাপ রেখাগুলো পরস্পরকে স্পর্শ করে না। ২. যেখানে রেখাগুলো কাছাকাছি থাকে, সেখানে বায়ুচাপের পার্থক্য বেশি হয় এবং বায়ুর গতিবেগ বাড়ে।

৪০. উচ্চচাপ ও নিম্নচাপের পার্থক্য কী?

উত্তর: শীতল অঞ্চলে বায়ু শীতল ও ভারী হয়ে নিচে নেমে এলে উচ্চচাপ সৃষ্টি হয়। উষ্ণ অঞ্চলে বায়ু গরম ও হালকা হয়ে ওপরে উঠে গেলে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়।

৪১. মগজাস্ত্র (HOTS): উঁচু পাহাড়ের চূড়ায় খাবার সেদ্ধ করতে সমস্যা হয় কেন?

উত্তর: উচ্চতা বাড়লে বায়ুর চাপ কমে যায়। বায়ুর চাপ কমলে জলের স্ফুটনাঙ্ক ১০০° সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসে। ফলে জল কম উষ্ণতায় ফুটতে শুরু করে, যা খাবার সেদ্ধ করার জন্য পর্যাপ্ত নয়।

৪২. উচ্চতা বাড়লে বায়ুর চাপ কমে কেন?

উত্তর: সমুদ্র সমতল থেকে আমরা যত ওপরে উঠি, আমাদের ওপর বায়ুমণ্ডলের স্তম্ভের ওজন তত কমতে থাকে। এই কারণে উচ্চতা বাড়লে বায়ুর চাপ দ্রুত কমতে থাকে।

অধ্যায় ৪: ভূমিরূপ

৪৩. ভারতের সাতপুরা কী ধরনের পর্বত?

উত্তর: স্তূপ পর্বত।

৪৪. পৃথিবীর ছাদ বলা হয় কোন মালভূমিকে?

উত্তর: পামির মালভূমিকে।

৪৫. ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টি হয় কোন শিলাস্তরে ভাঁজ পড়ে?

উত্তর: পাললিক শিলাস্তরে।

৪৬. বায়ুর সঞ্চয়কার্যের ফলে গঠিত সমভূমিকে কী বলে?

উত্তর: লোয়েস সমভূমি।

৪৭. জাপানের ফুজিয়ামা কী ধরনের পর্বত?

উত্তর: আগ্নেয় পর্বত।

৪৮. শিলাস্তরে ফাটল বা চ্যুতির ফলে কোন পর্বত সৃষ্টি হয়?

উত্তর: স্তূপ পর্বত।

৪৯. টেবিল ল্যান্ড (Table Land) কোন ভূমিরূপকে বলা হয়?

উত্তর: মালভূমিকে।

৫০. হিমালয় পর্বত কোন মহাদেশে অবস্থিত?

উত্তর: এশিয়া মহাদেশে।

৫১. সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সমভূমির উচ্চতা সাধারণত কত মিটারের কম হয়?

উত্তর: ৩০০ মিটারের কম।

৫২. একটি ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমির উদাহরণ দাও。

উত্তর: ভারতের ছোটনাগপুর মালভূমি।

৫৩. আগ্নেয় পর্বত বা সঞ্চয়জাত পর্বত কীভাবে সৃষ্টি হয়?

উত্তর: আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের সময় গরম লাভা, ছাই, পাথর কুচি বেরিয়ে এসে চারদিকে সঞ্চিত হয়ে যে শঙ্কু আকৃতির পর্বত তৈরি করে, তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।

৫৪. পর্বতবেষ্টিত মালভূমি কাকে বলে?

উত্তর: যে মালভূমির চারদিকেই উঁচু পর্বতশ্রেণি থাকে (যেমন— তিব্বত মালভূমি)।

৫৫. সমভূমি অঞ্চল কেন জনবহুল হয়?

উত্তর: সমভূমি অঞ্চলে যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত, জমি উর্বর এবং কৃষিকাজ ও শিল্প স্থাপনের সুবিধা বেশি থাকে।

🔗 আরো পড়ুন:

Class 7 History GK Questions and Answers in Bengali

অধ্যায় ৫: নদী

৫৬. নদীর উচ্চগতিতে গঠিত একটি ভূমিরূপের নাম লেখো。

উত্তর: ‘V’ আকৃতির উপত্যকা বা জলপ্রপাত।

৫৭. ভারতের একটি আদর্শ নদীর নাম করো。

উত্তর: গঙ্গা নদী।

৫৮. নদী যেখানে সাগরে বা হ্রদে মেশে, সেই স্থানকে কী বলে?

উত্তর: মোহনা।

৫৯. উপনদী ও শাখানদীর মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর: মূল নদীতে এসে মেশা নদী হলো উপনদী, আর মূল নদী থেকে বেরিয়ে যাওয়া নদী হলো শাখানদী।

৬০. জলবিভাজিকা কাকে বলে?

উত্তর: যে উচ্চভূমি দুটি নদী অববাহিকাকে পৃথক করে।

৬১. নিত্যবহ নদী কাকে বলে?

উত্তর: যেসব নদীতে সারা বছর জল থাকে (হিমবাহের বরফ গলা জলে পুষ্ট)।

৬২. নদীর মধ্যগতিতে কী ধরনের প্রধান কাজ চলে?

উত্তর: বহন ও সঞ্চয় কাজ।

৬৩. সুন্দরবন অঞ্চলে নদীর মোহনায় কী দেখা যায়?

উত্তর: বদ্বীপ বা ডেল্টা।

অধ্যায় ৬: শিলা ও মাটি

৬৪. আগ্নেয় শিলা কত প্রকার ও কী কী?

উত্তর: ২ প্রকার— নিঃসারী ও উদ্ভেদী।

৬৫. কোন শিলাকে ‘প্রাথমিক শিলা’ বলা হয়?

উত্তর: আগ্নেয় শিলাকে।

৬৬. পাললিক শিলার একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য লেখো。

উত্তর: এই শিলায় জীবাশ্ম দেখা যায়।

৬৭. মাটির সবচেয়ে ওপরের স্তরে কী থাকে?

উত্তর: জৈব পদার্থ বা হিউমাস।

৬৮. গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে কোন শিলায় পরিণত হয়?

উত্তর: নিস বা Gneiss।

৬৯. রূপান্তরিত শিলা কীভাবে সৃষ্টি হয়?

উত্তর: প্রবল তাপ ও চাপে আগ্নেয় বা পাললিক শিলা পরিবর্তিত হয়ে।

৭০. ব্যাসাল্ট কী ধরনের শিলা?

উত্তর: নিঃসারী আগ্নেয় শিলা।

৭১. মাটির উর্বরতা বাড়াতে কী মেশানো প্রয়োজন?

উত্তর: জৈব সার।

অধ্যায় ৭: জলদূষণ

৭২. গঙ্গার জল দূষণমুক্ত করার পরিকল্পনার নাম কী?

উত্তর: গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান।

৭৩. আর্সেনিক দূষণের ফলে মানুষের দেহে কোন রোগ হয়?

উত্তর: ব্ল্যাক ফুট ডিজিজ।

৭৪. পারদ দূষণের ফলে কোন রোগ সৃষ্টি হয়?

উত্তর: মিনামাটা রোগ।

৭৫. ক্যাডমিয়াম দূষণের প্রভাবে কোন হাড়ের রোগ হয়?

উত্তর: ইতাই-ইতাই।

৭৬. পানীয় জলকে জীবাণুমুক্ত করতে সাধারণত কী মেশানো হয়?

উত্তর: ক্লোরিন বা ব্লিচিং পাউডার।

৭৭. সমুদ্রের জল দূষণের একটি বড় কারণ কী?

উত্তর: খনিজ তেলের নির্গমন।

৭৮. ইউট্রোফিকেশন (Eutrophication) কী?

উত্তর: জলে ফসফেট জাতীয় সার মেশার ফলে শ্যাওলার অতিরিক্ত বৃদ্ধি।

৭৯. জল পরিস্রাবণের একটি ঘরোয়া পদ্ধতি লেখো。

উত্তর: জল অন্তত ২০ মিনিট ধরে ফোটানো।

অধ্যায় ৮: মাটি দূষণ

৮০. প্লাস্টিক কীভাবে মাটি দূষণ ঘটায়?

উত্তর: প্লাস্টিক মাটিতে মিশে যায় না, ফলে মাটির স্বাভাবিক গঠন ও জল শোষণ ক্ষমতা নষ্ট করে।

৮১. মাটি দূষণের একটি জৈব কারণ লেখো。

উত্তর: পচা আবর্জনা ও প্রাণীর মলমূত্র।

৮২. কৃষিতে মাটি দূষণ কমাতে কী ব্যবহার করা উচিত?

উত্তর: রাসায়নিক সারের বদলে জৈব সার ব্যবহার।

৮৩. মাটি ক্ষয়ের একটি প্রাকৃতিক কারণ লেখো。

উত্তর: প্রবল বৃষ্টিপাত বা বায়ুপ্রবাহ।

৮৪. গাছ লাগানো মাটি সংরক্ষণে কীভাবে সাহায্য করে?

উত্তর: গাছের শিকড় মাটিকে শক্ত করে ধরে রাখে।

৮৫. তেজস্ক্রিয় দূষণ মাটিতে কীভাবে আসে?

উত্তর: পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বা গবেষণাগারের বর্জ্য থেকে।

৮৬. সলিড ওয়েস্ট (Solid Waste) ম্যানেজমেন্টের একটি উদাহরণ দাও。

উত্তর: রিসাইক্লিং বা পুনর্ব্যবহার।

৮৭. ভারতের কোথায় অত্যধিক রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে মাটি দূষিত হচ্ছে?

উত্তর: পাঞ্জাব ও হরিয়ানা রাজ্যে।

অধ্যায় ৯: এশিয়া মহাদেশ

৮৮. এশিয়ার দীর্ঘতম নদীর নাম কী?

উত্তর: ইয়াংসি নদী।

৮৯. পৃথিবীর বৃহত্তম হ্রদ কোনটি?

উত্তর: কাস্পিয়ান সাগর।

৯০. এশিয়ার উত্তরবাহিনী নদীর একটি বৈশিষ্ট্য লেখো。

উত্তর: মোহনা অঞ্চল বছরের দীর্ঘ সময় বরফাবৃত থাকে।

৯১. রাশিয়ার কোন সমভূমি এশিয়ার উত্তরের বিশাল অংশ জুড়ে আছে?

উত্তর: সাইবেরীয় সমভূমি।

৯২. এশিয়ার কোন নদীকে ‘পীত নদী’ বলা হয়?

উত্তর: হোয়াংহো নদী।

৯৩. এভারেস্ট শৃঙ্গ কোন পর্বতমালায় অবস্থিত?

উত্তর: হিমালয়।

৯৪. মধ্য এশিয়ার কোন মালভূমিকে ‘পৃথিবীর ছাদ’ বলে?

উত্তর: পামির।

৯৫. টোকিও-ইয়োকোহামা শিল্পাঞ্চল কোন দেশের প্রধান সম্পদ?

উত্তর: জাপান।

৯৬. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রধান খাদ্যশস্য কোনটি?

উত্তর: ধান।

৯৭. ইরাকের মেসোপটেমিয়া সমভূমি কোন দুটি নদীর তীরে অবস্থিত?

উত্তর: দজলা ও ফোরাত।

৯৮. স্টিপে জলবায়ু অঞ্চলে কোন ধরনের স্বাভাবিক উদ্ভিদ দেখা যায়?

উত্তর: তৃণভূমি।

৯৯. মগজাস্ত্র: এশিয়ার উত্তরবাহিনী নদীগুলোতে কেন বন্যা দেখা দেয়?

উত্তর: উৎসের জল মোহনায় পৌঁছানোর আগেই বরফ জমে মোহনা মুখ বন্ধ হয়ে যায় বলে।

অধ্যায় ১০: আফ্রিকা মহাদেশ

১০০. আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম কী?

উত্তর: কিলিমাঞ্জাবো।

১০১. পৃথিবীর দীর্ঘতম নদীর নাম কী?

উত্তর: নীল নদ।

১০২. নীল নদের উৎস কোন হ্রদ?

উত্তর: ভিক্টোরিয়া হ্রদ।

১০৩. সাহারা মরুভূমি আফ্রিকার কোন দিকে অবস্থিত?

উত্তর: উত্তর দিকে।

১০৪. আফ্রিকার নিরক্ষীয় বনাঞ্চলকে কী বলা হয়?

উত্তর: কঙ্গো অববাহিকার গহন অরণ্য।

১০৫. আসোয়ান বাঁধ কোন নদীর ওপর নির্মিত?

উত্তর: নীল নদ।

১০৬. আফ্রিকার ক্রান্তীয় তৃণভূমিকে কী বলা হয়?

উত্তর: সাভানা।

১০৭. জিব্রাল্টার প্রণালী আফ্রিকাকে কোন মহাদেশ থেকে আলাদা করেছে?

উত্তর: ইউরোপ।

১০৮. কিম্বার্লি খনি কিসের জন্য বিখ্যাত?

উত্তর: হিরে উত্তোলনের জন্য।

১০৯. ভেল্ড (Veld) তৃণভূমি কোথায় দেখা যায়?

উত্তর: দক্ষিণ আফ্রিকায়।

১১০. আটলাস পর্বত আফ্রিকার কোন অংশে অবস্থিত?

উত্তর: উত্তর-পশ্চিম।

অধ্যায় ১১: ইউরোপ মহাদেশ

১১১. ইউরোপের দীর্ঘতম নদীর নাম কী?

উত্তর: ভলগা।

১১২. পোল্ডার ভূমি কোন দেশে দেখা যায়?

উত্তর: নেদারল্যান্ডস।

১১৩. ইউরোপের একটি বিখ্যাত পর্বতমালার নাম লেখো。

উত্তর: আল্পস।

১১৪. লন্ডন কোন নদীর তীরে অবস্থিত?

উত্তর: টেমস নদী।

১১৫. ইউরোপের ‘কয়লা খনি’ বা শিল্পাঞ্চল হিসেবে পরিচিত অঞ্চল কোনটি?

উত্তর: রুঢ় শিল্পাঞ্চল।

১১৬. উত্তর সাগরের তলদেশ থেকে কী তোলা হয়?

উত্তর: খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস।

১১৭. ইউরোপের একটি জীবন্ত আগ্নেয়গিরির নাম লেখো。

উত্তর: ভিসুভিয়াস বা এটনা।

১১৮. কোন জলবায়ু অঞ্চলে সারা বছর বৃষ্টিপাত হয়?

উত্তর: পশ্চিম ইউরোপীয় জলবায়ু।

১১৯. ফিনল্যান্ডকে কীসের দেশ বলা হয়?

উত্তর: সহস্র হ্রদের দেশ।

১২০. ইউরোপের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম কী?

উত্তর: এলব্রুস।

১২১. রাইন নদী কোন দেশে প্রধানত প্রবাহিত হয়?

উত্তর: জার্মানি।

১২২. ডানিয়ুব নদী কয়টি দেশের ওপর দিয়ে গেছে?

উত্তর: ১০টি।

গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ ও ধারণা (Key Concepts)

১২৩. কক্ষতল: পৃথিবীর কক্ষপথ যে কাল্পনিক সমতলে অবস্থিত।

১২৪. রবিমার্গ: সূর্যের বার্ষিক আপাত গতিপথ (কর্কটক্রান্তি থেকে মকরক্রান্তি পর্যন্ত)।

১২৫. সুমেরু প্রভা: উত্তর মেরুবৃত্তে দেখা যাওয়া বায়ুমণ্ডলের রঙিন আলোক বিচ্ছুরণ।

১২৬. অপসূর: ৪ জুলাই সূর্য ও পৃথিবীর দূরত্ব সর্বাধিক (১৫ কোটি ২০ লক্ষ কিমি) হওয়ার অবস্থান।

১২৭. আইসোবার: মানচিত্রে সমান বায়ুচাপ যুক্ত স্থানগুলোকে যোগকারী রেখা।

১২৮. পলি গঠিত সমভূমি: নদীর পলি সঞ্চয়ের ফলে সৃষ্ট অতি উর্বর নিচু সমতল ভূমি।

১২৯. নিরক্ষরেখা: পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে বিভক্তকারী ০° অক্ষরেখা।

১৩০. জিয়ড (Geoid): পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি যা কেবলমাত্র পৃথিবীর মতোই।

১৩১. মূলমধ্যরেখা: গ্রিনিচ মান মন্দিরের ওপর দিয়ে বিস্তৃত ০° দ্রাঘিমারেখা।

১৩২. জিপিএস (GPS): কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে অবস্থান নির্ণয়কারী পদ্ধতি।

১৩৩. ব্যারোমিটার: বায়ুর চাপ পরিমাপক যন্ত্র।

১৩৪. ভঙ্গিল পর্বত: শিলাস্তরে ভাঁজ পড়ে গঠিত পর্বত (যেমন— হিমালয়)।

১৩৫. টেবিল ল্যান্ড: মালভূমির ওপরের অংশ টেবিলের মতো চ্যাপ্টা হওয়ায় এই নাম।

১৩৬. অধিবর্ষ: ৩৬৬ দিনের বছর, যেখানে ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনের হয়।

১৩৭. জলবিষুব: ২৩ সেপ্টেম্বর তারিখ, যখন পৃথিবীতে দিন ও রাত সমান হয়।

১৩৮. মিলিবার: বায়ুচাপ পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক।

১৩৯. লোয়েস: মরুভূমির বালি বায়ুর দ্বারা বাহিত হয়ে বহু দূরে সঞ্চিত সমভূমি।

১৪০. চ্যুতি: ভূ-আলোড়নের ফলে কঠিন শিলাস্তরে সৃষ্টি হওয়া ফাটল।

১৪১. স্থানীয় সময়: মধ্যাহ্ন সূর্যের অবস্থান অনুযায়ী কোনো নির্দিষ্ট স্থানের সময়।

১৪২. জলবায়ু: কোনো বড় অঞ্চলের ৩০-৩৫ বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থা।

১৪৩. অনুসূর: ৩ জানুয়ারি সূর্য ও পৃথিবীর দূরত্ব সর্বনিম্ন (১৪ কোটি ৭০ লক্ষ কিমি) হওয়ার অবস্থান।

🔗 আরো পড়ুন:

Class 6 Geography GK Questions and Answers

Class 6 GK Study Hub 2026

Class 7 Geography GK Questions and Answers PDF ডাউনলোড

মোবাইল বা কম্পিউটারে সেভ করে অফলাইনে যেকোনো সময় পড়ার জন্য নিচের ‘Download PDF’ বাটনে ক্লিক করে সম্পূর্ণ ১৪৩টি প্রশ্নের পিডিএফ ফাইলটি বিনামূল্যে সংগ্রহ করে নিন।

  • File Name: Class 7 Geography GK Solution (আমাদের পৃথিবী)
  • File Format: PDF
  • Language: Bengali
  • Target Exams: School Exams, WBCS, WBP, KP, TET

Kalikolom.com-এর তরফ থেকে প্রতিদিন নতুন জিকে (GK PDF), মক টেস্ট এবং চাকরির পরীক্ষার স্টাডি মেটেরিয়াল সবার আগে পেতে আমাদের টেলিগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ কমিউনিটিতে এখনই যুক্ত হন।

Frequently Asked Questions (FAQs)

সপ্তম শ্রেণির ভূগোল (আমাদের পৃথিবী) বই থেকে চাকরির পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন আসে?

সপ্তম শ্রেণির ভূগোল বই থেকে মূলত পৃথিবীর গতি, অবস্থান নির্ণয় (অক্ষরেখা-দ্রাঘিমারেখা), বায়ুচাপ এবং মহাদেশগুলির (এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ) উল্লেখযোগ্য নদনদী ও ভূ-প্রকৃতি থেকে সরাসরি প্রশ্ন আসে যা WBCS, WBP এবং অন্যান্য পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অপসূর ও অনুসূর অবস্থানের মধ্যে পার্থক্য কী?

৪ জুলাই সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হয় (১৫ কোটি ২০ লক্ষ কিমি), একে অপসূর বলে। অন্যদিকে ৩ জানুয়ারি এই দূরত্ব সবচেয়ে কম হয় (১৪ কোটি ৭০ লক্ষ কিমি), একে অনুসূর বলে।

বিষুব’ কথাটির অর্থ কী এবং জলবিষুব কবে হয়?

‘বিষুব’ শব্দটির অর্থ হলো সমান দিন ও রাত্রি। ২৩ সেপ্টেম্বর তারিখে পৃথিবীতে দিন ও রাত সমান হয়, এই দিনটিকে জলবিষুব বলা হয়।

লেখক পরিচিতি

আফতাব রহমান — KaliKolom.com এর প্রতিষ্ঠাতা

আফতাব রহমান

Aftab Rahaman

প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান লেখক, KaliKolom.com

আফতাব রহমান KaliKolom.com-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং গত ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স, ইতিহাস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছেন। তাঁর লেখার মূল দর্শন হলো — জটিল বিষয়কে সহজ, স্পষ্ট ও পরীক্ষামুখী ভাষায় উপস্থাপন করা, যাতে শিক্ষার্থীরা দ্রুত শিখতে পারে এবং দীর্ঘদিন মনে রাখতে পারে।

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ইতিহাস চাকরির প্রস্তুতি জেনারেল নলেজ
লেখকের সাথে যুক্ত থাকুন

Leave a Comment

Join Telegram