ট্রুম্যান নীতি’ বলতে কী বোঝায়? বা ট্রুম্যান নীতি কী? বা ট্রুম্যান তত্ত্ব কী?

ট্রুম্যান নীতি’ বলতে কী বোঝায়? বা ট্রুম্যান নীতি কী? বা ট্রুম্যান তত্ত্ব কী? ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১২ মার্চ মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান মার্কিন সংসদের এক যৌথ অধিবেশনে বলেন—এখন থেকে পৃথিবীর যে-কোনো জায়গায় স্বাধীন জনগণ যদি সশস্ত্র সংখ্যালঘু বা বাইরের কোনো শক্তির আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টাকে প্রতিরোধ করতে চায় তাহলে আমেরিকা তাদের সাহায্য করবে। এই তত্ত্বই টুম্যান … Read more

মার্শাল পরিকল্পনা কী? মার্শাল পরিকল্পনার উদ্দেশ্য কী?

মার্শাল পরিকল্পনা কী? মার্শাল পরিকল্পনার উদ্দেশ্য কী? ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ৫ জুন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বক্তৃতায় আমেরিকার বিদেশসচিব জর্জ মার্শাল এক ঘোষণায় যুদ্ধবিধ্বস্ত সমগ্র ইউরোপে আর্থিক পুনুরুজ্জীবনের পরিকল্পনা পেশ করেন যা মার্শাল পরিকল্পনা নামে পরিচিত। মার্শাল পরিকল্পনার উদ্দেশ্য: মার্শাল পরিকল্পনার দুটি মূল উদ্দেশ্য হল—– যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের দেশগুলিকে অর্থসাহায্য দিয়ে তাদেরকে সোভিয়েত প্রভাব থেকে মুক্ত করা। ও … Read more

ভারতের বন্যাপ্রবণ অঞ্চলগুলির নাম এবং ভারতের সর্বাধিক বন্যা প্রবন অঞ্চল।

ভারতের বন্যাপ্রবণ অঞ্চলগুলির নাম এবং ভারতের সর্বাধিক বন্যা প্রবন অঞ্চল। ভারতের রাষ্ট্রীয় বাঢ় আয়োগ (Rashtriya Barh Ayog)-এর মতে, ভারতের সর্বাধিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চলগুলির রাজ্যগুলি হল— [1] উত্তরপ্রদেশ, [2] বিহার, [3] পাঞ্জাব, [4] রাজস্থান, [5] অসম, [6] পশ্চিমবঙ্গ, [7] হরিয়ানা, [৪] ওডিশা, [9] গুজরাত ও [10] অন্ধ্ৰপ্ৰদেশ ভারতের মোট বন্যাপ্রবণ অঞ্চলের 90 শতাংশের বেশি এই দশটি রাজ্যের … Read more

বিশ্ব বন দিবস 2022- আন্তজার্তিক বন দিবস ( International day of forests 2022)

বিশ্ব বন দিবস 2022- আন্তজার্তিক বন দিবস ( International day of forests 2022)

বিশ্ব বন দিবস 2022- আন্তজার্তিক বন দিবস ( International day of forests 2022) আন্তজার্তিক বন দিবস সংগঠন: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ 21 মার্চ 2012 সালে আন্তর্জাতিক বন দিবস ঘোষণা করে। দিবসটি উদযাপন করে এবং সকল প্রকার বনের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে। প্রতিটি আন্তর্জাতিক বন দিবসে, দেশগুলিকে বন এবং গাছের সাথে জড়িত কার্যকলাপ সংগঠিত করার জন্য … Read more

খাদ্য ভেজাল রচনা | খাদ্যদ্রব্য ভেজাল ও তার প্রতিকার। অথবা, খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে জনসচেতনতা।

খাদ্য ভেজাল রচনা | খাদ্যদ্রব্য ভেজাল ও তার প্রতিকার। অথবা, খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে জনসচেতনতা।

খাদ্য ভেজাল রচনা | খাদ্যদ্রব্য ভেজাল ও তার প্রতিকার। অথবা, খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে জনসচেতনতা। প্রারম্ভিকা: “ভেজাল, ভেজাল, ভেজাল রে ভাইভেজাল সারা দেশটায়ভেজাল ছাড়া খাঁটি জিনিস মিলবে নাকি চেষ্টায়!খাঁটি জিনিস এই কথাটা রেখো না আর চিত্তেভেজাল নামটা খাঁটি কেবল, আর সকলই মিথ্যে।” সাম্যবাদী কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতার সঙ্গে বর্তমান বাংলাদেশের অমিল খুঁজে পাওয়া ভার। এখন নাগরিক … Read more

নবাব কিচেন ফিডিং orphans – খাজা মঈনুদ্দীন নবাব কিচেন | নবাবের রান্না এতিমদের জন্য।

নবাব কিচেন ফিডিং orphans – খাজা মঈনুদ্দীন নবাব কিচেন | নবাবের রান্না এতিমদের জন্য। অন্ধ্র প্রদেশের গুন্টুরে একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করায়, তিনি সবসময় খাবার রান্নার প্রতি অনুরাগ রাখেন, তিনি বলেছেন। “তার সবসময় রান্না করা এবং লোকেদের খাওয়ানোর বিষয়ে উত্সাহী ছিল। অতিথিরা তাদের বাড়িতে আসত এবং তাদের জন্য সে রান্না করতো, বিশেষ রেসিপিগুলি চেষ্টা করতে … Read more

মালাবার উপকূলে প্রবল বৃষ্টি হয় কেন?

মালাবার উপকূলে প্রবল বৃষ্টি হয় কেন? জলীয়বাষ্পপূর্ণ মৌসুমি বায়ুর আরব সাগরীয় শাখা মালাবার উপকূলে এসে পৌঁছোয়। এই বায়ু পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিমঢালে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ওপরে উঠে যায় ও প্রবল বৃষ্টির আকারে নেমে আসে। এই উপকূলে বছরে 300-500 সেমি বৃষ্টিপাত হয়। আরও পড়ুন: শীতকালে ভারতের কোথায় কোথায় বৃষ্টিপাত হয়?

শীতকালে ভারতের কোথায় কোথায় বৃষ্টিপাত হয়?

শীতকালে ভারতের কোথায় কোথায় বৃষ্টিপাত হয়? [1] প্রত্যাবর্তনকারী মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে তামিলনাড়ুর উপকূলে এবং [2] ভূমধ্যসাগর থেকে আসা পশ্চিমি ঝঞ্ঝার কারণে উত্তর-পশ্চিম ভারতে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয়। আরো পড়ুন: ভারতের কোন্ কোন্ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কম হয়?

ভারতের কোন্ কোন্ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কম হয়?

ভারতের কোন্ কোন্ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কম হয়? অঞ্চলগুলি হল— ভারতের কম বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলগুলি [1] রাজস্থান ও গুজরাতের মরু ও মরুপ্রায় অঞ্চল। [2] কাশ্মীরের লাদাখ মালভূমি। [3] পশ্চিমঘাট পর্বতের পূর্বঢালে অবস্থিত কর্ণাটক মালভূমি এবং মেঘালয় মালভূমির উত্তরে অবস্থিত শিলং।

ভারতীয় রেলপথকে কী কী আঞ্চলিক ভাগে ভাগ করা হয়েছে? অথবা, ভারতীয় রেলপথের সমস্যাগুলি কী কী?

ভারতীয় রেলপথকে কী কী আঞ্চলিক ভাগে ভাগ করা হয়েছে? অথবা, ভারতীয় রেলপথের সমস্যাগুলি কী কী?

ভারতীয় রেলপথকে কী কী আঞ্চলিক ভাগে ভাগ করা হয়েছে? অথবা, ভারতীয় রেলপথের সমস্যাগুলি কী কী?

পরিচালনার সুবিধার জন্য ভারতীয় রেলপথকে 17টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। এরমধ্যে ৭টি রেলপথ ব্যবস্থা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভারতীয় রেলের এই আঞ্চলিক বিভাগ ও সদরদপ্তরগুলি হল –

[1] পূর্ব রেলপথ (কলকাতা),

[2] দক্ষিণ-পূর্ব রেলপথ (কলকাতা),

[3] উত্তর-পূর্ব রেলপথ (গোরক্ষপুর),

[4] উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলপথ (গুয়াহাটি),

[5] পশ্চিম রেলপথ (মুম্বাই),

[6] উত্তর রেলপথ (নতুন দিল্লি),

[7] দক্ষিণ রেলপথ (চেন্নাই),

[৪] মধ্য রেলপথ (মুম্বাই),

  • [9] দক্ষিণ-মধ্য রেলপথ∠ (সেকেন্দ্রাবাদ),

[10] পূর্ব-মধ্য রেলপথ (হাজিপুর),

[11] পূর্ব উপকূলীয় রেলপথ (ভুবনেশ্বর),

[12] উত্তর-মধ্য রেলপথ (এলাহাবাদ),

[13] উত্তর-পশ্চিম রেলপথ (জয়পুর),

[14] দক্ষিণ-পূর্ব-মধ্য রেলপথ (বিলাসপুর),

[15] দক্ষিণ-পশ্চিম রেলপথ (হুবলি),

[16] পশ্চিম-মধ্য রেলপথ (জব্বলপুর),

[17] মেট্রো রেলপথ (কলকাতা)

ভারতীয় রেলপথের সমস্যাগুলি–

ভারতীয় রেল ভারত নির্মাণে সাহায্য করলেও, এর    কতকগুলি সমস্যা রয়েছে।

[1] পরিবহণ সময়সাপেক্ষ: দেশের মধ্যে নানা ধরনের গেজ চালু থাকায় পণ্য এবং যাত্রী পরিবহণে অহেতুক সময় লাগে, এবং এতে পরিবহণ ব্যয়ও বেড়ে যায়।

[2] উন্নত প্রযুক্তির অভাব: ভারতীয় রেল এখনও সেভাবে আধুনিক হয়ে ওঠেনি। সিগনালিং, ট্রাক, মুখোমুখি সংঘর্ষ না হবার প্রযুক্তি ইত্যাদির অভাব রয়েছে।

[3] ওয়াগানের অভাব: পণ্য পরিবহণে প্রয়োজনমতো ওয়াগান পাওয়া যায় না। এতে ব্যবসায়ীরা রেলপথ ছেড়ে সড়কপথকে বেছে নিচ্ছে।

[4] ভাড়া ফাঁকি: ভারতীয়দের রেলের ভাড়া ফাঁকি দেওয়ার মানসিকতা আছে। তাই যে পরিমাণ যাত্রী পরিবাহিত হয় সেই পরিমাণ রোজগার রেলের হয় না, এ ছাড়া পণ্য পরিবহণেও অনেক দুর্নীতি চলে। এতে রেলের প্রকৃত আয় কমে যায়।

[5] জীবন ও সম্পত্তি সুরক্ষার অভাব: রেল দুর্ঘটনা, ট্রেনে ছিনতাই, চুরি, জীবনহানি ইত্যাদি ঘটনা যাত্রীদের সুরক্ষিত করে না। এটি একটি প্রবল সমস্যা।

[6] রেলকর্মী কম: ভারতের সর্বাধিক কর্মীযুক্ত রেল বর্তমানে কর্মীর অভাবে অনেকটা পিছিয়ে পড়ছে। একই ড্রাইভার, প্রযুক্তিবিদদের বেশি সময় ধরে পরিশ্রম করানোয় তাদের কর্মদক্ষতা হ্রাস পাচ্ছে এবং কর্ম মনোবলে ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।

 

 ভারতীয় রেলপথের শ্রেণিবিভাগ :

দুটি লাইনের মধ্যে দূরত্ব সব রেলপথে সমান নয়। এই দূরত্বের পার্থক্য অনুযায়ী ভারতের রেলপথকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়—

[1] ব্রড গেজ (broad gauge ) : এক্ষেত্রে লাইনের মধ্যে দূরত্ব হয় 1.68 মিটার। ব্রড গেজ দিয়েই সর্বাধিক পরিবহণ কাজ চলে। বর্তমানে 108000 কিমি রেলপথ ট্র্যাক ব্রডগেজের অন্তর্ভুক্ত বা প্রায় 56000 কিমি দীর্ঘ রেলপথ ব্রডগেজের অন্তর্গত।

[2] মিটার গেজ (metre gauge) : এক্ষেত্রে দুটি লাইনের মধ্যে ব্যবধান হয় 1 মিটার। বর্তমানে প্রায় 4000 কিমি

রেলপথ মিটার গেজের অন্তর্ভুক্ত। এর পরিমাণ দিন দিন কমে যাচ্ছে।

[3] ন্যারো গেজ (narrow gauge) : এই পথে দুটি রেল লাইনের মধ্যে দূরত্ব থাকে প্রায় 0.76 মিটার ও 0.61 মিটার। ভারতে বর্তমানে ন্যারো গেজ রেলপথ রয়েছে প্রায় 5000 কিমি।