This is an archived article last updated on Mar 22, 2022. The information may be outdated.

মার্শাল পরিকল্পনা কী? মার্শাল পরিকল্পনার উদ্দেশ্য কী?

মার্শাল পরিকল্পনা কী? মার্শাল পরিকল্পনার উদ্দেশ্য কী?

১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ৫ জুন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বক্তৃতায় আমেরিকার বিদেশসচিব জর্জ মার্শাল এক ঘোষণায় যুদ্ধবিধ্বস্ত সমগ্র ইউরোপে আর্থিক পুনুরুজ্জীবনের পরিকল্পনা পেশ করেন যা মার্শাল পরিকল্পনা নামে পরিচিত।

মার্শাল পরিকল্পনার উদ্দেশ্য:

মার্শাল পরিকল্পনার দুটি মূল উদ্দেশ্য হল—– যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের দেশগুলিকে অর্থসাহায্য দিয়ে তাদেরকে সোভিয়েত প্রভাব থেকে মুক্ত করা। ও মার্কিন অর্থ সাহায্যগ্রহণকারী দেশগুলিকে মার্কিন রাষ্ট্রজোটের অন্তর্ভুক্ত করা এবং তাদের বিদেশ নীতি নির্ধারণে আধিপত্য কায়েম করা।

মার্শাল পরিকল্পনার প্রকৃত উদ্দেশ্য:

1. সোভিয়েত প্রভাবমুক্ত ইউরোপ গঠন: যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের দেশগুলিকে অর্থসাহায্য দিয়ে সোভিয়েত প্রভাবমুক্ত ইউরোপ গঠন করা।

2. আন্তর্জাতিক বাজার তৈরি: মার্কিন বাণিজ্যের স্বার্থে অর্থসাহায্যের বিনিময়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশগুলির অর্থনীতি মজবুত করে এক আন্তর্জাতিক বাজার গড়ে তোলা।

3. মার্কিন রাষ্ট্রজোটের শক্তিবৃদ্ধি: সাহায্যগ্রহণকারী দেশগুলিকে নিয়ে মার্কিন নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদী রাষ্ট্রজোটের শক্তি বাড়ানো।

4. অন্য রাষ্ট্রের বিদেশনীতি নির্ধারণ: সাহায্যগ্রহণকারী দেশগুলির অভ্যন্তরীণ বিদেশনীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে মার্কিন আধিপত্য কায়েম করা।

মার্শাল পরিকল্পনার আরো তথ্য জানুন: