কষে দেখি ১.৩ সমাধান | নবম শ্রেণির গণিত প্রকাশ | বাস্তব সংখ্যা

নবম শ্রেণির গণিত প্রকাশ বইয়ের প্রথম অধ্যায় ‘বাস্তব সংখ্যা’-এর কষে দেখি ১.৩-এর সম্পূর্ণ সমাধান। প্রতিটি অঙ্ক সহজ পদ্ধতিতে, ছোট ছোট ধাপে সমাধান করা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা সহজে বুঝতে ও খাতায় লিখতে পারে।

কষে দেখি 1.3 (Koshe Dekhi 1.3)

নবম শ্রেণির গণিত প্রকাশ – অধ্যায় ১ (বাস্তব সংখ্যা) এর সম্পূর্ণ সমাধান

বন্ধুরা, আজকে আমরা নবম শ্রেণির গণিতের ‘কষে দেখি ১.৩’ এর সব অঙ্ক ধাপে ধাপে সমাধান করব। এই অধ্যায়ে আমরা মূলত সসীম ও অসীম দশমিক বিস্তার, পৌনঃপুনিক (Recurring Decimals) এবং সংখ্যারেখায় জুম করে (বিবর্ধন) সংখ্যা বসানো শিখব। চলো খাতা-কলম নিয়ে বসে পড়ো, আমি একদম সহজ করে বুঝিয়ে দিচ্ছি!
1. ভাগ না করে নীচের কোন সংখ্যাগুলির দশমিকে বিস্তার সসীম হবে লিখি:
💡 মনে রাখার ট্রিক: কোনো ভগ্নাংশের হরকে (নীচের সংখ্যাটিকে) উৎপাদকে ভাঙলে যদি শুধুমাত্র ২ এবং/অথবা ৫ পাওয়া যায়, তবেই সেটা সসীম (Terminating) হবে। ২ বা ৫ ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা (যেমন ৩, ৭) ঢুকে পড়লেই সেটা অসীম আবৃত্ত হয়ে যাবে!
(i)
17
80

এখানে হর হলো 80। 80 কে ভাঙলে পাই: 80 = 2 × 2 × 2 × 2 × 5।
যেহেতু হরের উৎপাদকে শুধু 2 এবং 5 আছে, তাই এর দশমিক বিস্তার সসীম হবে।

(ii)
13
24

এখানে হর 24 = 2 × 2 × 2 × 3।
যেহেতু হরের উৎপাদকে 3 আছে, তাই এর দশমিক বিস্তার সসীম হবে না (অসীম আবৃত্ত হবে)।

(iii)
17
12

এখানে হর 12 = 2 × 2 × 3।
এখানেও 3 আছে, তাই এর দশমিক বিস্তার সসীম হবে না।

(iv)
16
125

এখানে হর 125 = 5 × 5 × 5।
যেহেতু হরের উৎপাদকে কেবল 5 আছে, তাই এর দশমিক বিস্তার সসীম হবে।

(v)
4
35

এখানে হর 35 = 5 × 7।
যেহেতু হরের উৎপাদকে 7 আছে, তাই এর দশমিক বিস্তার সসীম হবে না।

উত্তর: (i) 17/80 এবং (iv) 16/125 সংখ্যাগুলির দশমিকে বিস্তার সসীম হবে।
2. নীচের প্রত্যেক সংখ্যার দশমিকে বিস্তার করি ও কী ধরনের দশমিকে বিস্তার পাব লিখি:
এখানে আমাদের সরাসরি ভাগ করে দেখতে হবে ভাগফল মিলছে কি না। মিলে গেলে সসীম, আর না মিললে অসীম আবৃত্ত।
  • (i) 111 : 1 কে 11 দিয়ে ভাগ করলে পাব 0.090909… = 0.09
    প্রকারভেদ: অসীম ও আবৃত্ত দশমিক।
  • (ii) 58 : 5 কে 8 দিয়ে ভাগ করলে পাই 0.625 (ভাগ মিলে যায়)।
    প্রকারভেদ: সসীম দশমিক।
  • (iii) 313 : ভাগ করলে পাই 0.230769230769… = 0.230769
    প্রকারভেদ: অসীম ও আবৃত্ত দশমিক।
  • (iv) 3 18 : প্রথমে অপ্রকৃত ভগ্নাংশে প্রকাশ করি = 258। ভাগ করলে পাই 3.125
    প্রকারভেদ: সসীম দশমিক।
  • (v) 211 : ভাগ করলে পাই 0.181818… = 0.18
    প্রকারভেদ: অসীম ও আবৃত্ত দশমিক।
  • (vi) 725 : ভাগ করলে পাই 0.28 (ভাগ মিলে যায়)।
    প্রকারভেদ: সসীম দশমিক।
3. নীচের প্রতিটি সংখ্যা p/q আকারে প্রকাশ করি, যেখানে p ও q পূর্ণসংখ্যা এবং q ≠ 0 :
পৌনঃপুনিক (মাথায় ফুটকি বা দাগ) তোলার জন্য একটা খুব সহজ নিয়ম আছে। পুরো সংখ্যাটা থেকে যেটার মাথায় ফুটকি নেই সেটা বিয়োগ করবে। আর নিচে, দশমিকের পর যতগুলোর মাথায় ফুটকি থাকবে ততগুলো 9 বসবে, আর যার মাথায় ফুটকি নেই তার জন্য 0 বসবে। চলো ধাপে ধাপে করি:
(i) 0.3
=
3
9
=
1
3
(ii) 1.3
=
13 – 1
9
=
12
9
=
4
3
(iii) 0.54
=
54
99
=
6
11
(৯ দিয়ে কাটাকুটি করে)
(iv) 0.34
=
34 – 3
90
=
31
90
(v) 3.14
=
314 – 31
90
=
283
90
(vi) 0.17
=
17 – 1
90
=
16
90
=
8
45
(vii) 0.47
=
47 – 4
90
=
43
90
(viii) 0.54
=
54 – 5
90
=
49
90
(ix) 0.001
=
001
999
=
1
999
(x) 0.163
=
163 – 16
900
=
147
900
=
49
300
(৩ দিয়ে কাটাকুটি করে)
4. 4 টি সংখ্যা লিখি যাদের দশমিকে বিস্তার অসীম ও অনাবৃত্ত।
অসীম ও অনাবৃত্ত মানেই হলো অমূলদ সংখ্যা। যেকোনো পূর্ণবর্গ নয় এমন সংখ্যার বর্গমূল লিখলেই হবে, অথবা নির্দিষ্ট প্যাটার্ন ছাড়া অসীম সংখ্যা লিখে দিলেই উত্তর হয়ে যাবে।

৪টি উদাহরণ হলো:

  • √2 (যার মান 1.4142… যা অসীম ও অনাবৃত্ত)
  • √3 (যার মান 1.7320… যা অসীম ও অনাবৃত্ত)
  • 0.10100100010000…
  • 0.2020020002…
5. 5/7 ও 9/7 এর মধ্যে 3টি ভিন্ন অমূলদ সংখ্যা লিখি।
প্রথমে আমরা ভগ্নাংশ দুটোকে দশমিকে ভেঙে নেব। তারপর তাদের মাঝের যেকোনো এলোমেলো প্যাটার্নের সংখ্যা বসিয়ে দেব।

5/7 = 0.714285…
9/7 = 1.285714…

এখন 0.71… এবং 1.28… এর মধ্যে ৩টি অমূলদ সংখ্যা নিজেদের মতো তৈরি করে লিখতে পারি:

১) 0.7272272227…
২) 0.8181181118…
৩) 1.1010010001…
6. 3/7 ও 1/11 -এর মধ্যে 2টি ভিন্ন অমূলদ সংখ্যা লিখি।

প্রথমে সংখ্যা দুটির দশমিক মান বের করি:
1/11 = 0.090909… = 0.09
3/7 = 0.428571…

অতএব, 0.09… এবং 0.42… এর মধ্যে দুটি অমূলদ সংখ্যা হলো:

১) 0.1010010001…
২) 0.2121121112…
7. নীচের সংখ্যাগুলির মধ্যে কোনটি মূলদ সংখ্যা এবং কোনটি অমূলদ সংখ্যা লিখি:
(i) √47

47 একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা নয়, তাই এর বর্গমূল একটি অসীম ও অনাবৃত্ত দশমিক হবে।
উত্তর: এটি একটি অমূলদ সংখ্যা।

(ii) √625

√625 = 25, যা একটি পূর্ণসংখ্যা তথা p/q আকারে লেখা যায় (25/1)।
উত্তর: এটি একটি মূলদ সংখ্যা।

(iii) 6.5757…

এই সংখ্যাটিতে 57 বারবার ফিরে আসছে, অর্থাৎ এটি অসীম আবৃত্ত দশমিক (6.57)।
উত্তর: এটি একটি মূলদ সংখ্যা।

(iv) 1.1010010001…

এই সংখ্যাটিতে দশমিকের পর কোনো নির্দিষ্ট প্যাটার্ন বারবার ফিরে আসছে না (এটি অসীম ও অনাবৃত্ত)।
উত্তর: এটি একটি অমূলদ সংখ্যা।

8. সংখ্যারেখায় নীচের সংখ্যাগুলি স্থাপন করি:
এই সংখ্যাগুলিকে সংখ্যারেখায় স্থাপন করার জন্য আমাদের “ক্রমিক বিবর্ধন পদ্ধতি” (Successive Magnification Method) ব্যবহার করতে হবে। যেহেতু এগুলি ৩ দশমিক স্থান পর্যন্ত সংখ্যা, তাই আতস কাঁচের মতো সংখ্যারেখাকে ৩ বার জুম বা বিবর্ধন করতে হবে। চলো ধাপে ধাপে লিখে নিই:
(i) 5.762 কে সংখ্যারেখায় স্থাপন:
  • ধাপ ১: প্রথমে সাধারণ সংখ্যারেখায় 5 এবং 6 এর মাঝের অংশটিকে সমান 10 ভাগে ভাগ করি। সেখানে 5.7 ও 5.8 কে চিহ্নিত করি।
  • ধাপ ২: এরপর 5.7 এবং 5.8 এর মাঝের অংশটিকে আবার 10 ভাগে ভাগ করি। সেখানে 5.76 ও 5.77 কে চিহ্নিত করি।
  • ধাপ ৩: অবশেষে, 5.76 এবং 5.77 এর মাঝের অংশটিকে 10 ভাগে ভাগ করলে, তার ২ নম্বর দাগটিই হবে 5.762।
(ii) 2.321 কে সংখ্যারেখায় স্থাপন:
  • ধাপ ১: 2 এবং 3 এর মাঝের অংশটিকে 10 ভাগে ভাগ করে 2.3 ও 2.4 চিহ্নিত করি।
  • ধাপ ২: 2.3 এবং 2.4 এর মাঝের অংশটিকে 10 ভাগে ভাগ করে 2.32 ও 2.33 চিহ্নিত করি।
  • ধাপ ৩: 2.32 এবং 2.33 এর মাঝের অংশটিকে 10 ভাগে ভাগ করলে, ১ নম্বর দাগটিই হবে 2.321।
(iii) 1.052 কে সংখ্যারেখায় স্থাপন:
  • ধাপ ১: 1 এবং 2 এর মাঝের অংশটিকে 10 ভাগে ভাগ করে 1.0 ও 1.1 চিহ্নিত করি।
  • ধাপ ২: 1.0 এবং 1.1 এর মাঝের অংশটিকে 10 ভাগে ভাগ করে 1.05 ও 1.06 চিহ্নিত করি।
  • ধাপ ৩: 1.05 এবং 1.06 এর মাঝের অংশটিকে 10 ভাগে ভাগ করলে, ২ নম্বর দাগটিই হবে 1.052।
(iv) 4.178 কে সংখ্যারেখায় স্থাপন:
  • ধাপ ১: 4 এবং 5 এর মাঝের অংশটিকে 10 ভাগে ভাগ করে 4.1 ও 4.2 চিহ্নিত করি।
  • ধাপ ২: 4.1 এবং 4.2 এর মাঝের অংশটিকে 10 ভাগে ভাগ করে 4.17 ও 4.18 চিহ্নিত করি।
  • ধাপ ৩: 4.17 এবং 4.18 এর মাঝের অংশটিকে 10 ভাগে ভাগ করলে, ৮ নম্বর দাগটিই হবে 4.178।
9. 2.26 ও 5.54 সংখ্যাদুটি 4 দশমিক স্থান পর্যন্ত সংখ্যারেখায় স্থাপন করি।

প্রথমে সংখ্যাদুটিকে 4 দশমিক স্থান পর্যন্ত বিস্তার করে নিই:
2.26 = 2.2666… (৪ দশমিক স্থান পর্যন্ত মান = 2.2666)
5.54 = 5.5444… (৪ দশমিক স্থান পর্যন্ত মান = 5.5444)

ক্রমিক বিবর্ধন পদ্ধতি (Successive Magnification):

১. 2.2666 স্থাপন:
  • 2 এবং 3 এর মাঝে 2.2 ও 2.3 চিহ্নিত করি।
  • 2.2 এবং 2.3 এর মাঝে 2.26 ও 2.27 চিহ্নিত করি।
  • 2.26 এবং 2.27 এর মাঝে 2.266 ও 2.267 চিহ্নিত করি।
  • সবশেষে 2.266 এবং 2.267 এর মাঝের অংশকে 10 ভাগ করলে তার ৬ নম্বর দাগটি হবে 2.2666।
২. 5.5444 স্থাপন:
  • 5 এবং 6 এর মাঝে 5.5 ও 5.6 চিহ্নিত করি।
  • 5.5 এবং 5.6 এর মাঝে 5.54 ও 5.55 চিহ্নিত করি।
  • 5.54 এবং 5.55 এর মাঝে 5.544 ও 5.545 চিহ্নিত করি।
  • সবশেষে 5.544 এবং 5.545 এর মাঝের অংশকে 10 ভাগ করলে তার ৪ নম্বর দাগটি হবে 5.5444।
10. 0.232332333… এবং 0.212112111… এর মধ্যে দুটি মূলদ সংখ্যা লিখি।
দেখো বন্ধুরা, অমূলদ সংখ্যার মাঝে অসংখ্য মূলদ সংখ্যা থাকে। আমাদের শুধু এমন দুটো সংখ্যা নিতে হবে যাদের দশমিক মিলে যায় (সসীম)। 0.21… আর 0.23… এর মাঝখানে আমরা খুব সহজেই 0.22 নিতে পারি!
দুটি মূলদ সংখ্যা হলো: 0.22 এবং 0.23

(কারণ 0.212… < 0.22 < 0.23 < 0.232...)

11. 0.2101 এবং 0.2222… এর মধ্যে দুটি মূলদ সংখ্যা লিখি।

একদম আগের অঙ্কের মতোই, 0.2101 এবং 0.2222 এর মাঝখানের দুটি সসীম দশমিক সংখ্যা আমরা লিখে দেব।

দুটি মূলদ সংখ্যা হলো: 0.211 এবং 0.212
12. স্বাভাবিক সংখ্যা, অখণ্ড সংখ্যা, পূর্ণসংখ্যা, মূলদ সংখ্যা, অমূলদ সংখ্যা ও বাস্তব সংখ্যা নিয়ে নীচের বাক্যগুলি সত্য না মিথ্যা লিখি:
এই প্রশ্নগুলো তোমাদের বেসিক কনসেপ্ট ক্লিয়ার করার জন্য। চলো দেখি:
(i) দুটি মূলদ সংখ্যার সমষ্টি সর্বদা মূলদ সংখ্যা হবে।

যেমন 2 + 3 = 5 (মূলদ)।
সত্য (True)

(ii) দুটি অমূলদ সংখ্যার সমষ্টি সর্বদা অমূলদ সংখ্যা হবে।

যেমন √3 এবং –√3 যোগ করলে 0 হয়, যা মূলদ।
মিথ্যা (False)

(iii) দুটি মূলদ সংখ্যার গুণফল সর্বদা মূলদ সংখ্যা হবে।

যেমন 2 × 3 = 6 (মূলদ)।
সত্য (True)

(iv) দুটি অমূলদ সংখ্যার গুণফল সর্বদা অমূলদ সংখ্যা হবে।

যেমন √2 × √2 = 2 (মূলদ হয়ে যায়)।
মিথ্যা (False)

(v) প্রতিটি মূলদ সংখ্যাই বাস্তব সংখ্যা।

বাস্তব সংখ্যার বড় থলির মধ্যেই সব মূলদ সংখ্যা থাকে।
সত্য (True)

(vi) প্রতিটি বাস্তব সংখ্যাই অমূলদ সংখ্যা।

বাস্তব সংখ্যার ভেতরে মূলদ সংখ্যাও আছে, তাই সব বাস্তব সংখ্যা অমূলদ নয়।
মিথ্যা (False)

14. বহুবিকল্পীয় প্রশ্ন (M.C.Q.):
(i) √5 এর দশমিক বিস্তার:

যেহেতু 5 পূর্ণবর্গ নয়, তাই এর রুট অসীম ও অনাবৃত্ত হবে।
উত্তর: (c) একটি অসীম ও অনাবৃত্ত দশমিক।

(ii) দুটি অমূলদ সংখ্যার গুণফল:

যেমনটা আমি আগেই বললাম, √2 × √2 = 2 (মূলদ) হয়, আবার √2 × √3 = √6 (অমূলদ) হয়।
উত্তর: (c) মূলদ অথবা অমূলদ।

(iii) π এবং 22/7:

π এর মান অসীম ও অনাবৃত্ত, তাই এটি অমূলদ। কিন্তু 22/7 হলো p/q আকার, তাই এটি মূলদ।
উত্তর: (c) π অমূলদ এবং 22/7 মূলদ।

(iv) দুটি মূলদ সংখ্যার মধ্যে:

উত্তর: (c) অসংখ্য মূলদ সংখ্যা আছে।

(v) দুটি অমূলদ সংখ্যার মধ্যে:

উত্তর: (c) অসংখ্য অমূলদ সংখ্যা আছে।

15. সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (S.A.Q.):
(i) একটি উদাহরণ লিখি যেখানে দুটি অমূলদ সংখ্যার যোগফল একটি মূলদ সংখ্যা।

ধরি দুটি অমূলদ সংখ্যা হলো (2 + √3) এবং (2 – √3)।
যোগফল = 2 + √3 + 2 – √3 = 4 (যা একটি মূলদ সংখ্যা)।

(ii) একটি উদাহরণ লিখি যেখানে দুটি অমূলদ সংখ্যার বিয়োগফল একটি মূলদ সংখ্যা।

ধরি দুটি অমূলদ সংখ্যা হলো (5 + √2) এবং (3 + √2)।
বিয়োগফল = (5 + √2) – (3 + √2) = 5 – 3 = 2 (যা একটি মূলদ সংখ্যা)।

(iii) 1/7 এবং 2/7 এর মধ্যে একটি মূলদ সংখ্যা লিখি।

আমরা সংখ্যা দুটোকে যোগ করে 2 দিয়ে ভাগ করলেই মাঝের মূলদ সংখ্যা পেয়ে যাবো।
(1/7 + 2/7) ÷ 2 = (3/7) ÷ 2 = 3/14

(iv) 1/7 এবং 2/7 এর মধ্যে একটি অমূলদ সংখ্যা লিখি।

1/7 = 0.142857… এবং 2/7 = 0.285714…
মাঝখানের একটা অমূলদ সংখ্যা হলো: 0.1515515551…

(v) 0.0123 কে p/q আকারে লিখি।
শর্টকাট নিয়ম:
123 – 12
9000
=
111
9000
৩ দিয়ে কাটাকুটি করলে পাবো =
37
3000
Aftab Rahaman

Aftab Rahaman

Aftab Rahaman is a Professional Content Writer having experince in this field for the last 7 years. He started his career as a content writer, and now he is working with many big news publications. His expertise is in West Bengal schemes, and interest in Education, GK, And Competitive Exams.

kalikolom.com

Leave a Comment